সময়ের ভাবনা

স্বাস্থ্যসেবা খাতে উন্নয়ন ও চিকিৎসার ব্যয়ভার

যেকোনো দেশের জনসাধারণের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম চাহিদা ও অধিকার হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা বা স্বাস্থ্য সুরক্ষা। একটি দেশের অগ্রযাত্রায় সুবিন্যস্ত ও সুপরিকল্পিত স্বাস্থ্যসেবা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি আমাদের সংবিধানেও উল্লেখ আছে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। একটি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে না চললে তার সরাসরি

যেকোনো দেশের জনসাধারণের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম চাহিদা ও অধিকার হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা বা স্বাস্থ্য সুরক্ষা। একটি দেশের অগ্রযাত্রায় সুবিন্যস্ত ও সুপরিকল্পিত স্বাস্থ্যসেবা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকে। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি আমাদের সংবিধানেও উল্লেখ আছে। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। একটি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুষ্ঠুভাবে না চললে তার সরাসরি ফলাফল ভোগ করতে হয় সে দেশের সাধারণ মানুষকে। বাংলাদেশে তার যথেষ্ট প্রমাণ আমরা দেখেছি কভিড মহামারীর সময়। বিগত বছরগুলোয় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে দেশে অনেক হাসপাতাল-ক্লিনিক নির্মাণ, বহু চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগসহ অত্যাধুনিক সব চিকিৎসা যন্ত্রপাতি কেনা থাকলেও। মহামারী শুরুর পর দেখা গেল এত কিছুর পরও হাসপাতালগুলোয় নেই সেন্ট্রাল অক্সিজেন ব্যবস্থা, নেই পর্যাপ্ত আইসিইউ ব্যবস্থা। আর তীব্রভাবে প্রকাশ পেয়েছে প্রশিক্ষিত জনবলের প্রবল সংকট। মূলত এমন দৈন্যদশা দেখে সারা দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার চিত্র সহজেই অনুমান করা যায়। স্বাস্থ্যসেবা খাতের মান উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বার বার আলোচনা-সমালোচনা হলেও লক্ষণীয় পরিবর্তন আনতে আমরা এখনো সক্ষম হইনি, এমনকি চিকিৎসাসেবায় যেভাবে লাগাতার লাগামহীনভাবে ব্যয় বেড়েছে সে ব্যাপারেও যথাযথ নিয়ন্ত্রণ বা পরিবর্তন আনতে আমরা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছি। তবে স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়নের জন্য যে একদম কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি তা বলা যাবে না, তবে আমরা সমন্বিত ও সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা খাতকে অতিমাত্রার বাণিজ্যিকীকরণ, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কবল থেকে রক্ষা করতে পারিনি। এজন্যই স্বাস্থ্যসেবা খাতের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য আজও পূরণ হয়নি।

বর্তমানে ক্রমবর্ধমান রোগের কারণে জনগণকে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা প্রদান সরকারের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এটা সত্যি। কিন্তু আমাদের স্বাস্থ্যকে শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে নজর দেয়া প্রয়োজন। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দিয়েও আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে হবে। আর তার জন্য প্রয়োজন সম্পূর্ণ নতুনভাবে স্বাস্থ্যনীতিকে দেখা, যা স্বাস্থ্যসেবার মৌলিক প্রয়োজন হিসেবে দেখে দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতকে কার্যকর ও সক্ষম করে তুলতে পারবে। নীতিগত পরিবর্তন ও তার প্রায়োগিক পরিবর্তন না করা হলে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা খাতকে বদলানো সম্ভব নয়। জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্য জনবলে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের নিচে একমাত্র অবস্থান করছে আফগানিস্তান। অন্য আরো এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বাড়লেও শেষ ১০ বছর তারা অসুস্থ থাকে। কেবল জনবল নয়, জিডিপির হিসাবে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার বরাদ্দও দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম। দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয় জিডিপির ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় মাত্র ১১০ ডলার। এক দশক ধরেই স্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় মোট সরকারি ব্যয়ের ৫ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। 

দেশে সরকারি স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতার কারণে বেসরকারি চিকিৎসাসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বেড়ে ওঠার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা যায়। আরো এক জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৬৫৪টি এবং এসব হাসপাতালে মোট শয্যার সংখ্যা ৫১ হাজার ৩১৬। এদিকে বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে ৫ হাজার ৫৫টি, যেখানে মোট শয্যার সংখ্যা ১ লাখ ৫ হাজার ১৮৩। সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে মোট আইসিইউ শয্যা রয়েছে মাত্র ১ হাজার ১৬৯টি। সরকারি হাসপাতাল ৪৩২টির মধ্যে ঢাকায় রয়েছে ৩২২টি এবং ঢাকার বাইরে ১১০টি হাসপাতাল রয়েছে। এসবের মধ্যে সরকারি হাসপাতালগুলোয় ধারণক্ষমতার তিন গুণ বেশি রোগীর সেবা দেয়া হয়। এত সংখ্যক রোগীদের থাকলেও স্বাস্থ্যসেবা খাতে বরাদ্দ দেশের মোট জিডিপির ৫ শতাংশেরও কম। স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের বরাদ দিয়ে বণিক বার্তায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বিশেষায়িত সব সরকারি হাসপাতালে শয্যার চেয়ে ৫৩ শতাংশ রোগী বেশি ভর্তি হয়। এতেই বোঝা যায় আমাদের এখনো রোগীদের সেবা দেয়ার মতো পর্যাপ্ত সরকারি হাসপাতাল নেই। জেলা ও মেডিকেল কলেজে রোগী ভর্তির হার যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৫২ শতাংশ। দেশের অধিকাংশ মানুষ জেলা শহরে বাস করলেও জেলা পর্যায়ে সব রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়নি এখন পর্যন্ত। গুরুত্বপূর্ণ অনেক পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। যার ফলে বিশেষায়িত হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ে। এতে স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে আরেক পরিসংখ্যানে দেখাচ্ছে বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবার প্রায় ৬৩ শতাংশ চিকিৎসা বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত প্রদান করছে। সরকারি হাসপাতালে শয্যা সংকট, জনবলের অপ্রতুলতার কারণে মানুষ বেসরকারি হাসপাতালের দিকে এগিয়েছে। আর সেজন্যই বেড়েছে বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা। কিন্তু এতে করে সমস্যার সমাধান আসেনি। বেশির ভাগ বেসরকারি হাসপাতাল সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয়বহুল এবং এদের অনেকের মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। 

আমাদের দেশের রোগীদের চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭০ ভাগ নিজের থেকে ব্যয় করতে হচ্ছে। যেহেতু আমাদের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট কম। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিওএইচও) মতে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বাজেটের ৬০ শতাংশ অর্থ ব্যয় হয় মূলত ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ, পরিচালনা খাত ও বেতন-ভাতা প্রদানে। ১৪ ভাগ মানুষ তাদের মোট আয়ের ১০ ভাগ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করছে। প্রাইমারি হেলথ কেয়ার, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার এবং মাতৃত্বকালীন মৃত্যুহার কমাতে আমরা সফল হয়েছি। তবে এগুলো সব বিক্ষিপ্ত অর্জন। সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে দেশের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার কথা। তবে সে অধিকার যখন কারো ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ হয়ে যায় তখন বিষয়টা বড় উদ্বেগের হয়ে দাঁড়ায়। দেশের স্বাস্থ্য খাতে প্রধান সমস্যাগুলোর অন্যতম হচ্ছে স্বাস্থ্য খাতে যথাযথ বাজেট বরাদ্দ না থাকা। আর এ সমস্যা নিরসনে জাতীয় বাজেটে খুব একটা প্রাধান্য পায় না। তাছাড়া নিজেদের সার্বিকভাবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা মানসম্পন্ন ও উন্নত করতে না পারা এবং জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার ক্ষেত্রে দাতাদের নির্দেশিত উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রভাব থাকায় স্বাস্থ্যের মতো সেবা খাত বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়ায় যেতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে বাড়ছে অর্থনৈতিক বৈষম্য। দেশের স্বাস্থ্য খাতকে বেসরকারীকরণ স্বাস্থ্যসেবাকে পণ্যে পরিণত করেছে। সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা যথাযথভাবে পাচ্ছে না বলেই বাধ্য হয়ে অনেকেই বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যেখানে চিকিৎসাসেবা প্রত্যাশীরা চিকিৎসার নামে তাদের কাছে জিম্মি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক জরিপ অনুযায়ী, আমাদের দেশের প্রায় ৫২ লাখ মানুষ প্রতি বছর নিজ পকেট থেকে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে দরিদ্র হচ্ছে। আর বড় ধরনের আকস্মিক স্বাস্থ্য ব্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে প্রায় সোয়া দুই কোটি মানুষ। প্রতিদিন বাড়ছে ডাক্তারি পরামর্শের ফি, চিকিৎসা ও ওষুধের খরচ। চিকিৎসাসেবায় লাগামহীন ব্যয়ের বৃদ্ধির চিত্র দেখায় দেশের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের গবেষণা তথ্য। সেখানে বলা হচ্ছে, দেশে চিকিৎসা খাতে মানুষের ব্যয় ৪৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে একজন রোগীর পেছনে যে ব্যয় হয়, তার ৭৩ শতাংশই সেবাগ্রহীতা ব্যক্তিকে বহন করতে হয়। চিকিৎসার এ ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে প্রতি বছর দেশে ৮৬ লাখ মানুষ আর্থিক সমস্যায় পড়ে। আর ব্যয় বেশি হওয়ার কারণে ১৬ শতাংশ মানুষ অর্থাৎ প্রায় তিন কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নেয়া থেকে বিরত থাকে। বিশ্লেষকদের মতে, কভিড-পরবর্তী দুই বছরে এ ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা ওপরে। 

এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা কিছুটা অবকাঠামো বাড়ানো হলেও তার জন্য পর্যাপ্ত জনশক্তি বাড়ানো হয়নি। তাই হাসপাতাল হয়েছে কিন্তু সেখানে সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো এ সেবা থেকে বঞ্চিত। প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের অভাব, নার্স ও স্বাস্থ্য সহকারী না থাকা, চিকিৎসা সরঞ্জামাদির অভাব, চিকিৎসা ব্যয় বৃদ্ধি এসব কারণে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। দেশের বেশির ভাগ উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার নেই। এগুলোই বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের আরো একটি অন্যতম দুর্বলতা। এ ধরনের অসামঞ্জস্য রেখে শক্তিশালী স্বাস্থ্যসেবা খাত গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে রাজধানীকেন্দ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার বাইরে এসে সেটাকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে হবে চিকিৎসাসেবা। সরকার উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স করেছে; তৃণমূলে কমিউনিটি ক্লিনিক করেছে। এগুলো নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ। তবে সেই সঙ্গে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি পুনরায় পর্যালোচনা করে আমাদের স্বাস্থ্যসেবাকে ঢেলে সাজাতে হবে। স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নের জন্য যা যা করতে হবে তা হলো স্বাস্থ্য বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থের অসমতা দূর করতে হবে, অঞ্চলভিত্তিক চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দ করতে হবে, সারা দেশে দক্ষ চিকিৎসক এবং অধিক সংখ্যক নার্স তৈরি করতে হবে, জনগণের ক্রয়ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং তাদের চাহিদাগুলোর ওপর ভিত্তি করে তাদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে, সরকারিভাবে স্বাস্থ্যবীমা চালু, জাতীয় স্বাস্থ্য ও ওষুধনীতি গ্রহণ ও এর বাস্তবায়ন এবং ওষুধের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী, একটি ভালোমানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে দেশের জাতীয় বাজেটের কমপক্ষে ১৫ শতাংশ বরাদ্দ হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের বাজেটে টাকার পরিমাণ ক্রমে বাড়লেও তা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুপাতে নয়। সবার জন্য চিকিৎসাসেবা যেন পায় আর তা যেন সাশ্রয়ী হয় সেভাবে ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করে, স্বাস্থ্য খাতে যথেষ্ট অর্থ বরাদ্দ বাড়াতে হবে এবং মান উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এগোতে হবে আমাদের। তাহলে আমরা স্বাস্থ্য খাত প্রকৃত উন্নয়ন করতে সক্ষম হব। 

মো. আবিদ মঈন খান: সাংবাদিক

আরও