মৃত্যুবার্ষিকী

কাজী নজরুল ইসলাম ও নবযুগ প্রকাশের শতবর্ষ

আজ ২৯ আগস্ট। গানের সম্রাট, সুরের সাধক, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে কবি কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ৭৭ বছর বয়সে ঢাকার তদানীন্তন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭২ সালের ২৪ মে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি

আজ ২৯ আগস্ট। গানের সম্রাট, সুরের সাধক, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে কবি কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ৭৭ বছর বয়সে ঢাকার তদানীন্তন পিজি হাসপাতালে (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৭২ সালের ২৪ মে তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে কবি সপরিবারে বাংলাদেশে আসেন। বাংলাদেশ সরকার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেন এবং জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা দেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশেই ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২২ জুলাই কবি অসুস্থ বোধ করায় তাকে ধানমন্ডির কবি ভবন থেকে পিজি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের ১১৭ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট সকাল ১০টা ১০ মিনিটে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জাতীয় কবি ঘুমিয়ে গেলেন শ্রান্ত হয়ে চিরদিনের জন্য। যেমনটি কবি একদিন নিজেই লিখেছিলেন, ঘুমিয়ে গেছে শ্রান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি। করুণ চোখে চেয়ে আছে সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিভা শুধু সাহিত্য কিংবা সংগীতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। অবিভক্ত বাংলার বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পত্রিকার সম্পাদনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। উপনিবেশিক শাসনামলে পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কাজী নজরুল ইসলাম অসামান্য খ্যাতি অর্জন করেন। তার সম্পাদিত পত্রিকার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল নবযুগ, লাঙল, ধূমকেতু ইত্যাদি।

ঔপনিবেশিক শাসনামলে বাংলার সংবাদপত্রের ইতিহাসে নবযুগ এক উল্লেখযোগ্য স্থান অধিকার করে আছে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ক্ষেত্রেই শুধু নয়, ক্রমাম্বয়ে পত্রিকাটি বাঙালি জাতীয়তাবাদের মুখপত্রে পরিণত হয়। নবযুগের মাধ্যমেই কবির সঙ্গে সাংবাদিকতা জীবনের যোগসূত্র স্থাপিত হয়। বলা চলে কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা জীবন শুরু হয় নবযুগ দিয়েই। আবার তার সাংবাদিকতার পরিসমাপ্তি ঘটে নবযুগেই।

১৯২০ সালের ১২ জুলাই নবযুগ সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তখন সেনাবাহিনী থেকে কলকাতায় ফিরেছেন। সময় তিনি মুজফফর আহমেদের সঙ্গে পত্রিকা বের করতে উৎসাহী হলেন। কিন্তু দুজনেরই দৈনিক সংবাদপত্র চালানোর মতো অর্থ প্রেস ছিল না। ফলে শরণাপন্ন হন শেরেবাংলা কে ফজলুল হকের। শেষ পর্যন্ত তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেন একটি সান্ধ্য দৈনিক পত্রিকা বের করা হবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজী নজরুল ইসলাম মুজফফর আহমেদের সম্পাদনায় সান্ধ্য দৈনিক নবযুগ প্রকাশিত হলো। পত্রিকার সঙ্গে আরো যুক্ত হলেন ফজলুল হক সেলবর্ষী মঈনউদ্দীন হোসায়ন।

সাংবাদিকতার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই নবযুগে কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখতে থাকলেন স্বাধীনভাবে। মুক্তচিন্তার ক্ষেত্র প্রসারিত করলেন। ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণের প্রতিবাদ চলতে থাকল নিরবচ্ছিন্নভাবে। যেন রাজনৈতিক চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে স্বদেশপ্রেমে জাগ্রত করে তোলার মহত্প্রাণ চেষ্টা। পত্রিকার সম্পাদকীয় স্তম্ভে কবি কাজী নজরুল ইসলামের জ্বালাময়ী আবেগপূর্ণ প্রবন্ধ নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে। উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগুলো ছিল ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ, গেছে দেশ দুঃখ নাই, আবার তোরা মানুষ !, মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে প্রভৃতি।

কিন্তু ধরনের প্রবন্ধের জন্য কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং নবযুগ পত্রিকাকে ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়তে হয় এবং জামানতের টাকাও বাজেয়াপ্ত করা হয়। সান্ধ্য নবযুগের নিপীড়িত, লাঞ্ছিত, পরাধীন মানুষের ভাবনার কথাগুলো নিয়ে প্রকাশিত সম্পাদকীয় অন্যান্য নিবন্ধ থেকে বাছাই করে ২১টি প্রবন্ধ পরবর্তীকালে যুগবাণীতে সংকলিত হয়। ১৯২২ সালের অক্টোবরে এটি প্রকাশিত হয়। কিন্তু ব্রিটিশ সরকারের হাত থেকে সেটাও রেহাই পায়নি। ১৯২২ সালের ২৩ নভেম্বর তদানীন্তন ব্রিটিশ সরকার এটি নিষিদ্ধ করে। কবির বিরুদ্ধে উগ্র জাতীয়তাবাদ প্রচারের অভিযোগ আনে ব্রিটিশ সরকার।

তবুও কবি কাজী নজরুল ইসলাম থেমে থাকেননি। তার দেয়া কবিতার ভাষায় দৈনিক নবযুগ পত্রিকার সংবাদ হেডিংগুলো পাঠকপ্রিয়তা পায়। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার পঙিক্ত দিয়ে নতুন নতুন হেডিং রচনা করেছেন। যেমন আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার পরান সখা ফৈসুল, হে আমার কিংবা কালাতে ধলাতে লেগেছে এবার মন্দ মধুর হাওয়া, দেখি নাই কভু দেখি নাই ওগো, এমনি ডিনার খাওয়া ইত্যাদি। কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাংবাদিক ব্যক্তিত্বের দুদিককাব্য প্রতিভা এবং প্রবন্ধ রচয়িতা দুটোই তিনি মেলে ধরলেন পাঠক সম্মুখে।

কিন্তু সান্ধ্য দৈনিক হিসেবে পত্রিকাটি বেশি দিন টিকে থাকেনি। ফলে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালের মে মাসে মওলানা আকরম খাঁর দৈনিক সেবক পত্রিকায় যোগ দেন।

১৯৪১ সালের অক্টোবর থেকে নবযুগ পত্রিকাটি নতুন কলেবরে আবারো প্রকাশিত হয়। সান্ধ্য দৈনিকের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। নবযুগ পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যাতেই নবযুগ নামে কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি কবিতা প্রকাশিত হয়। কবিতার মাধ্যমেই এটা পরিষ্কারভাবে প্রতীয়মান হয় যে নবযুগ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার ধারক হিসেবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল।

নতুন পর্যায়ের দৈনিক নবযুগ পত্রিকাটির কার্যালয় ছিল লোয়ার সার্কুলার রোডে। শুরুতে কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদক হিসেবে বেতন পেতেন মাসিক ৩৫০ টাকা। নতুনরূপে কবি কাজী নজরুল ইসলাম দৈনিক নবযুগে কবির সঙ্গে আহম্মদ আলী অমলেন্দু দাশগুপ্ত সহকারী সম্পাদক, আবুল মনসুর আহমদ বার্তা সম্পাদক, বেনজীর আহমদ যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, মুহম্মদ নুরুল হুদা ব্যবস্থাপক এবং খান বাহাদুর হামেশ আলী খানকে মহাব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এছাড়া সম্পাদকীয় বিভাগে খালেক দাদ চৌধুরী, অখিল নিয়োগী, কালীপদ গুহ রায়, ব্রজেন্দ্র রায়, দেব নারায়ণ গুপ্ত, কাজী মুহাম্মদ ইদরিস, আবদুল কাদির প্রমুখকে পেয়েছিলেন। সঙ্গে লেখক হিসেবে পেলেন আবুল মনসুর আহমদ, অমলেন্দু দাশগুপ্ত, শামসুদ্দীন আহমদ, মওলানা আহম্মদ আলী, শেখ আবদুল হাকিম প্রমুখকে। ফলে নবযুগ পত্রিকার প্রকাশ বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রার সংযোজন করে।

বাংলার রাজনীতিতে ১৯৪১ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত সময়কাল ছিল খুবই ঘটনাবহুল। ১৯৪১ সালে কে ফজলুল হক ন্যাশনাল ডিফেন্স কাউন্সিলে যোগদান করায় মুসলিম লীগ কংগ্রেস উভয় দলেই তিনি সমালোচনার শিকার হন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কে ফজলুল হক নবযুগ প্রকাশের ব্যবস্থা নেন। প্রথাগত সাংবাদিকতার গণ্ডি ডিঙিয়ে নবযুগ নতুন মাত্রা যোগ করে। রাজনৈতিক কর্মী জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। নবযুগের জনপ্রিয়তা সম্পর্কে আবুল মনসুর আহমদ বলেছেন, ১৯৪১ সালের অক্টোবর মাসে ধুমধামের সাথে নবযুগ বাহির হইল। জোরদার সম্পাদকীয় লিখিলাম। সোজাসুজি মুসলিম লীগ বা সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কিছু বলিলাম না। মুসলিম বাংলার বাংলা দৈনিকের আধিক্যের প্রয়োজনের উপরেই জোর দিলাম। তোখড় সম্পাদকীয় হইল। অমনি জোরের সম্পাদকীয় চলিতে লাগিল। সবাই বাহ্ বাহ্ করিতে লাগিলেন। (আবুল মনসুর আহমদ, আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর, পৃ. ১৬৮)

কবি কাজী নজরুল ইসলামের নিজস্ব ঢঙে লেখা সম্পাদকীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মী জনসাধারণের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করে। সময় আরেকটি দৈনিকের সঙ্গে নবযুগকে প্রতিযোগিতা করতে হয়। সেই পত্রিকাটি হলো দৈনিক আজাদ। দৈনিক নবযুগের সঙ্গে দৈনিক আজাদের মতবিরোধ ছিল। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতায় বা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দৈনিক নবযুগ জিতে যেত। কারণ ছিল সম্ভবত কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদকীয় নিবন্ধ। দৈনিক নবযুগ পত্রিকায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদকীয় নিবন্ধ বাঙালি তরুণসমাজকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছিল। পাশাপাশি নবযুগ মুসলিম সমাজের পশ্চাত্পদতা থেকে উদ্ধারেও সচেষ্ট ছিল। মুসলিম সমাজ যাতে শিক্ষার দিকে এগিয়ে যেতে পারে, এজন্য ১৯৪১ সালের ২৯ নভেম্বর দানবীর হাজী মুহম্মদ মোহসিনের ১২৯তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মোহসিন সংখ্যা প্রকাশ করে। ওই সংখ্যাতেই কাজী নজরুল ইসলাম মহাত্মা মোহসিন শীর্ষক কবিতা মোহসিন স্মরণে শীর্ষক সংগীত রচনা করেন। অর্থাৎ দৈনিক নবযুগ সৃজনশীল প্রগতিশীল কর্মকাণ্ডকে শুধু সমর্থন করেনি, এসব কর্মকাণ্ডে যাতে মুসলমানরা অংশ নিতে পারে বা উৎসাহিত হয়, সেজন্য কাজী নজরুল ইসলাম সচেষ্ট ছিলেন। অসংখ্য কবিতা, সংগীতেও তার প্রমাণ মেলে।

দৈনিক নবযুগ পত্রিকায় কাজী নজরুল ইসলাম তার সাংবাদিকতার মাধ্যমে সত্য সাহসী উক্তি করেছেন নিজের সম্ভাব্য ব্যক্তিগত ক্ষতির কথা আদৌ না ভেবে। তার সাহিত্যধর্মী সাংবাদিকতায় নগরকেন্দ্রিক সমাজ জীবন থেকে শুরু করে বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামের অধিবাসীদের অভাব অভিযোগ, দাবি প্রত্যাশা সবই তুলে ধরার চেষ্টা করতেন। ১৯৪১ সালের ২২ নভেম্বরে নবযুগে প্রকাশিত কেন আপনারে হানি হেলা শীর্ষক কবিতায় তার প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়। দৈনিক নবযুগে প্রকাশিত কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল নবযুগ, ঈদের চাঁদ, নতুন চাঁদ, নৌজোয়ান, জোর জমিয়াছে খেলা, কেন আপনারে হানি হেলা, ফুল হুর, আগুনের ফুল কি ছোটে, শ্রমিক মজুর, নারী, মহাত্মা হাজী মোহাম্মদ মোহসিন, মহাত্মা মোহসিন, আল্লা পরম প্রিয়তম মোর, কি আল্লার কৃপা নয়? ভয় করিও না হে মানবাত্মা, তোমারে ভিক্ষা দাও, শোধ করো ঋণ, অগ্রনায়ক, আল্লাহো আকবর, দরিদ্র মোর পরমাত্মীয়, প্রেম প্রহার, কবির প্রশ্বস্তি, কচুরিপানা, বড়দিন, বকরীদ, গোঁড়ামি ধর্ম নয়, জয় হোক জয় হোক, চির নির্ভর, বন্ধুরা এসো ফিরে।

উন্নত মানের গল্প, কবিতা, আলোচনা, সম্পাদকীয় নিবন্ধ সব মিলিয়ে দৈনিক নবযুগ একটি বিশিষ্ট পত্রিকা হিসেবে পরিগণিত হতো। পাঁচমিশালি লেখার মাধ্যমে দৈনিক নবযুগ ওই সময়ে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মেলবন্ধন ঘটাতে চেয়েছিল। এছাড়া দৈনিক নবযুগে কিশোরদের জন্য আগুনের ফুলকি, নারীদের জন্য মহিলা আসর কৃষক শ্রমিকদের জন্য লাঙল হাতুড়ি নামে পৃথক বিভাগ চালু করা হয়েছিল। যাতে নবযুগ প্রথম শ্রেণীর দৈনিক পত্রিকার মর্যাদা লাভ করে। কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯৪২ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত দৈনিক নবযুগ প্রকাশিত হয়। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় দৈনিক নবযুগের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে থাকে এবং ১৯৪৩ সালের পর থেকে দৈনিক নবযুগ বন্ধ হয়ে যায়। দৈনিক নবযুগ পত্রিকা স্বল্পকালীনের জন্য প্রকাশিত হলেও বাঙালি জনসাধারণের মনে গভীর রেখাপাত সৃষ্টি করে।

 

. মো. আনোয়ারুল ইসলাম: সাবেক চেয়ারম্যান, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবেক উপ-উপাচার্য, পাবনা বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

আরও