কভিড-১৯
বিশ্বজুড়ে শুধু
মহামারী ঘটিয়েই
থামছে না,
বিশ্বসভ্যতাকে দাঁড়
করিয়েছে এক
সীমাহীন অনিশ্চয়তার
মুখে। আশঙ্কা
করা হচ্ছে
বিশ্বব্যাপী চরম
খাদ্য ঘাটতিজনিত
ব্যাপক প্রাণহানির।
বিশ্ব খাদ্য
কর্মসূচির মতে,
যথাযথ সিদ্ধান্ত
গ্রহণে ব্যর্থ
হলে সারা
বিশ্বে অপুষ্টি
আর অনাহারে
প্রায় তিন
কোটি লোকের
প্রাণহানি হতে
পারে। আসন্ন
এই খাদ্য
সংকট মোকাবেলায়
বাংলাদেশের মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী ‘অধিক
প্রকার ফসল
উৎপাদন করতে
হবে। খাদ্যনিরাপত্তার
জন্য যা
যা করা
দরকার করতে
হবে’—এরূপ
নির্দেশনা দিয়েছেন।
এমনই প্রেক্ষাপটে
মহান জাতীয়
সংসদে উত্থাপিত
হয়েছে ২০২০-২১
অর্থবছরের বাজেট।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
অনুকূলে বরাদ্দ
রাখা হয়েছে
১৫ হাজার
৪৪১ দশমিক
৮৩ কোটি
টাকা, যা
মোট বাজেটের
২ দশমিক
৭২ শতাংশ
এবং চলতি
অর্থবছরে সংশোধিত
বাজেটের তুলনায়
২ হাজার
৪৮৪ দশমিক
৮৭৭৬ কোটি
বেশি (উল্লেখ্য,
মত্স্য ও
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ
কৃষি সেক্টরে
মোট বরাদ্দ
বাজেটের ৫.৩
শতাংশ)।
কৃষি মন্ত্রণালয়
এবং এর
আওতাধীন ১৭টি
অধিদপ্তর-সংস্থার
মাধ্যমে ব্যয়
করা হবে
এই পরিমাণ
অর্থ। বাজেটে
৯ হাজার
৫০০ কোটি
টাকা ভর্তুকিসহ
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
পরিচালন ব্যয়
ধরা হয়েছে
১২ হাজার
৮৯৭ দশমিক
৮৫ কোটি
টাকা। বার্ষিক
উন্নয়ন কর্মসূচি
(এডিপি)-সহ
উন্নয়ন ব্যয়
ধরা হয়েছে
২ হাজার
৫৪৩ দশমিক
৯৮ কোটি।
ওই বরাদ্দ
প্রাপ্তিতে কৃষিমন্ত্রী
মহোদয় সন্তোষ
প্রকাশ করে
বলেছেন, ‘করোনার
বাস্তবতা মেনে
নিয়ে জনগণের
খাদ্যনিরাপত্তার মৌলিক
অধিকার নিশ্চিতকরণের
লক্ষ্যেই প্রস্তাবিত
হয়েছে আগামী
অর্থবছরের বাজেট।’
আমরা জানি,
বাজেট বরাদ্দের
মাধ্যমে সরকার
বিদ্যমান উন্নয়ন
পরিকল্পনা দলিলে
উল্লিখিত লক্ষ্যমাত্রা
অর্জনের প্রয়াস
নিয়ে থাকে।
বর্তমানে বিদ্যমান
উন্নয়ন দলিলগুলোর
মধ্যে রয়েছে
প্রেক্ষিত পরিকল্পনা,
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা,
ভিশন-২০২১
ও ২০৪১,
টেকসই উন্নয়ন
অভীষ্ট, জাতীয়
কৃষিনীতি-২০১৮,
বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের নির্বাচনী
ইশতেহার-২০১৮,
আইপিওএ ইত্যাদি।
এসব নীতি
দলিলের সঙ্গে
সামঞ্জস্য রেখে
সংসদে উপস্থাপিত
বাজেট মূলত
২০২০-২১
অর্থবছরের প্রাক্কলন
এবং ২০২১-২২
ও ২০২২-২৩
অর্থবছরের প্রক্ষেপণ।
অর্থাৎ বাজেট
মূলত একটি
তিন বছরের
পরিকল্পনা। বর্তমানে
নভেল করোনাভাইরাসের
প্রাদুর্ভাবের ফলে
সরকারের উন্নয়ন
পরিকল্পনায় পরিবর্তন
আসায় পরিবর্তন
এসেছে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয় তথা
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
বাজেট বরাদ্দে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
ভিশন হলো
‘টেকসই, নিরাপদ
ও লাভজনক
কৃষি’।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
অনুকূলে প্রস্তাবিত
বাজেটের যথার্থতা
আলোচনা করতে
হলে দূরের
ভিশন অর্জন
পরিকল্পনার সঙ্গে
বর্তমানের করোনা
মোকাবেলার কৌশলকেও
আমলে আনতে
হবে। কভিড-১৯-এর
অভিঘাতসহ বিভিন্ন
আপত্কালীন পরিস্থিতি
মোকাবেলায় কৃষি
উৎপাদন বৃদ্ধি
অব্যাহত রাখা,
কৃষি বিপণন
ব্যবস্থার উন্নয়ন
এবং ন্যায্যমূল্য
নিশ্চিতকরণে কৃষি
মন্ত্রণালয় এরই
মধ্যে প্রণয়ন
করেছে ‘কর্মপরিকল্পনা-২০২০’।
ওই কর্মপরিকল্পনা
নির্ধারণের জন্য
মাননীয় কৃষিমন্ত্রী
পরামর্শ করেছেন
এ খাতে
অভিজ্ঞজনের সঙ্গে
জুম মিটিং
প্লাটফর্মে ভিডিও
কনফারেন্সের মাধ্যমে।
আলোচনা করেছেন
সাবেক সফল
কৃষিমন্ত্রী, জনপ্রতিনিধি,
পরিকল্পনা কমিশনের
সদস্য, ইমেরিটাস
অধ্যাপক, কৃষি,
শিক্ষাবিদ, একাধিক
সাবেক কৃষি
সচিব, কৃষি
সম্প্রসারণ বিশেষজ্ঞ,
বীজ বিশেষজ্ঞ,
শাকসবজি ও
ফলমূল রফতানিকারক
সমিতি, খাদ্য
প্রক্রিয়াকরণ ফার্ম,
সুপারশপ মালিক
সমিতিসহ কৃষিসংশ্লিষ্ট
ব্যবসায় নিয়োজিত
ব্যক্তিদের সঙ্গে।
তাই প্রস্তাবিত
২০২০-২১
অর্থবছরের কৃষি
মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে
বাজেট বরাদ্দকে
‘কর্মপরিকল্পনা-২০২০’-এর
আলোকে বিশ্লেষণ
করাই সমীচীন
হবে।
শ্রমিক সংকট,
প্রাকৃতিক দুর্যোগ
ইত্যাদি মোকাবেলা
করে শস্যনিবিড়তা
বৃদ্ধি ও
অপচয় কমানোর
জন্য ‘কর্মপরিকল্পনা-২০২০’-এ
প্রাধান্য দেয়া
হয়েছে কৃষি
যান্ত্রিকীকরণে। হারভেস্টার,
রিপার, ট্রান্সপ্লান্টার,
ট্রাক্টর ইত্যাদি
আধুনিক যন্ত্রপাতি
কেনায় প্রণোদনা
দেয়ার জন্য
পরিকল্পনা গ্রহণ
করা হয়েছে।
এডিপির আওতায়
প্রণীত হয়েছে
৩ হাজার
১৯৮ কোটি
টাকার প্রকল্প।
কৃষি যন্ত্রপাতি
কেনায় কৃষক
পাবেন বিরাট
অংকের ভর্তুকি।
হাওড় অঞ্চলের
জন্য শতকরা
৭০ ভাগ
আর অন্য
অঞ্চলের জন্য
শতকরা ৫০
ভাগ। উল্লেখ্য,
লকডাউনের ফলে
এ বছর
বোরো ধান
কাটার সময়
শ্রমিক সংকট
প্রকট হলে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর
তাত্ক্ষণিক নির্দেশনায়
চলমান অর্থবছরেও
যান্ত্রিকীকরণ খাতে
ভর্তুকি বাবদ
ব্যয় করা
হচ্ছে ২০০
কোটি টাকা।
কৃষি উপকরণ
(বীজ, সার
ও সেচ)
সরবরাহ টেকসই
ও আরো
সুলভ করা
‘কর্মপরিকল্পনা-২০২০’-এর
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ
কর্মসূচি। আগামী
২০২০-২১
অর্থবছরের জন্য
ইউরিয়া ২৪
দশমিক ৫০
লাখ টন,
টিএসপি ৫
লাখ টন,
এমওপি ৭
দশমিক ৫০
লাখ টন
এবং ডিএপি
১৩ লাখ
টন সারের
চাহিদা নির্ধারণ
করা হয়েছে।
বর্তমানে কৃষক
পর্যায়ে সরকার
নির্ধারিত কেজিপ্রতি
বিক্রয়মূল্য যথাক্রমে
ইউরিয়া ১৬
টাকা, টিএসপি
২২ টাকা,
এমওপি ১৫
টাকা এবং
ডিএপি ১৬
টাকা। যেখানে
কেজিপ্রতি আনুমানিক
আমদানি খরচ
যথাক্রমে ইউরিয়া
২১ টাকা,
টিএসপি ২৬
টাকা, এমওপি
২১ টাকা
ও ডিএপি
৩০ টাকা।
আমদানি খরচ
ও কৃষক
পর্যায়ে বিক্রয়মূল্যের
পার্থক্য সরকার
কর্তৃক ভর্তুকি
হিসেবে বিএডিসি,
বিসিআইসি ও
বেসরকারি আমদানিকারকদের
ঋণপত্র স্থাপনকারী
ব্যাংকের মাধ্যমে
অর্থ বিভাগ
থেকে পরিশোধ
করা হয়।
অর্থাৎ প্রতি
কেজি সার
প্রয়োগের ক্ষেত্রেই
কৃষক সরাসরি
এ ভর্তুকি
সুবিধা পেয়ে
থাকেন। উদাহরণ
হিসেবে বলা
যেতে পারে,
১৬ টাকা
দরের এক
কেজি ডিএপি
সার প্রয়োগ
করলে যেকোনো
কৃষকই সরকার
থেকে ১৪
টাকা প্রণোদনা
পেয়ে থাকেন।
আগামী অর্থবছরে
সারের ভর্তুকি
বাবদ ৬
হাজার থেকে
৭ হাজার
কোটি টাকা
খরচ হবে
মর্মে হিসাব
করা হচ্ছে।
সেচ সুবিধা
প্রদানের লক্ষ্যে
কৃষকের মাঝে
সেচ যন্ত্রপাতি
বিতরণ করা
ছাড়াও পাতকূয়া
ও বৃষ্টির
পানি সংরক্ষণের
মাধ্যমে সেচ
সুবিধা সম্প্রসারণ
অব্যাহত রাখা
হবে আগামী
অর্থবছরে। সেচকাজে
ব্যবহূত পাম্প
বা যন্ত্রের
বিদ্যুৎ বিলে
কৃষকরা রিবেট
সুবিধা পাবেন।
রিবেটপ্রাপ্ত অর্থ
সরকার কৃষি
বাজেট থেকে
প্রদান করবে।
অন্যদিকে সেচকাজে
সৌরশক্তি ব্যবহার
করে জ্বালানি
তেল-বিদ্যুৎ
সাশ্রয়ের জন্যও
প্রকল্প গ্রহণ
করা হয়েছে।
কৃষি পুনর্বাসন
ও প্রণোদনা
কর্মসূচি খাদ্যে
স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের
পথে সরকারের
একটি যুগান্তকারী
পদক্ষেপ। আম্পান,
আইলার মতো
দুর্যোগ প্রতিকূলতায়
কৃষকের পাশে
থেকে তাদের
মনোবল সুদৃঢ়
রাখার লক্ষ্যে
সার, বীজ,
চারা ও
নগদ অর্থসহায়তা
প্রদান করা
হয়। তাছাড়া
শস্যনিবিড়তা বাড়ানো
ও অপ্রচলিত-লাভজনক
ফসল উৎপাদন,
নতুন জাত
ও পদ্ধতি
গ্রহণে উৎসাহ
দিতেও প্রণোদনা
দেয়া হয়।
কৃষি পুনর্বাসন
সহায়তা খাতে
বরাদ্দ ১২০
কোটি টাকা
থেকে বাড়িয়ে
আগামী অর্থবছরে
৩০০ কোটি
টাকা প্রস্তাব
করা হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত
বিরূপ প্রভাবের
কারণে খরা,
বন্যা, দক্ষিণাঞ্চলে
লবণাক্ততা বৃদ্ধি
ইত্যাদি প্রাকৃতিক
দুর্যোগের প্রবণতা
ক্রমে বৃদ্ধি
পাচ্ছে। ক্রমবর্ধমান
খাদ্য চাহিদার
বিপরীতে হ্রাস
পাচ্ছে আবাদি
জমির পরিমাণ।
খোরপোশ কৃষির
উত্তরণ ঘটেছে
বাণিজ্যিক কৃষিতে।
নগরায়ণের ফলে
প্রকট হচ্ছে
কৃষি শ্রমিকের
সংকট। এসব
প্রতিকূলতা অব্যাহত
থাকার আশঙ্কা
নিয়েই প্রস্তাবিত
বাজেটে জোর
দেয়া হয়েছে
শস্যনিবিড়তা বৃদ্ধিসহ
স্বল্প জীবনকালীন
ও জলবায়ু
সহনশীল ফসল
উৎপাদনের ওপর।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
আওতাধীন গবেষণা
সংস্থাগুলোর অনুকূলে
পরিচালন ও
উন্নয়ন বরাদ্দের
সিংহভাগই ব্যয়
হবে ফসলের
নতুন জাত
ও প্রযুক্তি
উদ্ভাবনের প্রচেষ্টায়।
‘এক ইঞ্চি
জমিও যেন
অনাবাদি না
থাকে’—মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর এরূপ
নির্দেশনা বাস্তবায়নের
জন্য বাংলাদেশ
কৃষি উন্নয়ন
করপোরেশন ও
কৃষি সম্প্রসারণ
অধিদপ্তর কর্তৃক
আগামী অর্থবছরব্যাপী
বাস্তবায়ন হবে
বিশেষ প্রকল্প।
বসতবাড়ি ও
শহরাঞ্চলের বাড়িতে
পুষ্টি বাগান
সম্প্রসারণের জন্য
৫০ কোটি
টাকার প্রকল্পের
মাধ্যমে বিতরণ
করা হবে
বীজ, চারা
এবং প্রয়োজনীয়
পরামর্শ।
কৃষিপণ্যের যথাযথ
বাজারজাতের মাধ্যমে
কৃষকের ন্যায্যমূল্য
প্রাপ্তি নিশ্চিত
করা কৃষি
মন্ত্রণালয়ের জন্য
সুদীর্ঘকালের চ্যালেঞ্জ।
করোনাকালে বাজার
ব্যবস্থার বিদ্যমান
সমস্যা আরো
ঘনীভূত হয়েছে।
শাকসবজি ও
পচনশীল কৃষিপণ্যের
চলাচল নির্বিঘ্ন
করার জন্য
আপত্কালীন কিছু
ব্যবস্থা নেয়া
হয়েছে। কৃষকের
ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তিকে
টেকসইকরণের লক্ষ্যে
আগামী অর্থবছরে
সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনার
উন্নয়ন, বিশেষায়িত
ফসল সংরক্ষণাগার
সম্প্রসারণ, বাজার
অবকাঠামো আধুনিকায়ন,
ই-কৃষি
বিপণন ব্যবস্থা
চালুকরণের কর্মসূচি
বাস্তবায়ন করা
হবে। কৃষিপণ্যেও
সাপ্লাই চেইনের
সব অংশীজনের
ডাটাবেজ প্রস্তুতসহ
অনলাইনে প্রকাশ
করা হবে
আগামী অর্থবছরের
অন্যতম প্রধান
কর্মসূচি। সরকারের
কৃষি বিপণন
অধিদপ্তরের সক্ষমতা
বাড়ানোর লক্ষ্যে
চলমান অর্থবছরে
বরাদ্দকৃত ৬৭
দশমিক ৮৪
কোটি টাকা
থেকে বাড়িয়ে
আগামী অর্থবছরের
জন্য ১৩১
দশমিক ৯৫
কোটি টাকার
প্রস্তাব করা
হয়েছে।
কৃষক, কৃষি
উদ্যেক্তা এবং
ক্ষুদ্র, মাঝারি
ও বড়
কৃষি ব্যবসায়ীদের
কম সুদে
(৪% হারে)
ঋণ বিতরণের
লক্ষ্যে বাংলাদেশ
ব্যাংক থেকে
বরাদ্দ রাখা
হয়েছে ১৯
হাজার কোটি
টাকা। উৎপাদন,
প্রক্রিয়াকরণ, বাজারজাত
খাতে সহজ
শর্তে বিতরণ
করা হবে
এ ঋণসহায়তা।
তাছাড়া আগামী
অর্থবছর থেকে
সব প্রকার
কৃষি প্রণোদনা
ও ঋণের
অর্থ সরাসরি
কৃষকের ব্যংক
হিসাবে প্রেরণ
করার কার্যক্রম
গ্রহণ করা
হবে।
উৎপাদন ও
উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি
অব্যাহত রেখে
লাভজনক, টেকসই
এবং পরিবেশবান্ধব
কৃষি ব্যবস্থা
গড়ে তোলাই
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব। বিগত
বছরগুলোয় কৃষিবান্ধব
নীতি গ্রহণ
ও বাস্তবায়নের
ফলে কৃষি
খাতে অভূতপূর্ব
সাফল্য অর্জিত
হয়েছে। নানা
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও
খাদ্যশস্য (চাল,
গম, ভুট্টা)
ও অন্যান্য
ফসলের উৎপাদন
বৃদ্ধি পেয়েছে
লক্ষণীয় হারে।
ক্রমবর্ধমান হারে
কৃষিজমি হ্রাস
পেলেও ২০০৮-০৯
অর্থবছরে ৩
কোটি ৪৭
লাখ ৭
হাজার টন
দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের
(চাল, গম,
ভুট্টা) বিপরীতে
২০১৮-১৯
অর্থবছরে উৎপাদন
হয়েছে ৪
কোটি ৩৬
লাখ টন।
ঈর্ষণীয় সফলতা
এসেছে ফল-সবজিসহ
সব প্রকার
খাদ্যপণ্য উৎপাদনে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
এ সাফল্যকে
আরো এগিয়ে
নেয়ার লক্ষ্যে
আগামী অর্থবছরে
২ হাজার
৫৪৩ দশমিক
৯৮ কোটি
টাকার বার্ষিক
উন্নয়ন কর্মসূচির
আওতায় কমবেশি
৮০টি প্রকল্পের
পাশাপাশি পরিচালন
বরাদ্দ থেকে
৯১ দশমিক
৬৩ কোটি
টাকা ব্যয়ে
৪০-৪২টি
নন-এডিপি
উন্নয়ন কর্মসূচি
বাস্তবায়ন করা
হবে।
আগামী ২০২০-২১
অর্থবছরের জন্য
কৃষি মন্ত্রণালয়ের
অনুকূলে বরাদ্দকৃত
১৫ হাজার
৪৪১ দশমিক
৮৩ কোটি
টাকা ব্যয়ে
প্রেরণার উৎসবিন্দু
হবে খাদ্যনিরাপত্তা
নিশ্চিত করা।
বিগত দিনের
সফলতাকে ধারণ
করে জনগণের
করের টাকা
শতভাগ আন্তরিকতা
দিয়ে ব্যয়
করাই এখন
একান্ত জরুরি।
কভিড-১৯
অভিঘাতের বিরূপ
পরিস্থিতি মোকাবেলা
করে খাদ্যনিরাপত্তা
নিশ্চিতকরণে কৃষি
মন্ত্রণালয় সফল
হবে—জাতি
এ প্রত্যাশাই
করছে।
ড. মনসুর আলম
খান:
মাননীয় মন্ত্রীর
একান্ত সচিব,
কৃষি মন্ত্রণালয়