ডাকাতি কত প্রকারের—এটা কী কোনো প্রশ্ন হয়? না, প্রশ্ন হয় না। কারণ ডাকাতি ‘ডাকাতিই’। তার কোনো শ্রেণী বিভাগ হয় না। তবে কথা আছে। মানুষ আলোচনার খাতিরে প্রকৃতি ভেদে ডাকাতিকে তিন ভাগে ভাগ করে। যথা: রাতে ডাকাতি লোক চক্ষুর অন্তরালে। দ্বিতীয়ত, দিনে-দুপুরে ডাকাতি—একদম প্রকাশ্যে ডাকাতি, ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে। আরেক ধরনের ডাকাতিকে কেউ কেউ দুর্ধর্ষ ডাকাতি বলে। এর বাইরে কি ডাকাতি আছে? দৃশ্যত মনে হয় না। তবে ইদানীং এক ধরনের ডাকাতির জন্ম হয়েছে এবং যা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, তা হচ্ছে ‘নিয়মনীতি ও আইনের মাধ্যমে ডাকাতি’। পাঠক প্রশ্ন করতে পারেন, এটা আবার কোন ধরনের ডাকাতি? ডাকাতিটা হচ্ছে ‘ব্যাংক ডাকাতি’। এই ডাকাতি নিয়মের আড়ালে হয়। প্রায় সব আইন-কানুন মেনে হয়। কেউ এসে ব্যাংকে ঢুকে টাকা লুট/ডাকাতি করে ব্যাংক শেষ করে দিয়ে যায় না। এটা যাতে না হয়, তার জন্য ব্যাংকের প্রস্তুতি আছে। সিকিউরিটি গার্ড আছে। আধুনিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি আছে। সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। ব্যাংকের ‘ক্যাশ’ নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা আছে। বিশেষভাবে টাকা রাখার ‘ভল্ট’ তৈরি করে ক্যাশ রাখা হয়, যা ভাঙা সুকঠিন কাজ। উপরন্তু আছে ক্যাশ বীমা। ক্যাশ কাউন্টার, ভল্ট, ক্যাশ-ইন-ট্রানজেকশন সব স্তরেই রয়েছে নিরাপত্তা, যাতে ডাকাতি রোধ করা যায়। রয়েছে সিকিউরিটি কোম্পানির সেবা। এসব কারণে দেখা যাবে বিগত ৫০-৫১ বছরে ব্যাংক ডাকাতি/ক্যাশ ডাকাতির ঘটনা বিরল। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে ব্যাংক ডাকাতি/ক্যাশ ডাকাতির উদাহরণ হাতেগোনা দু-একটি। কিন্তু তাহলে কী হবে? আরেক ধরনের ডাকাতির উদ্ভব হয়েছে। এটা এখন মহামারী আকারে নয়, ‘অতিমারী’ আকারে দেখা দিয়েছে। বিষয়টি এখন নিয়মিত চর্চার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মিডিয়ার প্রিয় বিষয় এটি। আলোচকদের নিয়মিত আলোচনার বিষয় এটি। এই ডাকাতি কী ধরনের ডাকাতি। এখানে কেউ জোর করে ব্যাংকে ঢুকে টাকা/ক্যাশ লুট/ডাকাতি করে না। করে ভদ্রবেশে নিয়মনীতি মেনে। অধিকাংশ লোককে খুশি করে। হয়তো কিছুটা প্রভাব খাটাতে হয়—এই যা। আমরা জানি ব্যাংক থেকে ঋণের মাধ্যমেই ‘ব্যাংক ডাকাতি’ হয়। এই ঋণ ইচ্ছা করলেই পাওয়া যায় না, নেয়া যায় না। ঋণ পেতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের/বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম মেনে পেতে হয়। কোন কোন খাত কত ঋণ পাবে, ঋণের ওপর সুদের হার কত হবে, একজন সর্বোচ্চ কত টাকা ঋণ নিতে পারবে, খারাপ ঋণের ওপর কত ‘প্রভিশন’ (সঞ্চিতি) রাখতে হবে, কতদিনে ঋণের টাকা খেলাপি ঋণে পরিণত হবে, কত জামানত নিতে হবে, জামানতের মূল্যায়ন কীভাবে হবে ইত্যাদি বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিস্তারিত নিয়মনীতি রয়েছে। নিয়ম ভঙ্গ করলে শাস্তির ব্যবস্থা আছে। জরিমানার ব্যবস্থা আছে। দুদিন পরপর নিয়মনীতি সংশোধন করা হয়, ‘আপডেট’ করা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবশেষে রয়েছে অডিট/ইন্সপেকশন/বিশেষ অডিট। এর বাইরে রয়েছে স্বাধীন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট দ্বারা হিসাব নিরীক্ষণের ব্যবস্থা। সরকারি ব্যাংকের ক্ষেত্রে রয়েছে কমার্শিয়াল অডিট। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ রেজিস্ট্রার, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ইত্যাদির নজরদারি রয়েছে। এর পরে আছে ব্যাংকের নিজস্ব ব্যবস্থা। ঋণ কীভাবে ‘প্রসেস’ করতে হবে। কী কী নিয়ম মানতে হবে, কেন ঋণটিকে অনুমোদন দিতে হবে, কোনটি বোর্ড অনুমোদন দেবে, কোনটি কর্মকর্তা পর্যায়ে অনুমোদন পাবে তার জন্য রয়েছে ‘ডেলিগেশন অব পাওয়ার’। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে/তাদের নিয়ম মেনে ব্যাংকগুলোকে ঋণ দিতে হয়। দেশের সব আইন মেনে চলতে হয় ব্যাংকগুলোকে। পদে পদে আইন, নিয়মনীতি, সার্কুলার, নির্দেশনা ইত্যাদি। প্রশ্ন এতসবের পরেও ব্যাংক থেকে টাকা কীভাবে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী বের করে নেয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক কী করে; অডিট ফার্মগুলো কী করে; সংশ্লিষ্ট ম্যানেজার, ব্যাংক কর্মকর্তারা কী করে? এসব প্রশ্ন সবার মনে। যেহেতু এতসব নিয়ম-কানুনের মধ্যেই ব্যাংকের টাকা নয়ছয় হয়, তাই লোকে একে নাম দিয়েছে ‘নিয়মনীতির মধ্যে ব্যাংক ডাকাতি’। ইংরেজিতে একে অনেকে ‘অর্গানাইজড রোবারিও’ বলে। কাজটি হয় খুব সুশৃঙ্খলভাবে।
ঋণ
নিতে
ঋণগ্রহীতার ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট লাগে।
সাধারণত এটা
কারেন্ট অ্যাকাউন্টই হয়।
এর
বাইরেও ঋণ
অ্যাকাউন্ট আছে।
ব্যাংকঋণ নগদ
টাকায়
দেয়
না।
সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট করে
দেয়।
অ্যাকাউন্ট খুলতে
হলে
নিয়ম-কানুন
মানতে
হয়।
জাতীয়
পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্টের ফটোকপি, একজন
ইনট্রোডিউচার, ছবি, ‘টিআইএন’ দরকার
হয়
(ইদানীং রিটার্ন জমা
দেয়ার
প্রমাণপত্র)।
দরকার
অ্যাকাউন্টের লেনদেনের প্রোফাইল। কী
ব্যবসা হবে,
ব্যবসার ধরন
কী,
কত
টাকা,
কী
ঋণ,
ঋণ
পরিশোধের তফসিল,
জামানত কী
হবে—এসব
বিস্তারিত তথ্যসহ ব্যাংকে ঋণের
জন্য
দরখাস্ত করতে
হয়।
ঋণের
দরখাস্ত ম্যানেজার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন।
তা
ম্যানেজারের ক্ষমতার মধ্যে
হলে
সংশ্লিষ্ট অফিসার/ম্যানেজার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে
ঋণ
অনুমোদন করেন।
যদি
ম্যানেজারের ক্ষমতার মধ্যে
না
থাকে,
তাহলে
‘এরিয়া/ডিভিশন’ অফিসে
যায়।
পুনঃপরীক্ষা শেষে
তা
সুপারিশসহ যায়
হেড
অফিসে। সেখানে ক্রেডিট ডিপার্টমেন্ট তা পরীক্ষা করে
আরো
তথ্য
চায়।
ক্রেডিট ডিপার্টমেন্ট পাঠায় ‘ক্রেডিট কমিটিতে’, যেখানে সিনিয়র কর্মকর্তারা থাকেন। তারা
পরীক্ষা করেন।
প্রয়োজন হলে
অনুমোদনের জন্য
প্রস্তাব যায়
‘বোর্ডে’।
বোর্ডের ক্ষমতা না
থাকলে
শেষ
গন্তব্য বাংলাদেশ ব্যাংক। অনুমোদন সংশোধনের চূড়ান্ত ক্ষমতা বাংলাদেশ ব্যাংকের। তারা
নিয়মনীতি তৈরি
করে।
অতএব
তারাই
প্রয়োজনে/অপ্রয়োজনে ওইসব
নিয়মনীতি ভাঙতে
পারে।
মাঝখানে আছে
‘উকিলের ভেটিং’।
জামানতের কাগজ
ঠিক
আছে
কিনা,
ঋণগ্রহীতার জামানতযোগ্য সম্পত্তি/জমির
মালিকানা ঠিক
আছে
কিনা
তা
তারা
দেখে।
রয়েছে
‘ভ্যালুয়েটর’ যারা
জামানতের জমির
মূল্যায়ন ঠিক
আছে
কিনা
তা
দেখে।
ঋণ
কোনো
কারণে
খেলাপি হলে
তার
বিপরীতে প্রভিশন রাখতে
হবে।
ঋণ
অতীব
খারাপ
হলে
মামলা
হবে
অর্থঋণ আদালতে। যেতে
পারে
তা
উচ্চতর আদালতে রিটের
কারণে।
এবার
ভাঙন,
কত
হ্যাপা ঋণের
ক্ষেত্রে! প্রশ্ন এতসবের পর
ঋণের
টাকা
খেলাপি হয়
কী
করে,
কী
করে
খেলাপি ঋণের
টাকা
মাপ
হয়?
কী
করে
স্বল্পমেয়াদি ঋণের টাকা দীর্ঘমেয়াদি ঋণে
পরিণত
হয়,
কী
করে
আমদানীকৃত পণ্যের বিপরীতে দেয়া
ঋণের
টাকা
‘লোন
অ্যাগেইনেস্ট ইম্পোর্টেড মার্চেন্ডাইজ’
(এলআইএম)-এ
রূপান্তর হয়?
ঋণে
একবার,
দুবার,
তিনবার পুনঃতফসিল হয়
কীভাবে? কীভাবে বড়
বড়
ঋণের
টাকা
‘ঋণ
পুনঃকাঠামোর’ (রিস্ট্রাকচারিং) অধীনে যায়? কী করে ভুয়া নামে
ঋণ
নেয়া
হয়।
ভুয়া
এনআইডি কীভাবে হয়?
কীভাবে ভুয়া
‘টিআইএন’ জোগাড়
করা
হয়?
হাজারো প্রশ্ন। এসব
প্রশ্নের কোনো
জবাব
আছে
কি?
ব্যাংকের ব্যবসার মতো
এত
আইন
মেনে
ব্যবসা আর
নেই।
তার
মধ্যেই ব্যাংক লুট/ব্যাংক ডাকাতি। এ
কারণেই এর
নাম
দেয়া
হয়েছে
‘নিয়মনীতির অধীনে
ডাকাতি’।
যেহেতু নিয়মনীতির অধীনে
ডাকাতি, অতএব
বিচার-আচারও
আইনের
মাধ্যমে। জেল-জরিমানার সুযোগ
কম।
‘ক্রিমিন্যাল অফেন্স’ নয়
ঋণখেলাপির অপরাধ। এটা
সিভিল
বিষয়।
একবার
আদালতে গেলে
তা
ঝুলে
যেতে
পারে
অনেক
দিনের
জন্য।
যদি
উচ্চতর আদালতে যায়
তাহলে
তো
কথাই
নেই।
প্রশ্ন, এসব
ডাকাতি সম্ভব
হচ্ছে
কীভাবে? আমার
এ
প্রশ্নের উত্তরে একটা
ব্যাখ্যা আছে।
আমার
ধারণামতে, ব্যাংকগুলো পড়েছে
ত্র্যহস্পর্শ দোষে। ‘ত্র্যহস্পর্শ’
দোষ
কী?
অভিধানে যার
অর্থ
হচ্ছে:
একদিনে তিন
তিথির
বা
এক
তিথিতে তিনদিনের মিলন।
সাধারণত এই
ত্র্যহস্পর্শ অশুভ তিথি বলে
চিহ্নিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
লিখেছেন: ‘জন্ম
মোদের
ত্র্যহস্পর্শে, সকল অনাসৃষ্টি।’
যদি
রবিঠাকুরের কবিতা
থেকে
আমরা
ধারণা
নিই,
তাহলে
দেখা
যাবে
ব্যাংকগুলো আজ
‘ত্র্যহস্পর্শে’ ক্ষত-বিক্ষত। এই
‘ত্র্যহস্পর্শ’ কীভাবে? এক জায়গায় তিন
বস্তুর মিলন
কীভাবে ঘটল
ব্যাংকের ক্ষেত্রে? যে
তিন
শক্তির মিলনে
আজকের
দিনের
ব্যাংকের এই
অবস্থা সেগুলো হচ্ছে
রাজনীতি, বিগ
বিজনেস ও
ব্যাংক ব্যবসা। আগের
দিনে
ব্যবসায়ীরা রাজনীতি সরাসরি করতেন
না।
তারা
ব্যবসায়ীদের ‘ফাইন্যান্স’ করতেন। এর
বিনিময়ে তারা
নিশ্চয় সুবিধা নিতেন। তবে
তারা
সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে
যুক্ত
ছিলেন
না।
কিন্তু দিন
পাল্টেছে। এখন
ব্যবসায়ীরা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে
যুক্ত। তারা
মন্ত্রী, সংসদ
সদস্য,
বড়
বড়
নেতা-পাতি
নেতা।
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী অধিকাংশ সংসদ
সদস্যই ব্যবসায়ী/শিল্পপতি/আমদানিকারক/রফতানিকারক। বর্তমান মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী ও
গুরুত্বপূর্ণ সব মন্ত্রণালয়ের
নেতৃত্বে রয়েছেন বড়
বড়
ব্যবসায়ী/শিল্পপতি। এটা
রাজনীতির একটা
গুণগত
পরিবর্তন। সংসদেরও গুণগত
পরিবর্তন। আর
ঘটনাক্রমে এই
রাজনীতিবিদরাই আবার ‘ব্যাংক ব্যবসার’ মালিক। ব্যাংক ব্যবসা মানে
অন্যান্য ব্যবসার মতো
ব্যবসা নয়।
এটা
অর্থনৈতিক শক্তি। বাজার
অর্থনীতির অন্যতম মূল
শক্তি। শিল্প/ব্যবসার অর্থ
জোগানের উৎস।
অন্য
দেশে
শেয়ারবাজার শিল্প/ব্যবসার পুঁজির উৎস।
আমাদের দেশে
নয়।
আমাদের এখানে
ব্যাংকই পুঁজি
সরবরাহের প্রধান উৎস।
পুঁজি
বাড়ানোরও অন্যতম প্রধান উৎস।
তাহলে
দেখা
যাচ্ছে ‘রাজনীতি, বিগ
বিজনেস ও
ব্যাংক ব্যবসা মিলে
একটি
বিশাল
চক্রের সৃষ্টি হয়েছে। এর
সহকারী শক্তি
রাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গ
এবং
এক
শ্রেণীর বুদ্ধিজীবীরাও। যারা রাজনীতিবিদ
তারাই
আমদানিকারক, তারাই
রফতানিকারক, তারাই
ম্যানপাওয়ার ব্যবসায়ী, তারাই
বীমা
কোম্পানির মালিক,
তারাই
লিজিং
কোম্পানিগুলোর মালিক। রাষ্ট্র, ব্যবসা, রাজনীতি, ব্যাংক-ব্যবসা, বীমা
ব্যবসা, বিগ
বিজনেস এই
মুহূর্তে একাকার। একেই
আমি
‘ত্র্যহস্পর্শ’ বলছি। এখানেই অনাসৃষ্টির মূল।
বাকি
জিনিস
লক্ষণ
মাত্র। বড়
বড়
ঋণ,
ঋণ
পুনঃতফসিল, সুদ
মওকুফ,
সুদের
হার
হ্রাস,
পরিচালকদের মেয়াদ
বৃদ্ধি, বোর্ডে একই
পরিবারের সদস্য
সংখ্যা বৃদ্ধি, ঋণের
পুনঃকাঠামোকারক, নয়-ছয় সুদনীতি, বেনামি ঋণ,
অর্থ
পাচার,
আন্ডার ইনভয়েসিং/ওভার
ইনভয়েসিং—সবই
একই
সূত্রে বাঁধা। বলা
যায়
জন্মেই পাপ।
বেনামি ঋণের
জন্ম
বেসরকারি ব্যাংকের জন্মলগ্ন থেকেই। আজ
থেকে
৩০-৩৫
বছর
আগের
কথা।
তখন
বেনামি ঋণের
ঘটনা
ধরা
পড়ে।
তত্কালীন অর্থমন্ত্রী সিলেটের কৃতী
সন্তান তখন
সমঝোতাস্বরূপ বেনামি ঋণগ্রহীতাদের
বিচার
না
করে
একটা
গ্র্যান্ড সমঝোতায় আসেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এবং
বেনামি ঋণগ্রহীতার মধ্যে
ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়।
দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি। সুদবিহীন মূল
অর্থ
ফেরতের চুক্তি। তখন
বাজার
অর্থনীতির হাঁটি
হাঁটি
পা
অবস্থা। পুঁজিবর্ধন, ব্যবসা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা
বলে
ওই
ব্যবসা গৃহীত
হয়।
এর
আগে
সরকারি ব্যাংকের টাকায়
গড়ে
ওঠে
বেসরকারি ব্যাংক। ‘তারপর?...
তার
আর
পর
নেই।’
বাকিটা রুপালি পর্দায় সবাই
দেখতে
পাচ্ছি।
ড. আরএম দেবনাথ: অর্থনীতি বিশ্লেষক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক