পর্যালোচনা

খেলাধুলা অর্থনীতির জন্য আশীর্বাদ না অভিশাপ

করোনার ছোবলে সারা বিশ্ব আজ পর্যুদস্ত। ক্রমাগত লকডাউন এবং স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হওয়ার কারণেই মানুষ আজ ঘরবন্দি। এ অবস্থায় হাতের কাছে বিনোদনের যা মাধ্যম আছে, যেমন রেডিও, টেলিভিশন এবং ছোট্ট পরিসরে খেলা যায় এমন সব ক্রীড়াসামগ্রী নিয়ে মানুষ নিজেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার ক্রমাগত চেষ্টা করছে।

করোনার ছোবলে সারা বিশ্ব আজ পর্যুদস্ত। ক্রমাগত লকডাউন এবং স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হওয়ার কারণেই মানুষ আজ ঘরবন্দি। এ অবস্থায় হাতের কাছে বিনোদনের যা মাধ্যম আছে, যেমন রেডিও, টেলিভিশন এবং ছোট্ট পরিসরে খেলা যায় এমন সব ক্রীড়াসামগ্রী নিয়ে মানুষ নিজেকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার ক্রমাগত চেষ্টা করছে।

সম্ভবত এমন ভাবনা থেকেই সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলো ক্রীড়া কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। যেমন ইউরোপের ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ইউরো-২০২০ চলছে এখন। সেই সঙ্গে চলছে দক্ষিণ আমেরিকার জনপ্রিয় ফুটবল আসর কোপা আমেরিকা। এ সময়টায় আফ্রিকান নেশনস কাপ চলার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা বিলম্বিত হচ্ছে। তবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার উপস্থিতির কারণে কোপা আমেরিকা সবসময় বাংলাদেশী ফুটবলপ্রেমীদের জন্য আবেদনময়ী। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশের মানুষ ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবলের ভক্ত, সেটা হতে পারে ওই দুই দেশের ধ্রুপদি ফুটবল খেলার কারণে অথবা কিংবদন্তি কিছু খেলোয়াড়, যেমন পেলে ও ম্যারাডোনার মতো খেলোয়াড়ের আবির্ভাবের কারণে।

তবে সম্প্রতি পরিবর্তন এসেছে এ ধারায়। বলা যায়, আকাশ সংস্কৃতির ক্রমবর্ধমান আগ্রাসন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অভাবনীয় প্রসার এবং সর্বোপরি বিশ্বায়নের ফলে সবকিছু এখন মানুষের হাতের নাগালে। তাই দুই যুগ ধরে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা জাতীয় ফুটবলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্লাব ফুটবলেরও সমজদার ভক্ত। সেই সুবাদে স্পেন, ইতালি, জার্মানি, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও পর্তুগালের মতো দেশের সমর্থক তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে নামিদামি সব প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে খেলার খুঁটিনাটি। করোনার কশাঘাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয় খেলাধুলার এসব বড় আয়োজন।

ক্রীড়া শুধু বিনোদনের মাধ্যমই নয়; ঐতিহাসিকভাবেই রয়েছে ক্রীড়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব, সেটা ফুটবল হোক বা ক্রিকেট। খেলাধুলার শারীরিক গুরুত্ব লিখে শেষ করা যাবে না। তবে এর সামাজিক গুরুত্বও কম নয়। খেলাধুলা মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে বেশ কার্যকর। যেহেতু অধিকাংশ খেলাই দলভিত্তিক, দলের একতা, দল পরিচালনার দক্ষতা, সহমর্মিতা ও ন্যায্যতা মানুষকে অনেক বেশি সামাজিক হতে সাহায্য করে।

আজকের লেখাটা মূলত ক্রীড়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে। করোনার কারণে ২০১৯-২০ মৌসুমটা যেকোনো ধরনের খেলাধুলার জন্যই ছিল খারাপ একটা বছর। ম্যাচের পর ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে ফুটবলের। অনেক ম্যাচ খেলা হয়েছে দর্শক ছাড়া। তার পরও এ মৌসুমে ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লিগ যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে যোগ করেছে ৭৬০ কোটি পাউন্ড, যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা। অবশ্য এ অর্থ পর্যটন শিল্পের আয় ছাড়া। ক্রীড়ানির্ভর পর্যটন এখন এক নতুন উদীয়মান খাতের নাম। একই সময়ে স্পেন ফুটবল ক্লাবগুলোর আয় ছিল ৪৮০ কোটি ইউরো বা ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। এ আয় তাদের লক্ষ্যের চেয়ে ২০০ কোটি ইউরো কম। ক্লাবগুলোর আয় থেকে স্পেন সরকার বেশ আয়কর পেয়ে থাকে। ফুটবল জনপ্রিয় অন্যান্য দেশের চেয়ে স্পেনে করের হার একটু বেশি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো যখন স্পেনে খেলতেন তখন মেসি আর রোনালদো মিলে প্রায় ১০ কোটি ইউরো বার্ষিক কর দিতেন। ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক করদাতারের থেকে সমপরিমাণ কর আদায় করা অনেক ব্যয়বহুল। তাই নামিদামি কোনো খেলোয়াড় যখন একটি দেশের ক্লাব ছেড়ে চলে যেতে চান, সে দেশের সরকার বিভিন্ন বেড়াজালে তাকে আটকে রাখতে চেষ্টা করে।

লিওনেল মেসি যখন বার্সেলোনা ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন, বিভিন্ন মহল হিসাব করতে লাগল মেসির বিদায়ে স্পেন সরকারের কত টাকা ক্ষতি হতে পারে। লা লিগার প্রেসিডেন্ট তেবাস টুইট করে জানালেন, মেসির প্রভাব স্পেনের মোট দেশজ উৎপাদনে প্রায় ১ দশমিক ৪ শতাংশ। মেসির উপস্থিতি প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে। স্পেনের ফুটবল দেশটির ভ্রমণ ও পর্যটন শিল্পের প্রধান আকর্ষণ। এ খাত থেকে ২০১৮ সালে দেশটির আয় ছিল প্রায় ১৭ হাজার ৮০০ কোটি ইউরো। এ তথ্য এটাই প্রমাণ করে যে ফুটবল স্প্যানিশ অর্থনীতির একটি প্রাণ।

আয়কর ছাড়াও বড় বড় ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনে একটি দেশ অর্থনৈতিকভাবে বেশ লাভবান হয়। বিশেষ করে ফুটবল বিশ্বকাপ ও অলিম্পিক। এসব মেগা ইভেন্ট আয়োজনে দরকার হয় অনেক বিনিয়োগ এবং সময়ের। অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করতে হয় অগণিত টাকা। যেমন স্টেডিয়াম, নতুন নতুন হোটেল, বিমানবন্দরসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করতে হয়। রাস্তাঘাট মেরামতসহ দেশের সামগ্রিক অবয়বে পরিবর্তন আনতে হয়। এতে দেশে অর্থের চাহিদা ও জোগান বেড়ে যায়। কর্মসংস্থান তৈরি হয় প্রচুর লোকের। মানুষের আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোগ ও উৎপাদন বাড়ে, সেই সঙ্গে বাড়ে অর্থের গুণক, যা অর্থনীতির চাকাকে অধিক গতিতে সামনে এগিয়ে নেয়।

২০২০ সালের অলিম্পিক হওয়ার কথা ছিল জাপানের রাজধানী টোকিওতে। করোনার কারণে ২০২০ সালে অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়নি। অনেকের আহ্বান ছিল টোকিও-২০২০ অলিম্পিক বাতিল করার। কিন্তু জাপান এরই মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অলিম্পিক বাতিল হলে দেশটি প্রায় ৪ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়বে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এ ক্ষতি যাতে কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা যায়, সেজন্য এ বছরের জুলাইয়ে টোকিও-২০২০ অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

এটা যেমন সত্যি যে মেগা ইভেন্ট অর্থনীতির উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে পারে, তেমনি পরিকল্পনাহীন ক্রীড়ার বড় আয়োজন দেশের জন্য অভিশাপ হতে পারে। গ্রিসের উদাহরণ এখানে উল্লেখযোগ্য। ১৮৯৬ সালে অলিম্পিকের প্রথম মশাল জ্বলে গ্রিসের রাজধানী এবং ঐতিহাসিক শহর এথেন্সে। সেই আয়োজন অনুপ্রেরণা হয় গ্রিসের জন্য। ‘বাড়ি আসো’ স্লোগান নিয়ে দেশটি ২০০৪ সালে পুনঃআয়োজনের ইচ্ছা প্রকাশ করে এবং এ মেগা আয়োজন সফলভাবে সমাপ্ত করে। তবে রয়ে যায় আর্থিক অপচয়ের নজিরবিহীন উদাহরণ। প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বাজেটের হিসাব করলে অন্যান্য মুদ্রার সঙ্গে গ্রিসের মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে সত্যিকার খরচ অনেক বেড়ে যায়। ইভেন্ট শেষ হওয়ার পর পরই বেশির ভাগ স্থাপনা অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। দামি দামি স্টেডিয়ামে ঘাস জন্মে এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে যেন একেকটি স্থাপনা অর্থ অপচয়ের একেকটি নিশানা। নতুন মিলেনিয়ামের শুরু থেকে গ্রিসের অর্থনীতির পতনের যে ধারা, তা আজও অব্যাহত আছে।

ঠিক একই চিত্র ফুটে ওঠে ২০১৬ সালের রিও (ব্রাজিল) অলিম্পিকে। অনেকটা দুর্ভাগ্যই বলতে হবে ব্রাজিলের জন্য। একদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অন্যদিকে জিকা ভাইরাস পর্যটন শিল্পের জন্য হয়ে আসে এক অশনিসংকেত। তদুপরি প্রয়োজনের তুলনায় বেশি স্থাপনা নির্মাণ করেছিল ব্রাজিল। অলিম্পিকের আয়োজন সফলভাবে শেষ করতে পারলেও দেশটিতে রয়ে গেছে অর্থনৈতিক অনেক ক্ষত। আয়োজন সমাপ্তের পর মোট ২৭টি ভেনুর মধ্যে ১৫টি ভেনুকে অন্য কাজে ব্যবহারের উপযোগী করা হয়েছিল এবং বাকিগুলো অব্যবহূত রয়ে যায়। এমনকি দৃষ্টিনন্দন মারাকানা স্টেডিয়ামও পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে হয়। কারণ স্থাপনাটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যে অর্থ দরকার, তা বহন করার যৌক্তিক কোনো উৎস নেই।

ক্রীড়ার অর্থনৈতিক গুরুত্ব জন্ম দিয়েছে অনেক রাজনৈতিক উত্তাপ এবং সেই সঙ্গে বেড়েছে দুর্নীতি। এখানে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতির ছোট্ট একটি দিক তুলে ধরব। ফুটবল বিশ্বকাপের ২২তম আসর বসতে যাচ্ছে আগামী বছর জুনে মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট দেশ কাতারে। কাতার বিশ্ব পরাশক্তিতে এমন কোনো উল্লেখযোগ্য নাম নয়, ফুটবলেও কাতার আহামরি কিছু নয়। এশিয়ায় কাতারি ফুটবলের সমজদার থাকলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেই এর তেমন কোনো প্রভাব। কাতার মাত্র ১১ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটারের ছোট্ট একটি দেশ, যার নিজস্ব লোকসংখ্যা মাত্র তিন লাখের একটু বেশি (দেশী-বিদেশী মিলে মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ)। অন্য সব প্রতিযোগী দেশকে  পেছনে ফেলে প্রচণ্ড এক গরমের দেশ কাতার বিশ্বকাপ আয়োজন করবে, এটা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর।

যারা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি নিয়ে সামান্য খোঁজখবর রাখেন, তারা জানেন যে কাতারের জন্য বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজন কেবল অর্থনীতির ব্যাপার নয়। বিশ্ব ফুটবলের আসর বসে জুনে। এ সময়টা মধ্যপ্রাচ্যে বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে সবচেয়ে বেশি গরম। ফলে পর্যটকদের আনাগোনা খুব একটা হবে বলে আশা করা যায় না। আবার অনেকের ধারণা এমন বৈরী আবহাওয়ায় বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার জন্য কাতার নিশ্চয় দুই হাতে পেট্রো-ডলার খরচ করেছে। এ ধারণা বদ্ধমূল হয় এ কারণে যে কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজনের পেছনে তত্কালীন ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটারের অকুণ্ঠ সমর্থন ছিল। ২০১৫ সালে সেপ ব্লাটার দুর্নীতির দায়ে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দেন। এটা সহজেই অনুমেয় যে আয়োজক হওয়ার জন্য কাতার এরই মধ্যে অনেক পেট্রো-ডলার ঢেলেছে। তাহলে কাতারের উদ্দেশ্য কী?

মাথাপিছু দেশজ উৎপাদনের দিক থেকে কাতার পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ। ক্রয়ক্ষমতার ভিত্তিতে মাথাপিছু আয় ৯০ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি। কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাতারের তেমন কোনো প্রভাব নেই। সেটা কোনো বিষয় হতো না, যদি না সৌদি আরব কাতারের প্রতিবেশী হতো। সৌদি আরবের সঙ্গে কাতারের রাজনৈতিক বৈরিতা অনেক আগের, যা সবচেয়ে খারাপে পৌঁছে ২০১৬-১৭ সালে। কাতারের সঙ্গে সৌদি-আমিরাত জোট সব সম্পর্ক ছিন্ন করে। বলা বাহুল্য, সৌদি আরব সবসময় মার্কিন মুলুকের সমর্থন পেয়ে থাকে। ভূরাজনীতির এ সংকীর্ণতা দূর করা ছিল কাতারের বৈদেশিক নীতির একটা বড় লক্ষ্য। আর তাই ফুটবল বিশ্বকাপের মতো বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজন করতে পারলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশটি পরিচিতি লাভ করবে এবং বিদেশে অনেক বন্ধু জুটবে। এ লক্ষ্য পূরণে দুই হাতে পেট্রো-ডলার খরচ করতে দেশটি পিছপা হয়নি। প্যারিসের ক্লাব পিএসজির মালিকানা ক্রয়ের মাধ্যমে কাতার ইনভেস্টমেন্ট লক্ষ্য পূরণে সামনে এগিয়ে যায়। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে অনেকটা জোর করেই ২২ কোটি ইউরো খরচ করে নেইমারকে নিয়ে আসে পিএসজি। পিএসজির জন্য এখানে খরচটা মুখ্য নয়। নেইমারের রেকর্ড পরিমাণ টাকার বিনিময়ে ক্লাব বদল সারা ফুটবল বিশ্বে হইচই ফেলে দিয়েছিল এবং এর বদৌলতে বিশ্ব জেনেছিল কাতারের পেট্রো-ডলারের ক্ষমতা। এ পরিচিতিটাই চেয়েছিল কাতার। এ লক্ষ্যে তারা সফল। বাকিটা নির্ভর করবে ২২তম বিশ্বকাপ আসর কতটা সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে পারবে তার ওপর।

খেলাধুলা একটি বিনোদনের মাধ্যম, যা আমাদের মনের খোরাক জোগায়। ক্রমবর্ধমান বিশ্বায়নের ফলে খেলাধুলার প্রচার ও প্রসার বেড়েছে অনেক। ফলে বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে খেলাধুলা এখন অর্থ ও বাণিজ্যের এক বিরাট অংশ, দিনে দিনে এর শিকড় প্রোথিত হচ্ছে অর্থনীতি ও ভূরাজনীতির অনেক গভীরে।

 

ড. মোহাম্মদ দুলাল মিয়া: সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ফাইন্যান্স ও অর্থনীতি বিভাগ

নিজওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান

আরও