বঙ্গবন্ধু শুধু স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নই দেখেননি, তিনি একটি উন্নত-সমৃদ্ধ সুখী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি এ দেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করতে চেয়েছিলেন। তিনি বলতেন, ‘সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই।’ এজন্য প্রয়োজন সুশিক্ষা। এই সুশিক্ষা নিশ্চিত করার জন্যই বঙ্গবন্ধু শিক্ষার একটি দর্শন প্রবর্তন করেছিলেন, যা বর্তমান সময়েও অমূল্য। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাদর্শন ও শিক্ষাভাবনা তাঁর রাজনৈতিক দর্শন থেকেই উৎসারিত। তাঁর শিক্ষাচিন্তায় আত্মনির্ভরশীল, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী, মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন একটি জাতি গঠনকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর দেয়া বেতার-টেলিভিশন ভাষণ থেকে আমরা তাঁর শিক্ষাচিন্তা সম্পর্কে সম্যক ধারণা পাই। ভাষণে তিনি বলেছিলেন, ‘সুষ্ঠু সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষা খাতে পুঁজি বিনিয়োগের চেয়ে উত্কৃষ্ট বিনিয়োগ আর কিছু হতে পারে না।’ তাঁর এই নীতিকেই বর্তমান সময়ের শিক্ষা বিজ্ঞানীরা সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে পুনর্গঠনের জন্য যখন তিনি ঘোষণা করেন ‘শিক্ষাই হবে মুক্তির হাতিয়ার’, তখন তাঁকে অনেক উঁচু মাপের শিক্ষা দার্শনিক বলা যায় নির্দ্বিধায়। তিনি শিক্ষাবিস্তারের মাধ্যমে যে মুক্তির কথা বলেছেন, সেই মুক্তি হলো সংকীর্ণতা থেকে মুক্তি। এই মুক্তি হলো দরিদ্র-শোষিত জনগণের মুক্তি, এই মুক্তি হলো দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি।
প্রগতিশীল শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন ভাবধারা প্রবর্তনের প্রয়াস বঙ্গবন্ধুর শিক্ষা মতবাদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বঙ্গবন্ধু ঔপনিবেশিক শাসনামলে এ দেশে প্রবর্তিত আধুনিক ইংরেজি ঘেঁষা শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কেননা ইংরেজ প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল ১৮৩৪ সালে লর্ড জন মেকলে প্রদত্ত নিম্নগামী পরিস্রাবণ নীতির ওপর ভিত্তি করে, যেখানে শিক্ষার মূল লক্ষ্য সাম্রাজ্যবাদী শাসন টিকিয়ে রাখতে কিছু দোভাষীরূপী কেরানী তৈরি করা। বঙ্গবন্ধু এই কেরানী তৈরির শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন। পাবনায় এক জনসভায় তিনি বলেন, “...ওই কেরানী পয়দা করার শিক্ষা বাংলাদেশ থেকে বন্ধ করে দিতে হবে। যাতে মানুষ গঠনমূলক শিক্ষা পায় তার দিকে নজর দিতে হবে।’ ওই সভায় তিনি আরো বলেন, ‘শীঘ্রই আমি শিক্ষা কমিশন করতেছি এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে ভালো ভালো শিক্ষাবিদ, তাঁদের নিয়ে করা হবে। এবং তাঁরা যা রিপোর্ট দেবেন তা বিবেচনা করে সরকার গ্রহণ করবে, যাতে নতুন করে দেশের সকলকে শিক্ষা দেওয়া যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।’ বর্তমান সময়ে নীতিনির্ধারকরা বুঝতে ব্যর্থ হলেও বঙ্গবন্ধু অনুধাবন করেছিলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষা বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদেরই কাজে লাগাতে হবে। তাই তো তিনি দেশের প্রথম শিক্ষা সচিব করে শিক্ষা ব্যবস্থা দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত করেছিলেন আমলাতন্ত্রের বাইরে থেকে এনে অধ্যাপক কবীর চৌধুরী স্যারকে। শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বঙ্গবন্ধুর চিন্তার প্রতিফলন ঘটেছিল তাঁর চেতনার ফসল আওয়ামী লীগের ১৯৭০-এর নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে, ‘আমাদের সমাজের মৌলিক প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের সর্বাধিক উন্নতি সম্ভব করে তোলাই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য।’ শিক্ষার এই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য শিক্ষায় বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘শিক্ষায় বরাদ্দ অনেক বাড়াতে হবে। মোট দেশজ উৎপাদনের চার ভাগ এই খাতে নিয়োজিত করতে হবে।’ বর্তমানের শিক্ষা বিজ্ঞানীরাও শিক্ষা ক্ষেত্রে জিডিপির চার ভাগ বরাদ্দের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু উপলব্ধি করতেন শিক্ষকদের ন্যায্য বেতন না দিলে শিক্ষার উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব নয়। তাই এই মেনিফেস্টোতে বলা হয়েছে, ‘...[শিক্ষায়] এই অধিক বরাদ্দ থেকে গৃহাদি নির্মাণ বাবদ অপেক্ষাকৃত কম খরচ করে শিক্ষকদের বেতন স্কেল বাড়ানোর জন্য বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে।’ বঙ্গবন্ধু নিরক্ষরতাকে অভিশাপ হিসেবে বিবেচনা করতেন। এই মেনিফেস্টোতে নিরক্ষরতা দূরীকরণে নয়া কৌশল ও প্রচলিত নিয়মবহির্ভূত পন্থা অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। যেমন ‘জাতীয় সার্ভিস প্রোগ্রাম’ হিসেবে প্রয়োজনে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এই মেনিফেস্টোতে প্রাথমিক শিক্ষাকে সকলের জন্য বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক করার প্রত্যয় ব্যক্ত হয়েছে, অন্যদিকে মাধ্যমিক শিক্ষাকে সব শ্রেণীর জনসাধারণের নাগালের মধ্যে আনার পরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। তাছাড়া বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পিত উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা গঠনে কারিগরি শিক্ষা বিস্তারে বিশেষ নির্দেশনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমাজের ছাঁচে ঢালাই করা হবে এবং এ ধরনের প্রয়োজন সম্পর্কে সুষ্ঠু জরিপের পরই কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হবে।’ মেনিফেস্টোতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সর্বোচ্চ মান রাখা এবং মেধার ভিত্তিতে সব শ্রেণীর জনসাধারণের জন্য শিক্ষার পথ খুলে দেয়ার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। শিক্ষকদের একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এখানেই প্রথমবারের মতো উচ্চারিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বিশিষ্ট ও শ্রদ্ধেয় শিক্ষাবিদদের মধ্য থেকে চ্যান্সেলর নিয়োগের বিষয়টি। বঙ্গবন্ধু সবসময় চাইতেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করুক। তাই এই মেনিফেস্টোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের প্রতি গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু শিক্ষকদের সম্মান করতেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, মেধাবীরা শিক্ষকতায় না এলে সোনার বাংলা গঠন সম্ভবপর হবে না। তাই তো ‘শিক্ষকতা পেশা’ শিরোনামে একটি অনুচ্ছেদ আওয়ামী লীগের এই মেনিফেস্টোতে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশমতো সংযোজিত হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের দেশের শিক্ষিত সমাজের শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিরা যাতে শিক্ষকতা পেশার প্রতি আকৃষ্ট হন, সেই পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সব রকম চেষ্টা করা হবে। এজন্য কেবল তাঁদের বেতনের স্কেল বৃদ্ধি ও বৈষয়িক সুবিধা দিলেই চলবে না। সঙ্গে সঙ্গে কাজ করার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি এবং সম্মানও দিতে হবে।’
বঙ্গবন্ধু চাইতেন, এ দেশের শিক্ষার্থীরা যাতে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গড়তে অবদান রাখে। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভায় ছাত্রদের উদ্দেশে বলেন, ‘...ছাত্র ভাইয়েরা, লেখাপড়া করেন। আপনাদের লজ্জা না হলেও আমার মাঝে মাঝে লজ্জা হয় যখন নকলের কথা শুনি। ডিগ্রি নিয়ে লাভ হবে না। ডিগ্রি নিয়ে মানুষ হওয়া যায় না। ডিগ্রি নিয়ে নিজের আত্মাকে ধোঁকা দেওয়া যায়। মানুষ হতে হলে লেখাপড়া করতে হবে। ...[শিক্ষার মাধ্যমে] মানুষ পয়দা করতে হবে।’ এ কথায় স্পষ্ট বোঝা যায় তিনি সার্টিফিকেট অর্জনের চেয়েও প্রকৃত মানুষ হওয়াকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। শিক্ষাদর্শনের তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বঙ্গবন্ধুর কর্ম ও জীবনকে, বিশেষ করে তাঁর শিক্ষা সম্পর্কিত নীতি, চিন্তা, কর্ম ও আদর্শকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাস্তব-মানবতাবাদী দার্শনিক। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন শিক্ষালব্ধ মানুষ স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শেখে এবং নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়। শিক্ষা মানুষকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে স্বশাসিত হতে শেখায়। এই স্বশাসিত অর্থ হচ্ছে ভালো-মন্দের প্রভেদ বুঝতে পারা, নিজ অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং অধিকার আদায়ের যোগ্যতা অর্জনে সক্ষম হওয়া। একমাত্র শিক্ষার মাধ্যমেই এ যোগ্যতা অর্জন সম্ভব। তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন, একমাত্র সুশিক্ষাই পারে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশ বির্নিমাণের লক্ষ্যে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। সবসময় চেয়েছেন শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ যেন সত্যিকারের মানুষে পরিণত হয়। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের প্রথম বার্ষিক সম্মেলন উদ্বোধনকালে বঙ্গবন্ধু বলেছেন, ‘ক, খ, শিখলেই শিক্ষিত হয় না, সত্যিকারের আলোকপ্রাপ্ত হইতে হইবে।’ কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা সত্যিকারের আলোকিত মানুষ তৈরি করতে পারছে না বিধায় তিনি আক্ষেপ করে বলতেন, ‘আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা কেবল আমলা সৃষ্টি করেছে, মানুষ সৃষ্টি করেনি।’
বঙ্গবন্ধু ১৯৭২-এর সংবিধানে একটি বৈষম্যহীন গণমুখী একই ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করেন। সদ্য স্বাধীন দেশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলেও তিনি এ দেশের প্রথম বাজেটে প্রতিরক্ষা খাত থেকেও বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন শিক্ষা খাতকে। কারণ তিনি জানতেন শিক্ষার বিস্তার ও গুণগত মানের উন্নয়ন ব্যতীত আমাদের পক্ষে সামষ্টিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। বেতন মওকুফ, বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ, প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ, গণশিক্ষায় অর্থ আলাদাভাবে অর্থ বরাদ্দ, নারীশিক্ষার প্রসার, কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড ও জাতীয় গ্রন্থাগার গঠন, শিক্ষা কমিশন গঠন, বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ জারিসহ বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে তিনি গণমুখী শিক্ষার দিকে জাতিকে ধাবিত করেছিলেন। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়ন, বিজ্ঞান, কৃষি, চিকিৎসা, বাণিজ্য, আইন, ললিতকলা প্রভৃতি জীবনঘনিষ্ঠ শিক্ষার জন্য পৃথক বিস্তৃত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। শত প্রতিকূলতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও শিক্ষার উন্নয়নে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার ওপরে সর্বপ্রথম গুরুত্ব দিয়েছিলেন। গ্রহণ করেছিলেন প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণের অবিস্মরণীয় সিদ্ধান্ত। ‘প্রাইমারি এডুকেশন টেকওভার অ্যাক্ট’-এর মাধ্যমে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের চাকরি সরকারি করলেন, যাতে শিক্ষকদের মাঝে পড়ানোর আগ্রহ থাকে এবং কোনো বিভেদ না থাকে। একই সঙ্গে জাতি গঠনে তাঁরা ভূমিকা রাখতে পারেন। ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা কমিশনের উদ্বোধনী ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘আমাদের সীমিত সম্পদের কথা স্মরণ রেখে কমিশন শিক্ষার এমন এক দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা প্রণয়ন করবেন, যা শিক্ষা ক্ষেত্রে সার্থক ও সুদূরপ্রসারী সংস্কার সাধনে সাহায্য করবে।’ শিক্ষা কমিশনের সুপারিশগুলো বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় এগুলো বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাচিন্তা ও দর্শন থেকে উৎসারিত। বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাচিন্তা ও দর্শন বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য পথনির্দেশক। বঙ্গবন্ধু সেই বিরল দার্শনিকদের একজন, যারা একই সঙ্গে রূপকল্পের ছক এঁকেছেন, তত্ত্ব দিয়েছেন এবং বাস্তবায়ন করেও দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু এমন একজন আধুনিক মননের শিক্ষা চিন্তাবিদ ছিলেন, যাঁর শিক্ষাচিন্তা আজও আমাদের পথ দেখিয়ে চলছে।
ড. মাহবুব লিটু: সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, বিশেষ শিক্ষা বিভাগ, আইইআর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আরিফুর রহমান: শিক্ষক, আইইআর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়