তিনি পরীক্ষা শিডিউলে একটা পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন মনে হচ্ছে। এটা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে থাকলেও ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে সবাই। আপাতভাবে মনে হচ্ছে ভালো উদ্যোগ। সময় বাঁচবে হয়তো। সময়মতো এইচএসসি শুরু করতে পারবে, সময়মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে। পরীক্ষা শিডিউলের যৌক্তিক পরিবর্তনের সঙ্গে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অবস্থানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রেক্ষিত তুলনা করে একটি পর্যালোচনা সময়ের দাবি।
পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই দশম শ্রেণী থেকে এসএসসি/সমমানের সনদ পাওয়া পর্যন্ত ১০-১১ মাস সময় লাগে। কিন্তু বাংলাদেশে বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতিতে জানুয়ারিতে দশম শ্রেণীতে ক্লাস শুরু থেকে উচ্চ মাধ্যমিক ক্লাসে ভর্তি পর্যন্ত ২০ মাস সময় লাগে, যেটা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি সময়ে এসএসসি সনদ পাওয়ার রেকর্ড। জীবনের সোনারোদ, সম্ভাবনার স্ফুলিঙ্গ আর স্বপ্নের প্রক্ষেপণ হারিয়ে যাওয়ার গল্পটা শুরু হয় এখান থেকেই। অথচ জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়ের এমন অপচয় নিয়ে কোনো মাথাব্যথা কারোরই নেই, ছিল না কখনো। নিয়তির মতো মেনে নিয়েছি সবাই। ধরে নিয়েছি এটাই সিস্টেম। সিস্টেম পরিবর্তন করে যদি জীবনের মূল্যবান সময়ের অপচয় কমানো যায় তাহলে তো ভালোই। মন্ত্রী মহোদয় হয়তো এমনটাই চেয়েছেন।
নতুন কোনো সিস্টেম দেখলেই অভিভাবকরা ভয় পায়, বিরক্ত হয়। বাংলাদেশের শিক্ষানীতি নিয়ে, শিক্ষার মান নিয়ে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে বিভ্রান্তি আছে, বিরক্তি আছে, বিস্ময়ও আছে। জ্ঞান ও দক্ষতার উৎকর্ষের কথা আমরা সবাই বলছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুযোগ কাজে লাগাতে যে মানের জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন তা আমাদের নেই। সাড়ে পাঁচ কোটি তরুণ জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশে পরিকল্পনার অভাবে হাতছাড়া হয়ে যায় সম্ভাবনাগুলো। ডিগ্রি আছে, দক্ষতা নেই, ক্রিয়েটিভিটি নেই, উদ্যোগ নেই, ভিশন নেই, স্বপ্ন নেই। শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতায় এসে প্রথমেই শিক্ষা নিয়ে বড় বড় পরিকল্পনা করে, শিক্ষা কমিশন করে, পাঠ্যক্রমে কিছু পরিবর্তন আনে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয় না কী এক অদৃশ্য কারণে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংকট একদিনে সৃষ্টি হয়নি। ভুল নীতির কারণে এ সংকট দিন দিন ঘনীভূত হয়েছে।
এ বছর যারা এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে তারা দশম শ্রেণীতে ক্লাস শুরু করেছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে। এরা উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীতে ক্লাস শুরু করবে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে ২০২৮ সালের জুন/জুলাই মাসে। রেজাল্ট ২০২৮ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। প্রথম চান্সেই ভর্তি হতে পারলে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করবে। রাজনীতি ও আর্থসামাজিক অবস্থা স্বাভাবিক থাকলে এ ছাত্ররা হয়তো ২০৩৪ সালে স্নাতক (চার বছর মেয়াদি) পাস করবে। মাস্টার্স করলে আরো দুই বছর। ভাগ্য ভালো হলে শ্রমবাজারে ঢুকবে ২০৩৬ সালের দিকে। বিসিএস পরীক্ষার প্যাকেজে ঢুকলে হয়তো আরো পরে শুরু করবে চাকরি। ৩২ বছরের সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইবেন না অনেকে। যখন আমাদের মিড ক্যারিয়ারে থাকার কথা তখন সবেমাত্র শিক্ষানবিশ। শ্রমঘণ্টা আর জীবনের এমন অপচয় কী আর কোথাও আছে।
অস্ট্রেলিয়াতে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দশম শ্রেণী শুরু করা একজন ছাত্র ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে এইচএসসি পাস করবে এবং ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করবে। ২০৩০ সালের ডিসেম্বরে (অস্ট্রেলিয়াতে অধিকাংশ স্নাতক ডিগ্রি তিন বছর) যখন পাস করে বেরোবে, তখন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র প্রথম বর্ষ শেষ করে দ্বিতীয় বর্ষে ক্লাস শুরু করবে (যদি সেশনজট না থাকে)। তারা আনুষ্ঠানিক চাকরিতে প্রবেশ করবে ২০৩১ সালে। শুধু সিস্টেমের কারণে একজন ছাত্রের জীবন থেকে পাঁচ বছর হাওয়া। অস্ট্রেলিয়াতে দশম শ্রেণীতে ক্লাস শুরু থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন পর্যন্ত ছয়-সাত বছর লাগলেও আমাদের লাগছে ১০-১৪ বছর। অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে এ জায়গাতে কাজ করার সুযোগ আছে নীতিসহায়তা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার নিয়ে।
দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ যেমন দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে দশম শ্রেণীর শুরু থেকে এইচএসসি পাস করা পর্যন্ত সময় লাগে তিন বছর। ইন্ডিয়াতে তাদের অর্থবছরের সঙ্গে মিল রেখে একাডেমিক বর্ষ এপ্রিল থেকে মার্চ। এর মধ্যেই পরীক্ষা ও ফলাফল বের হয়। নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ একই বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী হয়। ইউরোপের দেশগুলোতে সেপ্টেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত স্কুল বর্ষ। সিঙ্গাপুরে মাধ্যমিক (জিসিই ও-লেভেল) এবং উচ্চ মাধ্যমিক (জিসিই এ-লেভেল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় সেপ্টেম্বর ও নভেম্বরে। রেজাল্ট প্রকাশ হয় জানুয়ারিতে।
সময়ের কথা চিন্তা করে এখনো অধিকাংশ ইউরোপিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলর’স ডিগ্রি তিন বছর (১৮০ ক্রেডিটস)। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলর’স ডিগ্রি তিন বছর। লাতিন আমেরিকার অনেক দেশে স্ট্যান্ডার্ডাইজড ব্যাচেলর’স ডিগ্রি তিন বছর। ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিসিনে চার-পাঁচ বছর। আমাদের দেশে ঢালাওভাবে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয় চার বছর মেয়াদি। উন্নত বিশ্বে কর্মমুখী শিক্ষার ক্ষেত্রে সার্টিফিকেট ও ডিপ্লোমা ডিগ্রি ছয় মাস থেকে তিন বছর। বাংলাদেশের ডিপ্লোমা ডিগ্রি চার বছর। পাস করতে সময় লাগে পাঁচ-ছয় বছর।
অতি মূল্যবান সময়ের কথা বিবেচনা করে অস্ট্রেলিয়াতে একমাত্র পাবলিক পরীক্ষা (এইচএসসি) ১২ ক্লাস পড়ার পর। দশম শ্রেণী সমাপনী পরীক্ষা স্কুলেই হয় এবং যারা এইচএসসি পড়বে না তাদের সনদপত্রও দেয়া হয়। অক্টোবরে এইচএসসি পরীক্ষা হয়ে ডিসেম্বরে রেজাল্ট হয়। এইচএসসির কিছু পরীক্ষা একাদশ শ্রেণীতেও হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা, টিউটোরিয়াল আগেই হয়, সেগুলোও চূড়ান্ত ফলাফলে যোগ হয়।
যৌবনের পাঁচ বছরের মূল্য কত—হিসাব করেছেন কখনো? এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার্থী ২০ লাখ তরুণের সম্মিলিত সময়ের অপচয় যদি হয় ১০০ লাখ বছর, তাহলে এর আর্থিক ও সামাজিক ক্ষতি কত শত বিলিয়ন ডলার, চিন্তা করেছেন? ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়নে তরুণ জনশক্তির জীবনের অপচয় ঠেকাতে আমাদের কোনো পরিকল্পনা আছে? উদ্ভ্রান্ত যুবক চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ বছর করার মিছিলে আওয়াজ তুললেও শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে, পরীক্ষা পদ্ধতির কারণে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান তিন-পাঁচ বছর হারিয়ে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে না, আওয়াজ তোলে না।
আমাদের সিলেবাস, পাঠ্যপুস্তক, পরীক্ষা পদ্ধতি, মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তর গবেষণা, ট্রায়াল ও কাটা-ছেঁড়ার গদ্যময় পদ্য আছে। কত কমিশন, কত কমিটি, কত টাস্কফোর্স হয়, কিন্তু ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা হওয়ার পরিকল্পনা এই প্রথম। ব্রিটিশ আমলের ম্যাট্রিকুলেশন, এন্ট্রান্স পরীক্ষা সবই হতো বসন্তে। ডিসেম্বরে কোনো পাবলিক পরীক্ষা হয় না কোথাও, কারণ ডিসেম্বরে লম্বা একটা ছুটি থাকে। শীতকালীন ছুটি, ক্রিসমাস ছুটি সব মিলিয়ে ডিসেম্বরে পাবলিক পরীক্ষা নেয়া কঠিন। মন্ত্রী মহোদয় যদি সত্যিই একটা পরিবর্তন আনতে চান তাহলে অক্টোবরে পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরে রেজাল্ট দিতে হবে। জানুয়ারিতে একাদশ শ্রেণীতে ক্লাস শুরু করবে, পরের বছর এপ্রিল-মে মাসে এইচএসসি পরীক্ষা। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে রেজাল্ট। নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভর্তি প্রক্রিয়া। জানুয়ারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু। এসএসসি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সমন্বিত শিক্ষা শৃঙ্খল তৈরি করতে হবে। এসএসসি, এইচএসসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু সরল ও ছন্দময় হতে হবে। এটুকু করতে পারলেই অপচয়ের হাত থেকে বেঁচে যাবে জীবনের মহামূল্যবান পাঁচ বছর।
সময়ই জীবন, সময়ই উন্নয়নের প্রধান নিয়ামক। সময় আর জীবন কি টাকা দিয়ে কেনা যায়? বাজারে শ্রম কেনা-বেচা হয় সময়ের হিসাবে। শ্রমঘণ্টা হিসেবে মজুরি। সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা শ্রমকে বলা হয় পূর্ণকালীন চাকরি। বছরে প্রায় ২০০০ ঘণ্টা কাজ করতে হয় জীবন-জীবিকায়নের জন্য। বাকি সময়ের সামাজিক মূল্য টাকার হিসাবে করা দুঃসাধ্য কাজ। আমরা ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির কথা বলছি, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা বলছি, ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের কথা বলছি, জনসম্পদের কথা বলছি কিন্তু বিপুল সম্ভাবনাময় তারুণ্যের সময়ের অপচয় নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই।
শিক্ষামন্ত্রীর চিন্তা ভালো কোনো সন্দেহ নেই কিন্তু এর বাস্তবায়ন বেশ জটিল। সব অংশীজনের সহায়তা ছাড়া বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। দশম শ্রেণী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি সমন্বিত ও কমপ্রিহেনসিভ শিক্ষা পরিকল্পনা ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। ছাত্র রাজনীতি, শিক্ষক রাজনীতিসহ আরো যেসব বিষয় সেশনজটের জন্য দায়ী, সেগুলো বন্ধ করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী, ‘এরর-ট্রায়াল’-এর খেলায় না গিয়ে পরীক্ষিত কোনো পদ্ধতি অনুসরণ করলে ক্ষতি কী? অস্ট্রেলিয়ার সিস্টেমটাই তো অনুসরণ করা যায়। পরীক্ষা ক্যালেন্ডারটা এমন হলে কেমন হয়–এসএসসি পরীক্ষা অক্টোবরে শুরু করে রেজাল্ট ডিসেম্বরে। এইচএসসি শুরু জানুয়ারিতে, ফাইনাল পরীক্ষা পরের বছরের মে মাসে, রেজাল্ট আগস্টে। ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি প্রক্রিয়া সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয় শুরু পরের বছরের জানুয়ারিতে। তাড়াহুড়ো না করে ২০২৭ সাল থেকে (যাদের ২০২৮ সালের পরীক্ষার্থী) শুরু করা যায়। এ কাজটা বাস্তবায়ন করতে পারলে প্রজন্ম ও জাতি আপনাকে বহুকাল মনে রাখবে।
ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ছাত্র-ছাত্রীরা সহজেই উন্নত বিশ্বের শিক্ষা কনটেন্ট ব্যবহার করতে পারছে। শিক্ষার আন্তর্জাতিকীকরণ হয়েছে। রাষ্ট্র সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, মালয়েশিয়ার মানের আধুনিক শিক্ষার ব্যবস্থা হয়তো রাতারাতি বাস্তবায়ন করতে পারবে না কিন্তু সময়মতো পরীক্ষা ও রেজাল্ট দিয়ে জীবনের তিন-পাঁচটি মূল্যবান বছরের অপচয় বন্ধের ব্যবস্থা করতে পারলেই শিক্ষায় বড় পরিবর্তন সাধিত হবে। সম্ভাবনাময় তরুণ প্রজন্মকে সিস্টেমের জালে আটকে না রেখে দ্রুত বিশ্ব পরিমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে, পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে, কারিকুলাম নিয়ে আর কোনো গবেষণা-ট্রায়াল নয়। আগামীর সমৃদ্ধ অর্থনীতি, প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা এবং যুগের দাবির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতি, পাবলিক পরীক্ষার সময় ও ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে একটি পরীক্ষিত, স্থিতিশীল, লাগসই ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নীতি বাস্তবায়নের সময় এখনই।
ড. মো. রওশন জামাল: প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মকর্তা ও বিপিএটিসি স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ