২০২৫-২৬ অর্থবছরে মসলাজাত পণ্যটি প্রায় নয় হাজার টন কম আমদানি হয়েছে। ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, দেশীয় বাজারে চাহিদা কমে যাওয়ায় পণ্যটির আমদানি কমে গেছে।
ভোমরা কাস্টম হাউজের রাজস্ব শাখা থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই-জুন পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনো হলুদ আমদানি হয়েছে ২৩ হাজার ৪৪৯ টন, যার মূল্য ছিল ৩৯৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি হয়েছিল ৩২ হাজার ২৯১ টন, যার মূল্য ছিল ৫৪২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। এ হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে মসলাপণ্যটির আমদানি কমেছে ৮ হাজার ৮৪২ টন।
ভোমরা বন্দরের মসলাজাত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, মূলত দেশে মসলার বাজারগুলোয় চাহিদা কমে যাওয়ায় শুকনো হলুদ আমদানি কমেছে।
তবে আমদানি কমলেও সাতক্ষীরার মসলা বাজারে হলুদের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
গতকাল সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারে খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি গুঁড়া হলুদ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়, যা গত এক থেকে দেড় মাস একই রয়েছে। বিক্রেতারা জানান, বন্দরে শুকনো হলুদ আমদানি কমলেও তার কোনো প্রভাব পড়েনি মসলা বাজার ও খুচরা পর্যায়ে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, বন্দরে আমদানি কমলেও সাতক্ষীরার মসলা বাজারে হলুদের দাম স্বাভাবিক রয়েছে।