তবে এর পরিবর্তে সভাটি ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩১ টাকা ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২ টাকা ৫৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৬৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বে লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩১ টাকা ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৮৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বে লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল একই। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ১ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে বে লিজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৯৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৩ পয়সায়।
বে লিজিংয়ের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৪’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বে লিজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৫০৮ কোটি ১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪৩। এর ১৮ দশমিক ৩০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ দশমিক ৬৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।