গতকাল কোম্পানিটি ‘জেড‘ থেকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের জন্য ঘোষিত ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের কাছে পাঠানোয় কোম্পানিটির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৮১ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬১ টাকা ৮০ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১৮ টাকা ১৪ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২৮ টাকা ৫৮ পয়সায়।
১৯৮৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১ কোটি ৮ লাখ ৪৮ হাজার। এর ৩১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৯ দশমিক ৬১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।