নাইজেরিয়া ও আলজেরিয়ায় কারখানা স্থাপন করছে দাইকিন

আফ্রিকা অঞ্চলে হোম এয়ারকন্ডিশনারের সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে চায় জাপানের বহুজাতিক কোম্পানি দাইকিন ইন্ডাস্ট্রিজ।

আফ্রিকা অঞ্চলে হোম এয়ারকন্ডিশনারের সরবরাহ চেইন শক্তিশালী করতে চায় জাপানের বহুজাতিক কোম্পানি দাইকিন ইন্ডাস্ট্রিজ। এ লক্ষ্যে নাইজেরিয়া ও আলজেরিয়ায় কারখানা স্থাপন করছে কোম্পানিটি। খবর নিক্কেই এশিয়া।

এতদিন বাইরের উৎপাদন কেন্দ্র থেকে পণ্য আমদানি করে আফ্রিকার দেশগুলোয় সরবরাহ করে আসছিল দাইকিন। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অঞ্চলটিতে হোম এয়ারকন্ডিশনারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের দিকে যাচ্ছে তারা।

নাইজেরিয়ার উৎপাদন কারখানাটি স্থাপন করা হচ্ছে এক রিসেলার সাইটে। যেখানে ভারতের একটি কারখানা থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করা হবে। এছাড়া পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে প্রকৌশলীও পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

দাইকিনের লক্ষ্য আফ্রিকা অঞ্চলের স্থানীয় বাজারের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে উৎপাদন মান সামঞ্জস্য করা। এক্ষেত্রে কয়েক হাজার ইউনিট এয়ারকন্ডিশনার বিক্রির প্রত্যাশা করছে কোম্পানিটি।

আলজেরিয়ায় উৎপাদন কেন্দ্র তৈরির জন্য একটি স্থান নির্ধারণের প্রস্তুতি নিচ্ছে দাইকিন কর্তৃপক্ষ। দেশটিতে কারখানা নির্মাণ করা গেলে সেখান থেকে উত্তর ও মধ্য আফ্রিকা পর্যন্ত পণ্য সরবরাহ করতে পারবে বলে আশা তাদের।

দাইকিন এয়ারকন্ডিশনার মূলত স্বল্প বিদ্যুৎ খরচের জন্য পরিচিত। পাশাপাশি প্রতিযোগী ব্র্যান্ডগুলোর তুলনায় বেশি পরিবেশবান্ধব বলেও বিবেচিত। আফ্রিকার বাজারে কোম্পানিটির শেয়ার মাত্র ২-৩ শতাংশ। ২০২৩ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থ বছরে এয়ারকন্ডিশনার বিক্রি ১ হাজার ৪৩০ কোটি ইয়েন বা ৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলারে পৌঁছেছে, যা বিশ্বব্যাপী বিক্রির ১ শতাংশেরও কম।

শুল্কসহ আফ্রিকায় পণ্য আমদানি ব্যয়ের কারণে দক্ষিণ কোরিয়ান এলজি ইলেকট্রনিকস ও চীনের গ্রি ইলেকট্রিকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে দাইকিন। যদিও এ দুই কোম্পানির আফ্রিকা মহাদেশে কারখানা রয়েছে।

দাইকিন যদি সফলভাবে স্থানীয় বাজারের জন্য পণ্য উৎপাদন করতে পারে, তাহলে ভারত থেকে অপেক্ষাকৃত সস্তা যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক খরচ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও