ব্যাংক ঋণের বিপরীতে দেয়া জামানত (কোল্যাটেরাল) মূল্যায়নের লক্ষ্যে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯৮টি ‘ক’ গ্রুপ এবং ৩৩টি ‘খ’ গ্রুপে রয়েছে। তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে ঋণগ্রহীতার দেয়া বা দেয়ার কথা থাকা জামানত মূল্যায়ন করতে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ নভেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ‘জামানত মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির তালিকাভুক্তিকরণ নীতিমালা’ প্রণয়ন করা হয়েছিল। ওই নীতিমালার আওতায় জামানত মূল্যায়নের জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৩১টি প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ব্যাংকের ঋণগ্রহীতার নেয়া বা নেয়ার কথা থাকা ঋণের বিপরীতে দেয়া জামানতের মূল্যায়ন তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সময়ে সময়ে জারি করা জামানত মূল্যায়নসংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালনের জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, তালিকাভুক্তির মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগে পুনরায় তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন করতে হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। তবে নির্ধারিত শর্ত ও নির্দেশনা পরিপালনে ব্যর্থ হলে কিংবা যুক্তিসঙ্গত কারণে তিন বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কোনো প্রতিষ্ঠানকে তালিকা থেকে বাদ দিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এছাড়া তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত রিপোর্টিং ফরম্যাটে বার্ষিক ভিত্তিতে প্রতিবেদন দিতে হবে। পরবর্তী বছরের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ ১-এ প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯ ক ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।