গত ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। এরই মধ্যে বাড়তি সক্ষমতায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে এনভয় টেক্সটাইলস।
উৎপাদনের প্রাথমিক (আপস্ট্রিম) পর্যায়ের কিছু স্থাপনা আধুনিকায়ন ও স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে এ সক্ষমতা অর্জন করা হয়েছে। এতে উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্ববর্তী প্রতিবন্ধকতা দূর হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যাক-প্রসেসিং সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) এনভয় টেক্সটাইলসের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬১ টাকা ২১ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে এনভয় টেক্সটাইলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনভয় টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৩২ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনভয় টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৯৩ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এনভয় টেক্সটাইলসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৫৭ পয়সায়।
এনভয় টেক্সটাইলসের সর্বশেষ সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ ওয়ান’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।
২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এনভয় টেক্সটাইলসের অনুমোদিত মূলধন ৪৭৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৬৭ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৭০০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৬৭। এর ৬৫ দশমিক ৪১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ৭২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।