স্কয়ার হসপিটালের ইউরোলজি বিভাগের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এনআই ভূঁইয়া ও তার বিশেষজ্ঞ মেডিকেল টিম রোববার সফলভাবে এ আধুনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রোগীর বায়োপসি সম্পন্ন করেন। হাসপাতালটি গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এ সাফল্য সম্পর্কে ডা. এন আই ভূঁইয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে। স্কয়ার হসপিটালে আমরা দেশের প্রথম রোবোটিক অ্যাসিস্টেড এমআরআই-ইউএসজি ফিউশন প্রোস্টেট বায়োপসি সম্পন্ন করেছি। প্রোস্টেট ক্যান্সার নিখুঁতভাবে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে এ প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে বিবেচিত।’
তিনি জানান, এ প্রক্রিয়ায় বিশ্বখ্যাত ‘মোনা লিসা’ রোবোটিক বায়োপসি সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। এটি এমন একটি আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি, যা একজন সার্জনকে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বায়োপসি করতে সাহায্য করে।
প্রথাগত বা সাধারণ বায়োপসি পদ্ধতিতে অনেক সময় প্রোস্টেটের ভেতরের ছোট টিউমারগুলো ধরা পড়ে না বা বায়োপসি সুই সঠিক জায়গায় পৌঁছতে পারে না। কিন্তু ‘মোনা লিসা’ রোবটটি রোগীর আগের করা এমআরআই এবং তাৎক্ষণিক আল্ট্রাসাউন্ড ছবিকে একসঙ্গে মিলিয়ে থ্রি-ডি ম্যাপ তৈরি করে। এটি দেখে রোবোটিক গাইডেন্সের মাধ্যমে প্রোস্টেটের ঠিক যে জায়গায় ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ রয়েছে, সুনির্দিষ্টভাবে সেখান থেকেই নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। ফলে পরীক্ষার নির্ভুলতা প্রায় শতভাগে পৌঁছায়, জটিলতা ও ইনফেকশনের ঝুঁকি কমে যায় এবং রোগীকে বারবার বায়োপসি করার কষ্ট ভোগ করতে হয় না।