অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালসের কারখানা বন্ধ পেয়েছে ডিএসই

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কর্মকর্তারা ২৫ জুন কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ দেখতে পান। গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে ডিএসই।

সিকিউরিটিজ আইনানুসারে কারখানা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সে তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টক এক্সচেঞ্জকে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানায়নি কোম্পানিটি।

সর্বশেষ ২০২২-২৩ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিক পর্যন্ত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৬ পয়সা। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ১৯ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২২ টাকা ৭ পয়সায়।

২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালস। আগের হিসাব বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ২০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরে ২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০১০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অ্যাকটিভ ফাইন কেমিক্যালসের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি, পরিশোধিত মূলধন ২৩৯ কোটি ৯৩ লাখ ৭০ হাজার ও রিজার্ভে রয়েছে ১৯০ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৯৯ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮০। এর ১২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ২১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক ২৭ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

আরও