এ উদ্যোগ টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতের পাশাপাশি বাংলাদেশকে নিম্ন কার্বন অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকটির অঙ্গীকারকে আরো শক্তিশালী করবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে ব্যাংকের সবুজ অর্থায়ন সক্ষমতা আরো জোরদার হবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সার্কুলার ইকোনমি-ভিত্তিক উদ্যোগে এসএমই উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের সুযোগ আরো সম্প্রসারণ করা হবে। এছাড়া স্পেশালাইজড অ্যাসেসমেন্ট টুলস ও কারিগরি দক্ষতার মাধ্যমে সবুজ অর্থায়ন মূল্যায়নে ব্র্যাক ব্যাংকের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে এ উদ্যোগ।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) ও হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন এবং ওয়ানট্রুভ্যালুর পক্ষে ট্রুভ্যালু বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরাওয়াত ইসলাম চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। ঢাকার সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত ‘অ্যাকসেস টু গ্রিন ফাইন্যান্সিং (এ২জিএফ) ফর এন্টারপ্রাইজেস—স্কেল অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের এএমডি সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সবুজ অর্থায়ন এরই মধ্যে আমাদের এসএমই পোর্টফোলিওতে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। এ উদ্যোগ ব্র্যাক ব্যাংকের কার্যক্রমকে আরো সম্প্রসারিত করতে সহায়তা করবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের শীর্ষ এসএমই ব্যাংক হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমানে ব্যবসার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি টেকসইতা। সবুজ অর্থায়ন আরো সহজলভ্য করে আমরা উদ্যোক্তাদের টেকসই প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত, ব্যবসাকে আরো শক্তিশালী এবং অর্থনীতি ও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টিতে সহায়তা করতে চাই।’
ট্রুভ্যালু বাংলাদেশের এমডি শরাওয়াত ইসলাম বলেন, ‘দেশের এসএমই উদ্যোক্তারা ক্রমেই সবুজ প্রযুক্তিতে বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন। তবে অর্থায়নের সুযোগ পাওয়া এবং পরিবেশগত ইতিবাচক প্রভাব পরিমাপ ও প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এখনো অনেকেই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। এ অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা অর্থায়নের সঙ্গে ব্যবসাকে যুক্ত করার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের টেকসই কার্যক্রমের ফলাফল পরিমাপ ও যাচাইয়ের সক্ষমতা আরো শক্তিশালী করতে চাই।’