ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৭ আগস্ট সকাল ১০টায় হাইব্রিড মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ঠিক করা হয়েছে ২ আগস্ট। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বীমা তহবিলের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯০৭ কোটি ২৩ লাখ টাকায়, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা। আলোচ্য প্রান্তিকে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের জীবন বীমা দাবিসহ মোট আয় হয়েছে ১১ কোটি ২৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২৮ কোটি ৩৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ১৫ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৬৪ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সোনালী লাইফের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬০ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে মোট ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। এর মধ্যে ১৩ শতাংশ নগদ চূড়ান্ত লভ্যাংশ ও ২ শতাংশ নগদ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনলী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৭৫ লাখ। এর ৫৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক ১৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।