ভোমরা স্থলবন্দর

পাঁচ মাসে রাজস্ব ঘাটতি ১৩১ কোটি টাকা

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩১ কোটি টাকা কম হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবকাঠামো সংকটের পাশাপাশি সব ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ না থাকার কারণে এ রাজস্ব ঘাটতি।

 চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৩১ কোটি টাকা কম হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অবকাঠামো সংকটের পাশাপাশি সব ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ না থাকার কারণে এ রাজস্ব ঘাটতি। তবে ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে আশাবাদী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

১৯৯৬ সালের ১৫ এপ্রিল ১৬টি পণ্য নিয়ে এলসি স্টেশন হিসেবে যাত্রা করে ভোমরা স্থলবন্দর। ২০১৩ সালে ওয়্যার হাউজ নির্মাণের পর এটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দরের মর্যাদা লাভ করে। কলকাতা থেকে ভোমরার দূরত্ব মাত্র ৬০ কিলোমিটার হওয়ায় সম্ভাবনাময় হয়ে ওঠে এ বন্দর। তবে অবকাঠামোসহ নানা কারণে রাজস্ব ঘাটতিতে পড়েছে বন্দরটি।

ভোমরা স্থলবন্দরে কাস্টমস রাজস্ব শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে রাজস্ব আদায় লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৪৫ কোটি ১ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৭২ কোটি ৪ লাখ, আগস্টে ৯২ কোটি ৮৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৭ কোটি ৭১ লাখ, অক্টোবরে ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ও নভেম্বরে ১২০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এর বিপরীতে গত পাঁচ মাসে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৩১৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে জুলাইয়ে ৪৮ কোটি ৯ লাখ, আগস্টে ৫৪ কোটি ৫৮ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৬৮ কোটি ৭ লাখ, অক্টোবরে ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ও নভেম্বরে ৮৫ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ফলে গত পাঁচ মাসে রাজস্ব ঘাটতি থেকে গেছে ১৩১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। ঘাটতি হয়েছে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায়ও। গত অর্থবছর একই সময়ে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ছিল ৩৯০ কোটি ১১ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায়ও রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৭৬ কোটি ১১ লাখ টাকা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনেও এ বন্দরের অবকাঠামো সমস্যার সমাধান হয়নি। একদিকে যানজট, অন্যদিকে ওয়্যার হাউজে স্থান সংকটের কারণে ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। এসবের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে রাজস্ব আহরণে। তাদের মতে, সব ধরনের পণ্য আমদানির সুযোগ না থাকা রাজস্ব ঘাটতির অন্যতম কারণ।

ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম জানান, গত বর্ষা মৌসুমের কারণে বন্দরে ব্যবসা-বাণিজ্যে কিছুটা মন্দা ভাব ছিল। ফলে রাজস্ব আহরণে ঘাটতি পড়ে। তার পরও ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য আমদানির সুযোগ দিলে ঘাটতি পূরণ সম্ভব। কিন্তু ভোমরা স্থলবন্দর ব্যবহার করে পণ্য

আরও