ইউরোপীয় ইউনিয়ন

গাড়ির কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা পুনর্বিবেচনার দাবি

২০৩৫ সালের মধ্যে গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শতভাগ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)।

২০৩৫ সালের মধ্যে গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শতভাগ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)। সে পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয় উল্লেখ করে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন অঞ্চলটির অটোমোবাইল নির্মাতা ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর প্রধানরা। খবর রয়টার্স।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অটোমোবাইল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে নতুন দাবিটি সামনে এল। মূলত অটো খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে ওই বৈঠকে।

ইউরোপীয় অটোমোবাইল খাত সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বড় হুমকি মোকাবেলা করছে। একদিকে চীন থেকে আসা কম দামি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির (ইভি) সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করছে তারা, অন্যদিকে মার্কিন শুল্ক রফতানি বাজারে নতুন প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

পাশাপাশি ইভির ব্যাটারির জন্য পুরোপুরি এশিয়ানির্ভরতা, চার্জিং অবকাঠামোর অপ্রতুলতা ও উচ্চ উৎপাদন খরচের মতো সমস্যার কথাও উল্লেখ করছে অটো কোম্পানিগুলো। ইইউর লক্ষ্য অনুসারে, ২০৩০ সালের মধ্যে গাড়ি থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ ৫৫ শতাংশ ও ২০৩৫ সালের মধ্যে শতভাগ কমাতে হবে।

অটোমোবাইল গ্রুপগুলো ২০৫০ সালের মধ্যে ‘নিট জিরো’ লক্ষ্য পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা আরো বলছে, শুধু ইভির ওপর নির্ভর করে পরিকল্পনা তৈরি সঠিক হবে না। ইভির পাশাপাশি প্লাগ-ইন হাইব্রিড, হাইড্রোজেনচালিত গাড়ি ও অন্যান্য কার্বনমুক্ত জ্বালানির ব্যবহারেও উৎসাহিত করতে হবে।

এসব বিষয় নিয়ে ইইউর ওপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে। জোটটির কিছু সদস্য ২০৩৫ সালের মধ্যে কম্বাশন ইঞ্জিনযুক্ত গাড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এ মুহূর্তে ইইউর সদস্যভুক্ত দেশগুলোর নতুন গাড়ির বাজারে ইভির হিস্যা মাত্র ১৫ শতাংশ। সেজন্য এ লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ইইউর নীতি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন বলে তারা মনে করছে।

আরও