দেশী প্রতিষ্ঠানগুলোয় বিদেশী তহবিল প্রতিরোধ করতে নীতি কঠোর করতে যাচ্ছে জাপান সরকার।
বিশেষ করে পারমাণবিক শিল্প ও প্রতিরক্ষা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নীতিমালা কঠোর করা হচ্ছে।
দেশটির সংবাদপত্র ইয়োমিউরির খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন বিধিমালার লক্ষ্য হলো বিদেশী তহবিল প্রতিরোধ করা।
পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠান যেন জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে না পারে, সেদিকেও মনোযোগ দেয়া হচ্ছে।
এ পদক্ষেপ প্রতিযোগিতার বাজারে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বল হয়ে পড়া ঠেকাতে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ বছরের শেষ নাগাদ সরকার সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
সেই সঙ্গে এ-সংক্রান্ত আইন তৈরির দিকেও অগ্রসর হচ্ছে দেশটি।
তবে জাপানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা প্রতিবেদনটির তথ্য অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, তারা বিধিমালা কঠোর করার বিষয়টি বিবেচনায় নিচ্ছেন না।
যদিও এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইয়োমিউরি বলেছে, নতুন বিধিমালা অনুযায়ী সরকার ধারণক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এবং প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে জড়িত থাকতে চায়।
এমনকি যদি বিদেশী তহবিল এ খাতে বিনিয়োগ করে, তবুও সরকার সেখানে জড়িত থাকতে চায়।
জাপানের শতাধিক বিদেশী মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ওপর গত বছরের মে মাসেই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার।
এবার দেশী প্রতিষ্ঠানে বিদেশী বিনিয়োগের বিষয়েও বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে।
বিদেশী বিনিয়োগকারীরা জাপানের জাতীয় নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন খাতের মূল সংস্থাগুলোর ১ শতাংশ বা তার বেশি শেয়ার কিনেছেন।
তবে নীতিগতভাবে আগের তুলনায় তাদের অনেক বেশি নিয়মকানুনের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
দেশটির মোট ১২টি খাতকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
যেমন তেল, রেলওয়ে, পরিষেবা খাত, অস্ত্র, মহাকাশ সম্পর্কিত, পারমাণবিক শক্তি, এভিয়েশন, টেলিকম ও সাইবার সিকিউরিটি।