১৯৯০ সালের পর চীনে সবচেয়ে মন্থর প্রবৃদ্ধি ছিল গত বছর

কভিড-১৯ মহামারীর বছরগুলো বাদ দিলে ১৯৯০ সালের পর ২০২৩ আর্থিক বছরে সবচেয়ে খারাপ প্রবৃদ্ধির রেকর্ড করেছে চীন।

কভিড-১৯ মহামারীর বছরগুলো বাদ দিলে ১৯৯০ সালের পর ২০২৩ আর্থিক বছরে সবচেয়ে খারাপ প্রবৃদ্ধির রেকর্ড করেছে চীন। বুধবার দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে এমন চিত্র। আবাসন সংকট, ভোক্তা ব্যয় কমে যাওয়া এবং বিশ্বব্যাপী চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা চীনের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। খবর ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পরিসংখ্যান প্রত্যাশার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। একই সঙ্গে এটি বেইজিংয়ের লক্ষ্যকেও হার মানিয়েছে। তবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করার জন্য আরো জোরালো ব্যবস্থা নিতে বেইজিং তাদের কর্মকর্তাদের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করবে এবং দেশটির ভোক্তা ব্যয় বাড়াতে কাজ করবে বলে মনে করেন তারা।

চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে, গত বছর দেশটির জিডিপি ৫ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১২৬ ট্রিলিয়ন ইউয়ান হয়েছে। এ পরিসংখ্যান ২০২২ সালে কভিডকালীন ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় ভালো। তবে মহামারীর বছরগুলো বাদ দিলে ১৯৯০ সালে পর সবচেয়ে দুর্বল পারফরম্যান্স। ২০২২ সালে কভিড -১৯ মহামারীসংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে বিপর্যস্ত করে ফেলেছিল। যদিও চীনের ৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অন্যান্য প্রতিযোগীর ঈর্ষার কারণ হতে পারে।

২০২২ সালের শেষের দিকে কঠোর কভিড-১৯ বিধিনিষেধ তুলে নেয়ার পর গত বছর প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বেইজিং।

মহামারীসংক্রান্ত বিধিনিষেধ উঠে যাওয়ার পর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। তবে ভোক্তা ব্যয় খরচ কমে যাওয়ায় কয়েক মাস পরই তা ধাক্কা খায়।

সম্প্রতি চীনের শুল্ক সংস্থা প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছর দেশটির রফতানি ২০১৬ সালে পর প্রথমবারের মতো কমেছে।

আরও