অস্ট্রেলিয়ার খনিজপণ্য

রফতানি বাজারে বৈচিত্র্য আনায় গুরুত্বারোপ

অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পণ্যের রফতানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে দেশটির অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধিবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমন সতর্কবার্তাই দেয়া হয়েছে। খবর অস্ট্রেলিয়ানমাইনিং।

অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পণ্যের রফতানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে দেশটির অর্থনীতি দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধিবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমন সতর্কবার্তাই দেয়া হয়েছে। খবর অস্ট্রেলিয়ানমাইনিং।

পাইভট: ডাইভার্সিফায়িং অস্ট্রেলিয়া ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট প্রোফাইল শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার রফতানি অনেকটাই চীনের ওপর নির্ভরশীল। এদিকে পূর্ব এশিয়ার অন্য দেশগুলোয় খনিজ পণ্যের চাহিদা ক্রমে বাড়লেও সেখানে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কিছু রাজনৈতিক নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি রয়েছে। এসবের কারণে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদি সংকটে পড়তে হতে পারে।

আকরিক লোহা, স্বর্ণ, বক্সাইট নিকেল রফতানির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া বহুলাংশে একক বাজারের ওপর নির্ভরশীল। তবে কয়লা কিছু মূল্যবান ধাতুর ক্ষেত্রে বৈচিত্র্যপূর্ণ রফতানি বাজার রয়েছে তাদের।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রফতানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রাকৃতিক সম্পদকে কাজে লাগিয়েছে, বিশেষ করে খনি কৃষি খাতে। এসব পণ্য রফতানির মাধ্যমে দেশটি ভালো আয় করেছে। তবে রফতানির বাজারে বৈচিত্র্য আনতে না পারলে দেশটিকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।

২০১৮ সালে বিশ্বের অন্তত ৬০টি দেশের শীর্ষ মার্চেন্ডাইজ ট্রেডিং পার্টনার ছিল চীন। এর অর্থ হলো, কমোডিটি পণ্যের ক্ষেত্রে চীন অনেকটাই আমদানিনির্ভর। তবে ইউনাইটেড স্টেটস স্টাডিজ সেন্টার বলছে, আমদানিনির্ভর হওয়ার কারণে চীন তো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছেই, তবে একক বাজারনির্ভর হওয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়ার অর্থনৈতিক ঝুঁকি চীনের চেয়ে আরো বেশি।

ঝুঁকি প্রশমনে অস্ট্রেলিয়াকে রফতানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে হবে, সেটা না-হয় সত্যি। কিন্তু এই বৈচিত্র্য আনা যাবে কীভাবে? এমইটিএস ইগনাইটেড বলছে, খনি-সম্পৃক্ত প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া কাজে অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারে। রিসোর্স ইন্ডাস্ট্রি নেটওয়ার্কও অনেকটা একই কথা বলছে। তাদের মতে, খনি খাতে অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বেশ ভালো। আর এই উন্নত প্রযুক্তিকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগিয়ে দেশটি রফতানিতে বৈচিত্র্য আনতে পারে।

স্থায়ী কমিটির প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, তাতে সহমত পোষণ করেছেন মিনারেল কাউন্সিল অব অস্ট্রেলিয়ার (এমসিএ) প্রধান নির্বাহী তানিয়া কনস্টেবল। তিনি বলেছেন, রফতানি বাজার বাড়ানো গেলে অস্ট্রেলিয়ার খনিজ পণ্যের চাহিদা সুরক্ষিত থাকবে।

আরও