৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এ শেয়ার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ট্রেডিং সিস্টেমের বাইরে হস্তান্তর করবেন তিনি। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ওয়ান ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪৬ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি ওয়ান ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৪৩ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ৩ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে ওয়ান ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৯ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ওয়ান ব্যাংকের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৬ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত) ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১৫ পয়সায়।
২০০৩ সালে পুঁজিবাজারে আসা ওয়ান ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার ৮৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৬৫ কোটি ৮২ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৩২৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১০৬ কোটি ৫৮ লাখ ২১ হাজার ৮৮৭। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৯৪ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ৪৩ দশমিক ১৩ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ২৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।