২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ৩৩৭তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় বন্ড ইস্যুর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক অথবা প্রচলিত সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যু করা হবে। বন্ডটির মেয়াদ হবে সাত বছর। তবে বন্ড ইস্যু ও অর্থ সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিতে হবে বলে জানিয়েছে এমটিবি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৮ টাকা ১৬ পয়সা।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয়ার সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ২ টাকা ৯৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৮ টাকা ১১ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এমটিবির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৯৪ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এমটিবির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৫২ পয়সায়।
এমটিবির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-২’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনীরিক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিত অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
২০০৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি, পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ২১১ কোটি ২০ লাখ ৩০ হাজার ও রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৭১৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১২১ কোটি ১২ লাখ ৩ হাজার ৫২৬। এর ৩৩ দশমিক ২৬ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩১ দশমিক ২৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৫ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।