বিএসসির ৯৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন

বিবিধ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৮২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৬ শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

বিবিধ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৮২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৬ শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৯৯ কোটি ৭৭ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ডিএসইর মোট লেনদেনে কোম্পানিটির অবদান ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটির লেনদেন ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ বেড়েছে। 

চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বিএসসির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৯৮ পয়সা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির ইপিএস কমেছে ১৭ শতাংশ। এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৯ টাকা ৯৭ পয়সায়, যা গত ৩০ জুন শেষে ছিল ৮৬ টাকা ৬৭ পয়সা।

সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে বিএসসি। নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১৪ টাকা ৮০ পয়সা। এ বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৬ টাকা ৬৭ পয়সায়, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৭২ টাকা ৫২ পয়সা। 

এর আগের ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসসি। এর আগের ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে বিএসসি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৭২ পয়সা। ২০১৯-২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। তার আগের হিসাব বছরের জন্যও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা। এর আগে ২০১৭-১৮ ও ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জন্য যথাক্রমে ৬ শতাংশ ও ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

আরও