কঙ্গোকে ১৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে আইএমএফ

আফ্রিকার দেশ দ্য ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোকে আগামী তিন বছরের জন্য ১৫০ কোটি ডলার দিতে সম্মত হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। ২০১২ সালের পর ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে দেশটির এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক ঋণ প্রকল্প। সে সময় দুর্নীতিসহ বেশকিছু অভিযোগে ঋণ দেয়া বন্ধ করেছিল বৈশ্বিক ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানটি। খবর ন্যাশনাল নিউজ।

আফ্রিকার দেশ দ্য ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোকে আগামী তিন বছরের জন্য ১৫০ কোটি ডলার দিতে সম্মত হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০১২ সালের পর ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে দেশটির এটি প্রথম আনুষ্ঠানিক ঋণ প্রকল্প। সে সময় দুর্নীতিসহ বেশকিছু অভিযোগে ঋণ দেয়া বন্ধ করেছিল বৈশ্বিক ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠানটি। খবর ন্যাশনাল নিউজ।

তবে ঋণচুক্তিতে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়নি আইএমএফের ব্যবস্থাপনা নির্বাহী বোর্ড। ঋণের জন্য প্রায় দুই বছর ধরে আইএমএফের সঙ্গে দেনদরবার করে আসছিল কঙ্গো। সে কারণে ঋণকে দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিশেকেদির জন্য একটি জয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। অবশ্য কঙ্গোর অর্থমন্ত্রী নিকোলাস কাজাডির কোনো মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

আইএমএফ বলছে, কভিড-১৯ মহামারীর কারণে কঙ্গোর যে ক্ষতি হয়েছে, তা প্রশমনে এবং দেশটির দারিদ্র্য বিমোচনে ঋণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এক বিবৃতিতে আইএমএফের কঙ্গোর মিশন প্রধান মাউরিকো ভিলাফুয়ের্ত বলেন, প্রকল্পের আওতায় অতিপ্রয়োজনীয় সামাজিক ব্যয় বিনিয়োগের জন্য আর্থিক ক্ষেত্র তৈরি করা হবে। আর্থিক কাঠামো তা তদারকির পরিমাণ বাড়ানো হবে এবং অর্থনীতি পরিচালনা স্বচ্ছতার উন্নয়ন ঘটানো হবে।

ঋণের ফলে এখন বিশ্বব্যাংক অন্যান্য দাতা সংস্থার কাছ থেকে তহবিল বরাদ্দ পাওয়া বেশ সহজ হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আইএমএফের অর্থায়নের সঙ্গে কিছু শর্তও রয়েছে। যেমন কঙ্গোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থার সংস্কার এবং খনি শিল্পে আরো স্বচ্ছতা আনা।

আফ্রিকার বৃহত্তম তামা উৎপাদনকারী দেশ হলো কঙ্গো। পাশাপাশি বিশ্বের মধ্যে নিকেলের মতো ধাতু কোবাল্টের সবচেয়ে বড় উৎসও তারা। খনি থেকেই দেশটির রফতানি আয়ের সবচেয়ে বড় অংশ আসে। ২০১২ সালে কঙ্গোকে ঋণ দেয়া বন্ধ করে দেয় আইএমএফ। কারণ খনি শিল্পে দুর্নীতি -সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে সরকারের অনীহা।

আইএমএফের কঙ্গোর মিশন প্রধান বলেন, শাসন ব্যবস্থার উন্নয়ন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করা বেশ কঠিন ব্যাপার। পাশাপাশি জনগণের আর্থিক বিষয় পরিচালনায় উন্নতি করা এবং অর্থ পাচারের বিরুদ্ধেও দেশটির প্রশাসনকে লড়তে হয়েছে।

২০২১ সালে কঙ্গোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে দশমিক শতাংশ। দেশটি মহামারীর কারণে হওয়া ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এজন্য তামা কোবাল্টের উচ্চমূল্যকে কাজে লাগানো হচ্ছে। আইএমএফ বলছে, গত বছর কঙ্গোর অর্থনীতি মাত্র দশমিক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

আরও