পণ্য সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলে মজুদদারির সুযোগ নেই —বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলে কেউ মজুদদারি করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

পণ্যের সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলে কেউ মজুদদারি করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

গতকাল সকালে টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জের যমুনা তীরবর্তী এলাকায় নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ভরাট কাজের উদ্বোধনের সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে, পণ্যের বাজার ব্যবস্থা উন্নত করা। পণ্যের যদি সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকে, তবে কেউ মজুদদারি করতে পারবে না। এ বিষয়ে খাদ্যপণ্যের সরবরাহকারীদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘রমজান মাসসহ বছরের ১২ মাস দেশের এক কোটি মানুষকে টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) মাধ্যমে খাদ্যপণ্য সরবরাহ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছায় নদীপাড়ের মানুষকে রক্ষাকল্পে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। নদীভাঙন প্রতিরোধে ২১ লাখের ওপর জিও ব্যাগ ফেলা হবে।’

নদীতীর প্রতিরক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু যমুনা নদীর ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগের দিন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে নিজ বাসভবনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমদানিকারক, স্থানীয় উৎপাদক, কৃষি বিভাগ, খাদ্য বিভাগ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগসহ সবার সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। তারা বলেছেন, রমজান উপলক্ষে আমাদের যথেষ্ট পরিমাণ পণ্য মজুদ আছে। দেশে আগামী তিন মাসের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।’

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শুল্কের বিষয়ে আমরা দেশের আমদানিকারক ও উৎপাদনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। চিনি, তেল ও খেজুরের শুল্ক বেশি ছিল। সেই শুল্ক আমরা যাতে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারি, সে বিষয়ে এনবিআরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহে একটি ঘোষণা আসবে।’

আরও