গতকাল সকালে দিনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য শেয়ার দুটির লেনদেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৭৮ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬১ টাকা ২ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে উসমানিয়া গ্লাসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৯২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ৭৩ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি উসমানিয়া গ্লাসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৯৪ পয়সা।
ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত প্রকাশ করেছে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্স। আলোচ্য হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ইপিএস হয়েছে ২৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৬ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১৫ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২১ পয়সা।
গতকাল লেনদেন স্থগিতের আগে উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরির শেয়ারদর ৬৯ টাকা ৫০ থেকে ৭৪ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে। অন্যদিকে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ারদর ১৬০ টাকা ৩০ থেকে ১৬৪ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।