পরিত্যক্ত মোগলহাট পরিদর্শনে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান বলেছেন, মোগলহাট একটি ঐতিহাসিক বন্দর।

একসময় এ পথ দিয়ে মানুষের যাতায়াত ও ব্যাপক বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালিত হতো। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বন্দরটি পুনরায় চালুর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সরকারও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। তাই আজ আমি প্রাথমিকভাবে বন্দরটির অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো ও সম্ভাবনা পর্যালোচনা করতে এসেছি।

গতকাল লালমনিরহাট সদর উপজেলার পরিত্যক্ত মোগলহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে লালমনিরহাট সার্কিট হাউজে পৌঁছলে তাকে স্বাগত জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. হাসান আলী ও লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক একেএম মমিনুল হক।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও আমদানি-রফতানিকারক মো. হুমায়ুন কবীর সওদাগর বণিক বার্তাকে বলেন, ‘এক জেলায় দুটি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ফলপ্রসূ কার্যকর হবে না। তাছাড়া ভারতীয় ব্যবসায়ীরা মোগলহাট স্থলবন্দর করার পক্ষে রয়েছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করার প্রয়োজন রয়েছে। তবে ভারতের ওপারে গীতালদহ রুটে অবকাঠামোগত ও যোগাযোগ ব্যবস্থাও নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘চ্যাংড়াবান্ধা-বুড়িমারী স্থলবন্দর যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভুটান ও নেপালকে সহজে সংযুক্ত করেছে। চীনের নাথুলা বর্ডারও চালু করা সম্ভব। যদি ভারত অনুমোদন দেয়। কিন্তু মোগলহাটে স্থলবন্দর স্থাপন করলে ভারতীয় দিকে একমুখী আমদানি-রফতানির যোগাযোগ করা ছাড়া বিকল্প নেই। তাই মোগলহাটে স্থলবন্দর স্থাপন করা হলে কতটুকু কার্যকর বা ফলপ্রসূ হবে, তা ফিজিবিলিটি গবেষণার বিষয়।’

আরও