পুনরায় উৎপাদনে ফিরেছে এপেক্স স্পিনিং মিলস

বস্ত্র খাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এপেক্স স্পিনিং অ্যান্ড নিটিং মিলস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ২৭ জুন কারখানার পূর্ণাঙ্গ উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালু করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি জানায়, ২৩ জুন প্রকাশিত এক ঘোষণায় শ্রমিক অসন্তোষের কারণে সাময়িকভাবে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখার বিষয়টি জানানো হয়েছিল। পরে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধান হয়েছে। বর্তমানে কারখানায় স্বাভাবিক ও অনুকূল কর্মপরিবেশ ফিরে এসেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) এপেক্স স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮৪ টাকা ১৬ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এপেক্স স্পিনিংয়ের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৩৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ১১ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এপেক্স স্পিনিংয়ের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ১ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এপেক্স স্পিনিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৪৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ৩৭ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এপেক্স স্পিনিং। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৩৮ পয়সায়।

১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এপেক্স স্পিনিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬০ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৪ লাখ। এর ৫০ দশমিক ৭১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১ দশমিক ৫৮, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ২৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে বাকি ৩৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও