আমদানি করা চালের এসব চালান বেনাপোল বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে আছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন। চালের আমদানিকারক মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ ও লাইবা ওভারসিস নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় নেয়ার জন্য কাজ করছে মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, চাল আমদানির পরিমাণ কমে এবং দেশের বাজারে দাম বেড়ে যাওয়ায় পুনরায় আমদানির সময় ৪০ দিন বাড়ানো হয়। এর মধ্যে মাত্র তিনদিনে ছয় চালানে ১ হাজার ২৫৯ টন চাল আমদানি হয়।
যশোরের নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন বলেন, ‘বর্ধিত ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ভারত থেকে ৩৪ ট্রাকে প্রায় ১ হাজার ২৫৯ টন মোটা চাল আমদানি করেছি আমরা। আমদানীকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলাবাজারে এ চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি করা হবে।’
বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, ‘বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৪০ দিনে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ছয় চালানে প্রায় ১ হাজার ২৫৯ টন (নন-বাসমতী) মোটা চাল আমদানি করেছে।’