শিক্ষায় আন্তর্জাতিক মান ও বৈচিত্র্য নিশ্চিতে সরকারের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সমর্থন প্রয়োজন

ড. মো. সবুর খান

সভাপতি, অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশ (এপিইউবি)

কিউএস, টাইমস হায়ার এডুকেশন এবং অন্যান্য অনেক র‍্যাংকিং সংস্থা এখন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা ব্যবস্থার মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তবে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার আগে খোদ সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর এদিকে নজর দেয়া উচিত। কারণ স্থানীয়ভাবে নিজস্ব সক্ষমতা, গুণগত মান, অবস্থান ও প্রভাব প্রমাণ করতে না পারলে বহির্বিশ্বে সুনাম প্রতিষ্ঠা প্রায় অসম্ভব। কিউএস শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর র‍্যাংকিং বসিয়ে দেয় না; তাদের কিছু নির্দিষ্ট সূচক বা উপাদান রয়েছে। এর একটি ‘একাডেমিক রেপুটেশন’ আর অন্যটি ‘এমপ্লয়ার রেপুটেশন’। সঠিক ও দক্ষ কর্মী পাওয়ার জন্য আমার শিক্ষা খাতে আসা। এজন্য কিউএস আমার পছন্দ। কারণ তারা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে এবং নিয়মিত ‘এমপ্লয়ার রেপুটেশন সার্ভে’ পরিমার্জন করে। ভুল না হলে, ২০০৬ সালে ফরমটি আপডেট করা হয়। ‘ফ্যাকাল্টি-স্টুডেন্ট রেশিও’ এবং সাইটেশনের মতো বিষয়গুলোও তারা দেখে। ‘ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাকাল্টি রেশিও’ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সূচক। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির এ বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে দেখা উচিত। কারণ বিদেশী শিক্ষকদের দেশে আনার ক্ষেত্রে ভিসা এবং আরো অনেক বিষয় জড়িত থাকে। কিউএস র‍্যাংকিংয়ে ওপরে উঠতে আমাদের মন্ত্রণালয় বা নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো, যারা মাঝেমধ্যেই র‍্যাংকিংয়ে আমাদের অবস্থান জানতে চায়—তাদের জানা উচিত এর জন্য ঠিক কোন উপাদানগুলো অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর বৈচিত্র্য আনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার জোরালো সমর্থন প্রয়োজন। তাই শিক্ষার গুণগত মানের দিকে নজর দিন।

আরও