এসইউবির ‘ইন্সপায়ারিং টিচার’ সম্মাননা পেলেন অধ্যাপক এম এ রশিদ

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) ‘ইন্সপায়ারিং টিচার’ সম্মাননা পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম এ রশিদ। শিক্ষা, গবেষণা ও শিক্ষকতায় দীর্ঘদিনের অবদান এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার্থীকে অনুপ্রাণিত করার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে এসইউবি ক্যাম্পাসে ছিল শ্রদ্ধা ও উদযাপনের আবহ। দিনের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের টেবিলে শুভেচ্ছা কার্ড ও ফুল রাখা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন এসইউবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাসান কাউসার, মনোনীত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কে এস সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

আলোচনা সভায় উপাচার্য, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, রেজিস্ট্রার ও শিক্ষকদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। তারা শিক্ষকতার মর্যাদা ও দায়িত্ব এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকসমাজের অবদান নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ও গবেষণায় শিক্ষকদের আরো সক্রিয় হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল অধ্যাপক ড. এম এ রশিদকে ‘ইন্সপায়ারিং টিচার’ সম্মাননা প্রদান। শিক্ষা ও গবেষণায় তার দীর্ঘ পথচলা, শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করা এবং দেশের ফার্মেসি শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এসইউবির পক্ষ থেকে তার হাতে এ সম্মাননা তুলে দেয়া হয়।

বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক শুধু শ্রেণিকক্ষে জ্ঞান দেন না। শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো, মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের পথ দেখানোর ক্ষেত্রেও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষকতার এ অনুপ্রেরণাদায়ী অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই বিশ্ব শিক্ষক দিবসে এসইউবির এ উদ্যোগ।

শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষকতার স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে এবারের বিশ্ব শিক্ষক দিবস এসইউবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে।

—বিজ্ঞপ্তি

আরও