এ স্থায়ী ভাঙন রোধে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অধীনে ঠিকাদারদের মাধ্যমে তৈরি হয় ভাঙন রোধী সিসি ব্লক ও জিও টেক্সটাইল বালির বস্তা। তবে ভাঙন ঠেকাতে যে ব্লক নদীতে ফেলার কথা, তা এখন নদী তীরবর্তী মানুষের ঘরবাড়ি, পুকুরের সিঁড়ি, বাথরুম, কিংবা গরুর খামার নির্মাণে ব্যবহার হচ্ছে। অনেকে আবার বাড়ির সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য সীমানা প্রাচীর হিসেবেও স্তূপ করে রাখছেন এ সরকারি সম্পদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাঙন রোধে নদীর পাড়ে যখন ব্লক স্তূপ করে রাখা হয়, তখন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পাহারাদারদের অগোচরে তা বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এছাড়া বর্ষা শেষে নদীর পানি কমে গেলে তীরবর্তী যেসব ব্লক ভেসে ওঠে, সুযোগ বুঝে সেগুলোও ঘরে তুলে নেয় স্থানীয় বাসিন্দারা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এ ব্লকগুলো তারা চুরি করেননি; বরং স্থানীয় ঠিকাদারদের সঙ্গে গোপনে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে নদীর পার থেকে নিয়ে এসেছেন।
চাঁদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম জানান, ব্লকগুলো কাজের সুবিধায় নদীর পাড়ে স্তূপ করে রাখা হয়েছিল। তবে স্থানীয় লোকজন যে এগুলো তাদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করছে, তা আমাদের জানা নেই।"বিষয়টি খতিয়ে দেখে যদি এর সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে পাউবোর কাজের প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে ব্লকগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসা হবে।