খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এপ্রিলে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের একটি কক্ষে ‘নারী থাকার সন্দেহে’ তল্লাশির ঘটনা ঘটে। তবে সংশ্লিষ্ট কক্ষে নারী শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নীতিমালা লঙ্ঘনের দায়ে ওই হল সংসদের এজিএস ইসরাফিল হোসাইন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাকিব জুবায়ের ও আবাসিক শিক্ষার্থী ফোরকান হাফিজ জীমের সিট বরাদ্দ বাতিল করেন হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান। তবে সিট বরাদ্দ বাতিলের পরও এজিএস ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ওই হলেই অবস্থান করছেন।
সিট বরাদ্দ বাতিলের পরও হলে অবস্থানের বিষয়ে ইসরাফিল হোসাইন বলেন, ‘আপনি হল প্রশাসনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন। এটি আমার জানার বিষয় নয়।’ এ বিষয়ে জানতে সাকিব জুবায়েরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ভিপি মোজাম্মেল হক বলেন, ‘গত ১১ এপ্রিল এ হলে যে ঘটনাটি ঘটে তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রভোস্ট স্যার বারবার মিটিং করার পরও সেখানে একটি মব সৃষ্টি হয়। তারপর সেখান থেকে হল প্রশাসনের সিদ্ধান্তে হল সংসদের এজিএস ও সাংস্কৃতিক সম্পাদককে সাময়িকভাবে সিট বরাদ্দ বাতিল করেন। পাশাপাশি তদন্ত কমিটি গঠন করে এর মীমাংসা করা হবে বলে জানিয়েছিল হল প্রশাসন। কিন্তু এখনো কোনো তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি। বর্তমানে হল সংসদের এ দুই নেতা প্রভোস্টের অনুমতি নিয়েই হলে অবস্থান করছেন বলে দাবি করেন মোজাম্মেল হক।
শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাহবুবার রহমান বলেন, ‘সিট বরাদ্দ বাতিলের পরও যদি তারা হলে অবস্থান করে থাকে তাহলে এটা অবৈধ। কিন্তু যদি তারা অন্য কারো রুমে অবস্থান করে, তাহলে সেটার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ নেই। তবে অফিশিয়ালি তাদের পুনরায় রুম ফেরত দেয়া হয়নি। এ বিষয়ে খোঁজ নেব।’