পদ্মায় বাস তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি

১৬ আপডেট
  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    পদ্মায় বাস তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

    রাজবাড়ীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উছেন মে কে আহ্বায়ক ও গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাসকে সদস্য সচিব করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপ সহকারী পরিচালক।

    তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্তপূর্বক আগামী ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    ছয় ঘণ্টা পর দৃশ্যমান হয়েছে বাস, মৃত বেড়ে ৪

    ছয়ঘণ্টা ঘণ্টা পর অবশেষে দৃশ্যমান হয়েছে পদ্মায় ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস। এ সময় আরো ২টি মৃতদেহ ভেসে উঠে। এ নিয়ে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    এর আগে, বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। বাসে ৫০ জনের অধিক যাত্রী ছিল।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    ৪০ জনের মতো যাত্রী পানির নিচে রয়েছে, ধারণা ফায়ার সার্ভিসের

    বুধবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট। দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে গেল সৌহার্দ্য পরিবহনের বাস। এ বাসে যাত্রী ছিল ৫২ জনের মত। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৪০ জনের মতো যাত্রী পানির নিচে রয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন গোয়ালন্দ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মো. সোহেল রানা।

    এদিকে রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাসুদ জানান, ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।

    ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ অনেক দেরিতে এসেছে পৌঁছেছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দলও এক ঘণ্টার বেশি সময় পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    ৯০ ফিট পানির নিচে ছিল বাস, টেনে তোলা হয়েছে ৫০ ফিট

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৯০ ফিট গভীরে রয়েছে বলে জানিয়েছে রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা।

    তিনি বলেন, তলিয়ে যাওয়া বাসটি নদীর ৮০-৯০ ফিট গভীরে রয়েছে। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার মাধ্যমে বাসটি প্রায় ৫০ ফিট ওপরে তোলা হয়েছে। আরও ৩০-৪০ ফিট ওপরে বাসটি তুলতে হবে। খুব ধীরগতিতে সতর্কতার সাথে বাসটি টেনে তোলা হচ্ছে।

    দেওয়ান সোহেল রানা আরও বলেন, বাসের জানালা ও দরজা বন্ধ থাকার কারণে আমাদের ডুবুরি ভেতরে প্রবেশ করতে পারছে না। এজন্য পুরো গাড়িটাই টেনে তুলতে হচ্ছে। তিনি বলেন, বাস ডুবে যাওয়ার সময় তিনজনের নিথর দেহ ভেসে ওঠে। এর মধ্যে দুজন নারী মারা গিয়েছেন। একজন আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আ

    নিহতরা হলেন- রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬০) ও রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাংশা জোনাল অফিসের বিলিং সুপারভাইজার মর্জিনা বেগম (৫৬)। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে আসলেও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ধীরগতি হচ্ছে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    যাত্রীবাহী বাস নদীতে পড়ার ঘটনায় বিএনপি মহাসচিবের শোক

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। এতে এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে আসলেও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

    মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনায় গতকাল রাতে বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে শোক বার্তা জানান বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    জানা গেছে, বাসটি নদীতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ৫ থেকে ৭ জন যাত্রী পাড়ে উঠতে সক্ষম হলেও বাকী যাত্রীদের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। ইতোমধ্যে দুটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া এবং এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ যাত্রীর কোনো হদিস না পাওয়ায় দেশব্যাপী জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় অসংখ্য হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বহুদিন ধরেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও অমনোযোগিতার কারণে জীবনহানি ঘটেই যাচ্ছে। এসব দুর্ঘটনার বিষয়ে পূর্ব থেকে সজাগ ও সতর্ক থাকলে প্রাণহানিসহ ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যেতো। নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীদের উদ্ধারকাজ অতিদ্রুত গতিতে সম্পন্ন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের খুঁজে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। প্রাণহানিসহ ক্ষতিগ্রস্ত ভুক্তভোগীদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি জানাচ্ছি গভীর সহমর্মিতা।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    পদ্মার পাড়ে ছেলে ও ভাগনির লাশের অপেক্ষায় কাঁদছেন শরীফ

    ছেলে সাবিত আর ভাগ্নি সোহানা আক্তারের লাশের জন্য রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মা নদীর পাড়ে অপেক্ষা করছেন শরীফ নামে এক যুবক। ছেলে ও ভাগনির জন্য ঘাট এলাকায় আহাজারি করছেন তিনি। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে সৌহার্দ্য পরিবহনের ঢাকাগামী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে শরিফ বলেন, রাজবাড়ী থেকে আমার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে , বোন ও বোনের ছেলে সৌহার্দ্য পরিবহন বাসে ওঠে। ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস নদীতে পড়ে যাওয়ার পর আমার স্ত্রী, মেয়ে ও বোন স্থানীয়দের সহযোগিতায় পাড়ে উঠতে পারলেও আমার ৭ বছরের ছেলে সন্তান ও ১১ বছর বয়সী ভাগনি এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আমার ছেলে ও ভাগনিতো আর নেই, এখন তাদের লাশটা আমাকে বুঝিয়ে দেন। আমার টাকার দরকার নেই, আমার সন্তানের লাশটা তারা আমাকে বুঝিয়ে দিক। আমার আর কিচ্ছু লাগবে না, আমার সব শেষ।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    দৌলতদিয়ায় বৃষ্টিতে উদ্ধার অভিযান ব্যহত

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। এতে এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে আসলেও বৃষ্টির কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যহত হচ্ছে।

    বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ১১ জন সাঁতরে পারে উঠতে পেরেছে বলে জানা গেছে। বাসে অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    ৪০ সিটের বাসটিতে যাত্রী ছিলেন ৫০ জন: কুমারখালী কাউন্টার মাস্টার

    রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া বাসটিতে চালক-হেলপারসহ অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদের মধ্যে কুষ্টিয়ার কুমারখালী ও খোকসা উপজেলার ১৩ জন যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

    বাসটি বুধবার (২৫ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌর বাসটার্মিনাল থেকে মাত্র ছয়জন যাত্রী নিয়ে দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এরপর বিকেলে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় বাসটি। সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালী বাস কাউন্টার মাস্টার তন্ময় আহমেদ এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ছেড়ে যায়। এরপর খোকসা থেকে সাতজন, মাছপাড়ার চারজন ও পাংশা থেকে ১৫ জন যাত্রী ওঠেন। ৪০ সিটের বাসটিতে চালক-হেলপারসহ মোট ৫০ জন ছিলেন। তন্ময় আহমেদ আরো বলেন, ব্রেক ফেল করে বাসটি নদীতে পড়ে গেছে। যাত্রীদের কারও পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    বাস উদ্ধারে ‘হামজা’ ও ডুবুরি দলের অভিযান শুরু

    রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাস উদ্ধারে জোরালো অভিযান শুরু হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ এবং ডুবুরি দলের পাশাপাশি একাধিক সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বুধবার (২৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নদীতে পড়ে যাওয়া বাসের যাত্রীদের উদ্ধারে বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ মোতায়েন করেছে। বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দলের সহযোগিতায় এরই মধ্যে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিসি, নৌপুলিশ, সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্থানীয় ডুবুরি দলও এ কাজে অংশ নিয়েছে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    নদীর আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে : ফায়ার সার্ভিস

    রাজবাড়ী থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীর আনুমানিক ৩০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মিডিয়া কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার জানান, বাসটি নদীতে পড়ার আগে পাঁচ থেকে সাতজন যাত্রী নিরাপদে বের হতে পেরেছেন। গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি ইউনিট উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও দুইটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী যান হামজা বাস উত্তোলনের কাজে সহায়তা করছে বলে জানান তিনি।

    আগে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৩ নম্বর পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ১১ জন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠতে পেরেছেন বলে জানা গেছে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে বাস, ২ জনের মরদেহ উদ্ধার

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পন্টুনে ওঠার সময় যাত্রীবাহী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে তলিয়ে গেছে। এতে এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলার সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ। প্রাথমিকভাবে নিহতদের নাম ও পরিচয় পাওয়া যায়নি।

    বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ১১ জন সাঁতরে পারে উঠতে পেরেছে বলে জানা গেছে। বাসে অন্তত ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

    সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ বলেন, দুইজনের নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। স্থানীয় ও ঘাট সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ঘাটের পন্টুনে ওঠার চেষ্টা করছিল। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গভীর পদ্মায় পড়ে মুহূর্তেই তলিয়ে যায়।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    জীবিত উদ্ধার ১১, নিখোঁজদের স্বজনদের আহাজারি

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ নামে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৩নং পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ১১ জন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠতে পেরেছেন বলে জানা গেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শী, নৌ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাসটিতে প্রায় ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। নিখোঁজদের স্বজনরা ফেরি ঘাট এলাকার আহাজারি করছেন।

    ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা এসে পৌঁছালেও এখনো উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারেনি। এতে নিখোঁজদের স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা অবস্থান করছেন।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানে বাস দুর্ঘটনা

    কুমারখালি-রাজবাড়ী রুটের ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের একটি বাস রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেছে। এর ফলে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

    ফেরিতে ওঠার আগে সপরিবারে ঘাটে অপেক্ষা করছিলেন প্রত‍্যক্ষদর্শী হিরু বাপ্পি। তিনি একজন ফটোসাংবাদিক। তিনি বলেন, ফেরির পল্টুনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করছিলাম। হঠাৎ চিৎকার শুনে তাকাতেই দেখি বাস পল্টুন ছেড়ে দ্রুতগতিতে পানিতে পড়ে গেলো।

    প্রত্যক্ষদর্শী, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসটিতে প্রায় ৫০ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরির দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এখন পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    ‘একলা রাইখা চইলা গেলা, আমি কি করমু’

    ‘কত করে কইলাম তোমরা বাড়ি থাকো, আমি যাই; আমার ডিউটি আছে। বউ কইল না তুমি একলা একলা যাইবা। আমার ভালো লাগে না। এখন আমারে ছাইরা কেমনে একলা রাইখা চইলা গেলা। আমি কি করমু।’

    বুধবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় ৩নং পল্টুন থেকে নদীতে পড়ে ডুবে যাওয়া বাসটি থেকে সাঁতরে তীরে আসা এক যাত্রী এভাবে স্ত্রী ও সন্তানকে হারিয়ে বিলাপ করছিলেন।

    এর আগে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস উল্টে নদীতে পড়ে যায়। এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় সাঁতরে বেঁচে ফিরে আসা ওই যাত্রী বলেন, ‘তাকে (স্ত্রীকে) বলেছিলাম ২৯ মার্চ আমার ডিউটি আছে তোমরা বাড়ি থাকো, না বউ শুনলো না; বললো, আব্দুল্লাহর বাপ তোমারে না দেখলে আমার ভালো লাগে না। এখন আমার কি হবে; কেমনে বাঁচমু।’

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    ফেরির ধাক্কায় পড়ে যায় বাসটি, বের হতে পারেননি বেশিরভাগ যাত্রী

    বিকেল ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে আসে। এসময় ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে না পারায় অপর ফেরির জন্য বাসটি অপেক্ষা করছিল। সোয়া ৫টার দিকে ওই ঘাটে ‘হাসনা হেনা’ নামের একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে সজোরে পন্টুনে আঘাত করে। ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।

    দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

  • ২৫ মার্চ, ২০২৬

    প্রায় ৫০ যাত্রী নিয়ে নদীতে বাস, ২ ঘণ্টায়ও শুরু হয়নি উদ্ধারকাজ

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় অন্তত ৪০ জন যাত্রী নিয়ে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে। এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করছে বিআইডব্লিউটিসি। মূলত একটি ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে সৌহার্দ পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সোয়া ৫টার দিকে বাসটি নদীতে পড়ে গেলেও দৌলতদিয়া ২ নম্বর ফেরিঘাটে থাকা উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত উদ্ধারকাজ শুরু করেনি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। বড় হতাহতের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তারা।

    এরই মধ্যে ঘটনাস্থলে এসেছেন জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, জেলা সিভিল সার্জন, উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরের কর্মকর্তারা। তারা এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    প্রত্যক্ষদর্শী, নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী থেকে ৪০ জনের মতো যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসে বাসটি। পন্টুন থেকে ফেরিতে ওঠার সময় নদীতে পড়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরির দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এখন পর্যন্ত দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ছয়-সাত জন সাঁতরে তীরে উঠলেও বাকিরা নিখোঁজ আছেন।

    দৌলতদিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা উদ্ধার অভিযান শুরু করবে। দুজনকে উদ্ধার করা হয়েছে। দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন বলেন, ‌‘বিকাল ৫টার কিছু পর সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে আসে। এ সময় ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে না পারায় অপর ফেরির জন্য বাসটি অপেক্ষা করছিল। সোয়া ৫টার দিকে ওই ঘাটে ‘হাসনা হেনা’ নামক একটি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এসে সজোরে পন্টুনে আঘাত করে। ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।’

ছয় ঘণ্টা পর দৃশ্যমান হয়েছে বাসটি, মৃত বেড়ে ৪

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ নামে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে গেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে ৩ নং পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কিছু যাত্রী হতাহত হয়েছেন বলে শঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনার পর বেশ কয়েকজন সাঁতরে পাড়ে উঠেছেন। তবে অধিকাংশ যাত্রীই নদীতে তলিয়ে গেছেন।এলাকাবাসী ঘাটে জড়ো হয়েছেন।

আরও