সংরক্ষিত নারী আসনে জোট নির্ধারণের সময়সীমা ১৫ মার্চ

চিঠিতে বলা হয়, ১৫ মার্চের মধ্যে দলগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে তারা সংসদে কোন জোটে থাকবে। জোট নির্ধারণের পর সংরক্ষিত আসনের জন্য ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। অন্যথায় সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন আটকে যাবে।

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ও ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে তারা কোন দল বা জোটের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তা জানতে চেয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ সব দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। সম্প্রতি ইসি থেকে এ চিঠি পাঠানো হয়। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে সংরক্ষিত আসনের বণ্টন ও ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে ।

চিঠিতে বলা হয়, ১৫ মার্চের মধ্যে দলগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে হবে তারা সংসদে কোন জোটে থাকবে। জোট নির্ধারণের পর সংরক্ষিত আসনের জন্য ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। অন্যথায় সংরক্ষিত নারী আসনের বণ্টন ও ভোটার তালিকা প্রণয়ন আটকে যাবে।

ইসির সংশ্লিষ্ট শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, প্রত্যেক দলকে লিখিতভাবে জানাতে হবে তারা কতজন সংসদ সদস্যকে জোটের অধীনে রাখছে। যদি কোনো স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য তাদের জোটে যোগ দেন, সেটিও কমিশনকে জানাতে হবে। তারা না জানালে কমিশন আসন বণ্টন করতে পারবে না।

জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী, সংসদে অন্তর্ভুক্ত সদস্যদের মোট আসন সংখ্যার আনুপাতিক হার অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল ও জোটের অনুকূলে সংরক্ষিত মহিলা আসন বণ্টন করা হয়। এরপর ইসি সচিবালয় রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে। পরবর্তীতে ইসির বৈঠকে অনুমোদনের পর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। দল ও জোটগুলো তাদের বরাদ্দকৃত আসনের সমান সংখ্যক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। ফলে অনেক সময় প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এর আগে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে, ইসির একটি সূত্র বণিক বার্তাকে জানিয়েছে, সংরক্ষিত মহিলা আসন নির্বাচনের ৯০ দিনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে, ঈদের আগে নির্বাচনের কোনো সম্ভাবনা নেই।

আরও