বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশের সচেতন মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তারা দাম্ভিক সরকারের নির্মম ও অপশাসন থেকে মুক্তি চায়। যে সরকারের হাতে আমাদের সন্তানরা নির্মমভাবে খুন হয়েছে, আমরা সে সরকারের বিদায় চাই। ব্যর্থতা ও খুনের দায়ে ক্ষমতার অপব্যবহারকারী শাসক গোষ্ঠীর সামনে পদত্যাগের কোনো বিকল্প নেই।’
রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সচেতন ছাত্রসমাজের কোটা সংস্কারের ন্যায়সংগত আন্দোলনকে যুক্তি দিয়ে সমাধানের পরিবর্তে অবৈধ সরকারের শক্তি দিয়ে থামিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। সারা দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন অঞ্চলে অগণিত ছাত্র-জনতাকে খুন করা হয়েছে।’
প্রশাসনকে উদ্দেশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘দেশবাসী তাদের সন্তানদের বিরুদ্ধে হিংস্র সরকারের বর্বরতা ও রক্তপাত দেখতে চায় না। তারা চলমান নির্মমতা ও অনিশ্চয়তা অবসানের লক্ষ্যে খুনি সরকারের পদত্যাগ চায়।’
গতকাল বেলা ৩টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশের ঢাক দেয় বিএনপি। তবে পুলিশ বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে সমাবেশ করতে গেলে সেখানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। একপর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।’
সরজমিনে দেখা যায়, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বিএনপি নেতাকর্মীরা সেগুনবাগিচা ও পল্টনের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নেন। সেখানে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বাধে।