দিনাজপুরের হিলিতে গতকয়েকদিন ধরে চলা তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা। শীত ও ঘন কুয়াশায় অনেক বীজ গাজাচ্ছে না আবার কিছু গাজালেও সেসব চারা হলুদ বর্ণ ধারণ করে পচে যাচ্ছে। ফলে বোরো চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা।
কিছুদিন পরেই হিলিতে বোরো ধান রোপন কার্যক্রম শুরু হবে। মৌসুমকে সামনে রেখে কৃষকরা বোরো বীজতলায় চারা প্রস্তুত করছেন। কিন্তু গতকয়েকদিন ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহ,তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশার কারণে বীজতলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা। কোন ওষুধ প্রয়োগেই ফল মিলছে না। এতে আবারো বীজতলা তৈরির বাড়তি খরচের পাশাপাশি বোরো চাষাবাদে বাড়তি সময় লাগবে চাষীদের। আসন্ন বোরো আবাদ নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
কৃষক আরিফুল ইসলাম বলেন, গতকয়েকদিন ধরে শীত আর ঘনকুয়াশা। আমরা যারা বোরো বীজ ফেলেছি তারা খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছি। শীতের কারণে বীজ গাজাচ্ছে না, আবার যেগুলো গাজাচ্ছে শীত ও কুয়াশার কারণে মারা যাচ্ছে। এত ছোট চারায় ওষুধ দেয়া যাচ্ছে না, দিলেও কাজ হচ্ছে না। বীজ না হলে আমাদের জমিগুলো কিভাবে রোপন করবো সে চিন্তায় পড়েছি।
তবে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে দাবি করছেন হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম। তিনি বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে হাকিমপুর উপজেলায় ৩৯৬ হেক্টর বোরো বীজতলা রয়েছে। এর মধ্যে আদর্শ বীজতলা ২৯৮ হেক্টর। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। তীব্র শীতে বোরো বীজতলা রক্ষায় প্রতিরোধমুলক ব্যবস্থা হিসেবে ছত্রাকনাশক স্প্রে করার কথা বলছি। ঘনকুয়াশায় বীজতলাগুলো স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।