এ ডুবন্ত বাঁধগুলো প্রতি বছর মেরামতের ফলে এ অঞ্চলে ফসল উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতি বছর যেন এ বাঁধ মেরামত হয় এবং তা দুর্নীতিমুক্ত হয়, সেদিকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নজর থাববে। ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পে দুর্নীতির বিরদ্ধে কোনো ছাড় নয়। এর বিরুদ্ধে অমরা জিরো টরারেন্স নীতিতে চলব।’
গতকাল সুনামগঞ্জের ধরমপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তরে পানিসম্পদমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এ্যানি চৌধুরী আরো বলেন, ‘বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। জনকল্যাণে সরকার প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে। প্রধানমন্ত্রী সবসময় এ অঞ্চলের খোঁজখবর রাখছেন, আমরা দায়িত্ব নিয়েই আপনাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এরই মধ্যে বর্তমান সরকার কৃষিকাজে সেচের ব্যবস্থা করা, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে দেশব্যাপী খাল-পুকুর-জলাশয় খনন-পুনঃখনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘হাওরাঞ্চলের উৎপাদিত ফসল বিশেষ করে ধান রক্ষা করতে বাঁধ অত্যন্ত জরুরি। ডুবন্ত বাঁধগুলো প্রতি বছর মেরামত করা হবে, কাজগুলো শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে যেন হয় সেটি নিশ্চিত করার আহ্বান জানাই।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়সর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দীন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদারসহ রাজনীতিবিদ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।