রাঙ্গামাটিতে নির্মাণাধীন সেতু ভেঙে নিহত ১

রাঙামাটিতে ঢালাইয়ের কাজ চলার সময় একটি নির্মাণাধীন ব্রিজের একাংশ ধসে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কের সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের বড়াদম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৯ জন। আহতদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রাঙামাটিতে ঢালাইয়ের কাজ চলার সময় একটি নির্মাণাধীন ব্রিজের একাংশ ধসে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কের সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের বড়াদম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন আরো অন্তত ১৯ জন। আহতদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

নিহত শ্রমিকের নাম রফিক। তাৎক্ষণিকভাবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। 

স্থানীয়রা জানান, রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের বড়াদম এলাকায় রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়কের একটি গার্ডার সেতুতে সকালে একদল নির্মাণশ্রমিক ঢালাইয়ের কাজ করছিলেন। এসময় হঠাৎ সেতুটি ধসে গিয়ে ২০ জন শ্রমিক আহত হন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও সঙ্গীয় শ্রমিকরা তাদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন শ্রমিক মারা যান। বাকীরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. শওকত আকবর বলেন, নির্মাণাধীন সেতু ভেঙে আহত হয়ে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ১ জন মারা গেছেন। আহতদের মধ্যে ২ থেকে ৩ জনের অবস্থা আশংকাজনক।

রাঙ্গামাটি কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঢালাইয়ের সময় সেতুর সেন্টারিং ভেঙে গিয়ে ১ জন নিহত ও অপর ১৯ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে ঘটনা সম্পর্কে জানতে এ কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এসএস ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী মো. জসিম উদ্দিনের মোবাইল ফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া এলজিইডির রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা প্রকৌশলী প্রনব রায় চৌধুরীকেও ফোনে পাওয়া যায়নি। সে কারণে ধসে পড়ার কারণ ও পুরো কাজ সম্পর্কে জানা যায়নি।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রাঙ্গামাটি-কাপ্তাই সড়ক নামে পরিচিত এ সড়কটি এলজিইডির তত্ত্বাবধানে প্রশস্তকরণের কাজ শুরু হয় দুবছর আগে। তবে সড়ক প্রশস্তকরণ ও সেতু নির্মাণে ধীরগতির কারণে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এ সড়কে যাতায়াতকারীরা। পাহাড়ি সড়ক হওয়ার সড়কের উপরেই সেতু নির্মাণ করায় বিকল্প সড়ক না থাকায় সেতুর এপার থেকে ওপারে পায়ে হেঁটে যাওয়া ছাড়া বিকল্প পথ নেই। এতে দুর্ভোগ ও লোকসানে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

আরও