নিউ মার্কেটে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা মকবুল গ্রেফতার

নিউ মার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষের ওই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে করা একটি মামলার প্রধান আসামি তিনি।

নিউ মার্কেট এলাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজের ছাত্রদের সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সংঘর্ষের ওই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে করা একটি মামলার প্রধান আসামি তিনি।

এদিকে মকবুল হোসেনের দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। আজ শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে বিএনপির এ নেতাকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তার গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার।

পুলিশ জানায়, নিউমার্কেট এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় দুটি দোকানের কর্মীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থেকে। ওয়েলকাম ও ক্যাপিটাল ফাস্টফুড নামে দোকান দুটি সিটি করপোরেশন থেকে মকবুল হোসেনের নামে বরাদ্দ নেয়া রয়েছে। কিন্তু মকবুল নিজে ওই দোকান চালাতেন না। রফিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম নামে দুজন দোকান দুটি ভাড়া নিয়ে চালাতেন।

অবশ্য গ্রেফতারের আগে নিউ মার্কেট থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মকবুল দাবি করেছিলেন, গত দুদিনের সংঘর্ষের ঘটনায় কোনোভাবেই তার সম্পৃক্ততা নেই। তারপরও রাজনৈতিক বিবেচনায় তাকে এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে।

সরকারি কাজে বাধা, পুলিশের ওপর আক্রমণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, ভাঙচুর ও জখম করার অভিযোগে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে পুলিশ। ওই মামলায় ১ নম্বর আসামি অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন। অন্যান্য আসামিরা হলেন, আমীর হোসেন আলমগীর, মিজান, টিপু, হাজি জাহাঙ্গীর হোসেন পাটোয়ারি, হাসান জাহাঙ্গীর মিঠু, হারুন হাওলাদার, শাহ আলম শন্টু, শহীদুল ইসলাম শহীদ, জাপানি ফারুক, মিজান ব্যাপারী, আসিফ, রহমত, সুমন, জসিম, বিল্লাল, হারুন, তোহা, মনির, বাচ্চু, জুলহাস, মিঠু, মিন্টু ও বাবুল। তারা ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী।

এর আগে গত সোমবার রাত ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও দোকান কর্মীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে এ সংঘর্ষ। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও গত মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর থেকে ফের দফায় দফায় শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেন ও ভর্তি আছেন তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আর সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নাহিদ হাসান ও মোরসালিন নামের দুজন।

আরও