সুন্দরবন থেকে ২০ কেজি কাঁকড়া জব্দ

সুন্দরবনে প্রজনন মৌসুমে অবৈধভাবে শিকার করা ২০ কেজি কাঁকড়া জব্দ করা করেছেন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় কোস্টগার্ড, বন বিভাগ ও নৌ পুলিশ এক যৌথ অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব কাঁকড়া জব্ধ করা হয়। জব্দকৃত কাঁকড়ার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সুন্দরবনে প্রজনন মৌসুমে অবৈধভাবে শিকার করা ২০ কেজি কাঁকড়া জব্দ করা করেছেন যৌথ বাহিনীর সদস্যরা। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টায় কোস্টগার্ড, বন বিভাগ ও নৌ পুলিশ এক যৌথ অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এসব কাঁকড়া জব্ধ করা হয়। জব্দকৃত কাঁকড়ার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ হাজার টাকা। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সুন্দরবন পশ্চিম জোনের বুড়িগোয়ালিনী রেঞ্জ কর্মকর্তা এমএ হাসান বলেন, প্রজনন মৌসুম জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে সুন্দরবনের সব ধরনের কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ। গতকাল সকালে বুড়িগোয়ালিনী এলাকায় সুন্দবনের আহরণ করা কাঁকড়া বিক্রয় হচ্ছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনীর সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের খবর পেয়ে অনেক কাঁকড়া ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে পালিয়েছেন। এ সময় বুড়িগোয়ালিনীর খোলপেটুয়া নদীর পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২০ কেজি কাঁকড়া জব্দ করা হয়। জব্ধকৃত কাঁকড়ার আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা। পরে জব্দকৃত কাঁকড়া খোলপেটুয়া নদীতে অবমুক্ত করা হয়।

তিনি আরো জানান, প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরা বন্ধে আমাদের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। কাঁকড়া ধরার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকবে, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হবে।

এদিকে বুড়িগোয়ালিনী রেঞ্জের আওতাধীন কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা অমিনেশ রায় বণিক বার্তাকে জানান, অভিযানে কোনো কাঁকড়া উদ্ধার করা যায়নি। তার এ বক্তব্যের পর বুড়িগোয়ালিনী রেঞ্জ কর্মকর্তা এমএ হাসানের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ করা হলে তিনি ২০ কেজি কাঁকড়া উদ্ধারের কথা জানান।

আরও