চালগুলো খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল। গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এসব চাল উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হবে।