চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহ হস্তান্তর

শহিদুলের স্ত্রী নাসরিন আক্তারের দাবি, ঘটনার দিন সকালে কাজ গিয়েছিল তার স্বামী। বেলা দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে কাজ শেষ করে বাড়ি এসেছিলেন তিনি। এরপর বিকালে গরুর জন্য মাঠে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। তারপর আর বাড়ি ফেরেননি। মাগরিবের সময় শুনেছি, আমার স্বামীকে গুলি করে বিএসএফ নিয়ে গেছে।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত শহিদুল ইসলাম শহিদের (৩৭) মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) উপজেলার দৌলতগঞ্জ-মাজদিয়া চেকপোস্টে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে জীবননগর থানা-পুলিশের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে ভারতীয় পুলিশ।

এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মকবুল হাসান, জীবননগর থানার পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) রিপন কুমার দাস। আর ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ৩২ বিএসএফ ব্যাটালিয়ানের কর্মকর্তারা।

গত ২৯ নভেম্বর জীবননগরের গয়েশপুর সীমান্তের অপর পাশে ভারতের অভ্যন্তরে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন শহিদ। তিনি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের নস্কর আলীর ছেলে। সেদিন শহিদসহ গ্রামের ১০-১২ জন ভারত থেকে মাদকদ্রব্য আনতে গিয়েছিলেন। বিকালে ফেরার সময় বিএসএফের সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে। এ সময় সবাই পালিয়ে গেলেও শহিদুল গুলিবিদ্ধ হন। বিএসএফের সদস্যরা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার সময় তিনি মারা যান।

তবে শহিদুলের স্ত্রী নাসরিন আক্তারের দাবি, ঘটনার দিন সকালে কাজ গিয়েছিল তার স্বামী। বেলা দেড়টা থেকে ২টার মধ্যে কাজ শেষ করে বাড়ি এসেছিলেন তিনি। এরপর বিকালে গরুর জন্য মাঠে ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। তারপর আর বাড়ি ফেরেননি। মাগরিবের সময় শুনেছি, আমার স্বামীকে গুলি করে বিএসএফ নিয়ে গেছে।

আরও