অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মরণোত্তর সম্মাননা পেলেন বেসরকারি খাতের সফল উদ্যোক্তা ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী। সংবর্ধিত হলেন অর্থনীতিবিদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞানী ড. ফিরদৌসী কাদরী। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে বণিক বার্তা ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) যৌথ উদ্যোগে ‘গুণীজন সংবর্ধনা ২০২৫’-এ অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদসহ অতিথিরা অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী ও ড. ফিরদৌসী কাদরী এবং প্রয়াত সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর পুত্র সৈয়দ নাসিম মঞ্জুরের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।
সংবর্ধনা পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করেন টিকা উদ্ভাবন, পরীক্ষণ, প্রয়োগ ও দেশে সংক্রামক রোগ গবেষণায় খ্যাতিমান বিজ্ঞানী ড. ফিরদৌসী কাদরী। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় বলি, বাংলাদেশ থেকে কোনো কিছু পেলে যতটা আনন্দ লাগে, বাইরের অনেক বড় জায়গা থেকে পেলেও ততটা লাগে না। আমার নিজের মানুষ আমাকে কিছু দিয়েছে, এটা আমার জন্য অনেক বেশি সম্মানের। আমার সঙ্গে যারা এতদিন গবেষণা করেছেন এবং আইসিডিডিআর,বি ও আইদেশির সবাইকে এ সম্মাননা উৎসর্গ করলাম।’
অনুভূতি ব্যক্ত করতে মঞ্চে এসে প্রথিতযশা শিক্ষক, গবেষক, অর্থনীতিবিদ, নীতিপ্রণেতা ও দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকারী অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘এ সংবর্ধনার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’ এ সময় ড. চৌধুরীর পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তার পুত্র ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আসরারুল ইসলাম চৌধুরী।
বেসরকারি খাতের সফল উদ্যোক্তা ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে দুইবার দায়িত্ব পালনকারী উপদেষ্টা প্রয়াত সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর পুত্র ও এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘আমরা আজকে যে তিনজনকে সম্মানিত করছি তাদের গুণের কথা বলে শেষ করা যাবে না। আব্বা শেষবেলায় আমাদের বলে গেছেন—সবার আগে দেশ, প্রথমে বাংলাদেশ। কারণ বাংলাদেশ যদি না হতো আমরা কিছুই হতাম না। উনারা নিজেদের মেধায় সবকিছু করেছেন।
কেউ উনাদের কিছু করে দেননি। এ রকম মেধা দিয়ে, নৈতিকতা ধরে রেখে দেশকে ভালোবেসে আমরা দেশের ভালো করব এবং একটি ভবিষ্যৎ তৈরি করব। দেশটা সবার জন্য এবং এ দেশে আমরা সবাই থাকব।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর কন্যা, সানবিমস স্কুলের প্রিন্সিপাল ও এপেক্স ফুটওয়্যারের পরিচালক মুনিজে মঞ্জুর এবং পুত্রবধু ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. সামিয়া হক।
বণিক বার্তা ও বিআইডিএসের যৌথ আয়োজনে অষ্টমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ‘গুণীজন সংবর্ধনা’। এর আগে ২০১৪ সালে অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, ২০১৫ সালে ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ও ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, ২০১৭ সালে অধ্যাপক রেহমান সোবহান, ২০১৯ সালে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান ও আবুল মাল আবদুল মুহিতকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ২০২২ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. রওনক জাহানকে সংবর্ধনা ও প্রয়াত অর্থনীতিবিদ ড. আকবর আলি খানকে মরণোত্তর সম্মাননা দেয়া হয়। ২০২৩ সালে সংবর্ধিত হন অর্থনীতিবিদ এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম ও ড. মসিউর রহমান। ‘গুণীজন সংবর্ধনা ২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয় চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি। এতে মরণোত্তর সম্মাননা দেয়া হয় প্রয়াত অর্থ, পরিকল্পনা ও বাণিজ্যমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানকে।
গতকাল সন্ধ্যায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ‘গুণীজন সংবর্ধনা’র অষ্টম আয়োজন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। শুরুতে সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী ও ড. ফিরদৌসী কাদরীর জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত আলাদা ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত গুণীজনদের জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত ও স্মৃতিচারণ করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘যারা আজ সম্মাননা পাচ্ছেন, তারা প্রত্যেকেই প্রচণ্ড দেশপ্রেমিক। তারা সবাই বাংলাদেশকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছেন এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ করে গেছেন।’
অর্থ উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘মঞ্জুর এলাহী সাহেব ব্যবসা-বাণিজ্যে, ময়না ভাই (ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী) গবেষণায় এবং শায়লা (ড. ফিরদৌসী কাদরী) বিজ্ঞানে অসামান্য অবদান রেখেছেন। এ ধরনের স্বপ্নবাজ কিছু মানুষই আজ বাংলাদেশকে এতদূর নিয়ে এসেছেন। বণিক বার্তা ও বিআইডিএস ধারাবাহিকভাবে এ রকম গুণীজনদের সম্মান দিয়ে আসছে, যা সত্যিই প্রশংসনীয়।’"
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরীর ছাত্র ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় দেশের কয়েকজন বিরল শিক্ষকের মধ্যে অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী একজন। অন্যদিকে সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী একজন দুর্দান্ত ব্যক্তি ছিলেন। তার অসংখ্য গুণ ছিল। আমরা তার জন্য প্রার্থনা করি। আর মানুষের মঙ্গলের জন্যই যে বিজ্ঞান, সেটি দেখিয়েছেন ড. ফিরদৌসী কাদরী। উনার প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা।’
গুণীজন সংবর্ধনায় স্মৃতিচারণ করেন ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী অত্যন্ত সজ্জন একজন ব্যক্তি। উনি সবসময় পেশাদারত্বের সর্বোচ্চ স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতেন। সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীর সঙ্গে আমি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে একটি প্যানেলে বক্তা হিসেবে ছিলাম। উনার গতিবিধি যে বহু জায়গায় এটি তার একটি উদাহরণ। আর ড. ফিরদৌসী কাদরীকে সম্মাননা দেয়ার মাধ্যমে, বিজ্ঞানকে আমাদের সমাজে যে গুরুত্ব দেয়া দরকার এবং এ শাখায় নারী-পুরুষ সবারই আসা প্রয়োজন সেটাও অনুভূত হলো।’
অনুষ্ঠানে সৈয়দ মঞ্জুর এলাহীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী এবং আমি সমবয়সী। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের একসঙ্গে পথচলা। আমাদের মধ্যে কোনো ব্যবসায়িক স্বার্থ ছিল না, ছিল গভীর বন্ধুত্ব ও পারিবারিক সম্পর্ক।’
তিনি বলেন, ‘মঞ্জুর দুইবার কেয়ারটেকার সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। স্বল্প সময়ে তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন। কেয়ারটেকার সরকারকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে তার অবদান ছিল অনন্য। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি তিনি নিভৃতে দেশের উন্নয়নে কাজ করে গেছেন।’
অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম চৌধুরী সম্পর্কে বলতে গিয়ে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘আমিরুল ইসলাম চৌধুরী স্যারকে আমরা এআইসি স্যার বলে ডাকতাম। আজকে উনি সংবর্ধিত হচ্ছেন সেজন্য তার ছাত্রী হিসেবে আমি গর্বিত এবং আনন্দিত। আমি মনে করি যথাযথ ব্যক্তিই গুণীজন হিসেবে সংবর্ধিত হচ্ছেন।’
আমিরুল ইসলাম চৌধুরীকে একজন সজ্জন ও উচ্চ নীতিবান মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘উপাচার্য থাকা অবস্থায় আমিরুল স্যার খুবই সাধারণ জীবনযাপন করতেন।’
অনুষ্ঠানে ড. ফিরদৌসী কাদরীর অবদান নিয়ে কথা বলেন সাবেক সচিব ও বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সের ফেলো ড. হাসিনা খান। তিনি বলেন, ‘ড. ফিরদৌসী কাদরী এক কথায় গুণে ও রূপে অদ্বিতীয়া। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীব্যাপী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন যে ক’জন বিজ্ঞানী আছেন, সেখানেও ফিরদৌসী কাদরী অনন্য। তার মতো একজনকে, বিশেষ করে নারী বিজ্ঞানী পাওয়া আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্যের।’
গতকাল অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিআইডিএসের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এ কে এনামুল হক বলেন, ‘বিআইডিএস ও বণিক বার্তার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গুণীজন সংবর্ধনা। আজকের অনুষ্ঠানে তিনজন গুণী ব্যক্তিত্বকে আমরা সম্মাননা জানাচ্ছি। তারা তিনজনই আমাদের সমাজে পরিচিত, দেশের বিভিন্ন কাজে ও উন্নয়নে জড়িত ছিলেন। আমাদের কমিটির ঐকমত্যের ভিত্তিতে তাদের সম্মাননা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।’
গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গতকাল অর্থনীতিবিদ, গবেষক, লেখক, শিক্ষাবিদ, ব্যবসায়ী, শীর্ষ নির্বাহীসহ বিভিন্ন খাতের বিশিষ্টজনদের সম্মিলন ঘটে। তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইদুজ্জামান, ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক ড. মোস্তফা কে মুজেরী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ও অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য অধ্যাপক আব্দুল বায়েস, অর্থনীতিবিদ রুশিদান ইসলাম রহমান, সাবেক সচিব সিকদার আনোয়ার, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া, আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুর রব, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান, কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সাধারণ সম্পাদক ও মুসপানার চেয়ারম্যান মো. আতাউর রহমান সরকার রোজেল, বুরো বাংলাদেশের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ড. ইউসুফ খান, ফাউন্ডেশন ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (এফএসডিএস) সেক্রেটারি জেনারেল ড. ইশারফ হোসেন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তোফাজ্জল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অধ্যাপক ড. মো রুহুল আমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ও ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চের চেয়ারম্যান ড. শহীদুল জাহীদ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোস্তফা হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সিনিয়র লেকচারার মো. লোকমান হোসাইন, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম ওলি, নিরাপত্তা বিশ্লেষক সাজ্জাদুল কিবরিয়া দীপু ও বিসিকের সাবেক পরিচালক আবু তাহের খান।
ব্যবসায়ী নেতা, শীর্ষ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান, এসটিএস গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ এ মঈন, সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান, ইউনাইটেড গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান মঈনউদ্দিন হাসান রশীদ, আবদুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএসএম মঈনউদ্দীন মোনেম, মেঘনা গ্রুপের পরিচালক তানভীর মোস্তফা, এমসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ এন করিম, পরিচালক সৈয়দ তারেক মো. আলী, এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের চেয়ারপারসন গোলাম মঈনুদ্দীন, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন পারভীন মাহমুদ, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) পরিচালক দেলোয়ার হোসেন রাজা, এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়ুন রশীদ, ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কেএসএম মোস্তাফিজুর রহমান, ইলেক্ট্রো মার্ট গ্রুপের ডিএমডি নুরুল আফছার, সামিট মেঘনাঘাট-১ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও সামিট মেঘনাঘাট-২ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন, ইউনাইটেড হেলথ কেয়ারের সিইও মোহাম্মদ ফয়েজুর রহমান, ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স প্রধান মো. শামীম মিয়া, হার্ভেস্টপ্লাসের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ ওয়াহিদুল আমিন, আকিজ রিসোর্সের চিফ বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মোহাম্মদ তৌফিক হাসান, আগাতা পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেডের এমডি ড. দেবাংশু বিকাশ ভৌমিক, ওয়েব ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী, ম্যাক্স ফাউন্ডেশনের টিম লিড (রাইট টু গ্রো প্রকল্পের কান্ট্রি কনসোর্টিয়াম) ইকবাল আজাদ, পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের (পিএসটিসি) নির্বাহী পরিচালক ড. নূর মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পরিচালক ও শীর্ষ নির্বাহীরা অংশ নেন। এর মধ্যে আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. মেহমুদ হোসেন, বেসিক ব্যাংক চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানিয়া উপস্থিত ছিলেন। ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এমডি মোসলেহ্ উদ্দীন আহমেদ, ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি আহসান জামান চৌধুরী, মিডল্যান্ড ব্যাংকের এমডি মো. আহসান-উজ জামান, মধুমতি ব্যাংকের এমডি মো. সফিউল আজম, এনআরবি ব্যাংকের এমডি তারেক রিয়াজ খান, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের এমডি মো. তৌহিদুল আলম খান। আরো ছিলেন প্রাইম ব্যাংকের ডিএমডি নাজিম এ চৌধুরী, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ডিএমডি অসিম কুমার সাহা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ডিএমডি মো. শাফকাত হোসেন, এনআরবি ব্যাংকের ডিএমডি আনোয়ার উদ্দিন ও এম রাশেদুল হুদা ও প্রাইম ব্যাংক সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান।
নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) নীতিনির্ধারকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউনাইটেড ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান, এমডি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের এমডি নাসিমুল বাতেন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের এমডি মো. কায়সার হামিদ, অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্সের সিইও কান্তি কুমার সাহা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কোম্পানির (আইআইডিএফসি) এমডি আবু সাদাত মোহাম্মদ শাহীন, ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টসের এমডি মো. মামুনুর রশিদ মোল্লা, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের এমডি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইমাম শাহীন, প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের সিইও আব্দুল হামিদ, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের সিইও মো. জাহেদুল ইসলাম। এছাড়া বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার মো. সাইফুদ্দিন, ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোম্পানি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের পার্টনার এ এফ নেসারউদ্দিন, একনাবিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসের পার্টনার মো. রোকনুজ্জামান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর। আরো ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জামিলউদ দীন আহসান, বীর প্রতীক, লেফট্যানেন্ট জেনারেল (অব.) আমিনুল করিম।
রাজনীতিবিদরাও এসেছিলেন এ আয়োজনে। তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, বিএনপির মিডিয়া সেল ও মানবাধিকার কমিটির সদস্য ফারজানা শারমিন পুতুল, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি মো. নিজাম উদ্দিন, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের অর্থ সমন্বয়ক দিদারুল ভূঁইয়া, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সম্পাদক ফয়জুল হাকিম, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, ফরিদুল হক, মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) আবদুল্ল্যাহ আল মামুন ফয়সাল, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, ঢাকা মহানগর (উত্তর) সদস্য সচিব সর্দার আমিরুল ইসলাম সাগর, বাংলাদেশ স্টাডি ফোরামের (বিডিএসএফ) মুখপাত্র সৈয়দ রাইয়ান আমীর ও নির্বাহী সদস্য আরাফাত ইমরান, জাসদ ঐক্য বাস্তবায়ন মঞ্চের সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ফারাহ খান।