রামেক হাসপাতলে মৃত ২৯ শিশুর কারোরই হাম শনাক্ত হয়নি: শিশু বিভাগের প্রধান

বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে। এবছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশু মারা গেছেন। এদের মধ্যে পজেটিভ আছে ১ জন। সন্দেহ মারা গেছে ২৯ জন। এ ২৯ জনের টেস্ট করেও হাম পজেটিভ পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে চলতি বছরে হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশু মারা যান। এদের মধ্যে ১ জনের হাম পরীক্ষা পরে শনাক্ত করা গেছে। বাকিগুলো শনাক্ত হয়নি।

সোমবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কালেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাহিদা ইয়াসমিন এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন।

ডা. সাহিদা ইয়াসমিন বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭০ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ জনের শরীরে হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে। এবছর হামের উপসর্গ নিয়ে ৩০ জন শিশু মারা গেছেন। এদের মধ্যে পজেটিভ আছে ১ জন। সন্দেহ মারা গেছে ২৯ জন। এ ২৯ জনের টেস্ট করেও হাম পজেটিভ পাওয়া যায়নি।

আক্রান্তদের নির্ধারিত কর্নার ও সাধারণ শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে জানিয়ে হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান বলেন, দুটি ওয়ার্ডের কর্নারে আলাদা করে (রোগীদের) আইসোলেশন করে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে রোগী বাড়লে আমার সেটি দেখবো।

তিনি আরো বলেন, আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৬৫ শতাংশের বয়স ছয় মাসের নিচে। যা চিকিৎসকদের জন্য উদ্বেগজনক। এক বছরের ওপরে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা খুবই কম।

এ সময় রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পিকে এম মাসুদ-উল-ইসলাম জানান, ১২০০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ২৫০০ থেকে ৩৫০০ রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেও চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আরও