এইচপিভি ভ্যাকসিন খুবই নিরাপদ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্কুলপড়ুয়া ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছাত্রীদের এইচপিভি ভ্যাকসিন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘এ ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ও খুবই নিরাপদ। জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর। এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। পরবর্তীতে অন্য নারীরাও এই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। ঢাকা বিভাগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে সারাদেশে সংশ্লিষ্ট স্কুল, হাসপাতালসহ সব টিকাকেন্দ্রে এ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেয়া হবে।

স্কুলপড়ুয়া ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছাত্রীদের এইচপিভি ভ্যাকসিন দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘এ ভ্যাকসিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত ও খুবই নিরাপদ। জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর। এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। পরবর্তীতে অন্য নারীরাও এই ভ্যাকসিন নিতে পারবেন। ঢাকা বিভাগে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পরবর্তীতে সারাদেশে সংশ্লিষ্ট স্কুল, হাসপাতালসহ সব টিকাকেন্দ্রে এ ভ্যাকসিন বিনামূল্যে দেয়া হবে।

রোববার ( ১৫ অক্টোবর) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালেক বলেছেন, সারা দেশের পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত সব শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের বিনামূল্যে টিকা দেয়া হবে। প্রথম দিকে ২৩ লাখ কিশোরীকে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সোয়া কোটি মেয়েকে এই টিকা দেয়া হবে।মানিকগঞ্জে  প্রায় ৭৪ হাজার শিশুকে (১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী) জরায়ুমুখে ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা দেয়ার টার্গেট নেয়া হয়েছে। জেলার সাত উপজেলা ও একটি পৌরসভা মিলে মোট ১২০৭টি বিদ্যালয়ের শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রাশিদা সুলতানা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী ও সিভিল সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। 

আরও