কসমেটিকস, মসলা ও খাদ্যপণ্যগুলোর বেশির ভাগের জন্যই বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মান সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়নি। জনস্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ এসব পণ্যের জন্য রাখা হয়েছে স্বেচ্ছামূলক সনদ গ্রহণের সুযোগ। সেক্ষেত্রে মান সনদ না গ্রহণ করলেও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর এসব পণ্য বিক্রিতে আইনি কোনো বাধা থাকছে না। বিষয়টি উদ্বিগ্ন করে তুলছে বিশেষজ্ঞদের। তারা বলছেন, জনস্বাস্থ্যের জন্য সংবেদনশীল এসব পণ্যের অনেকগুলোরই মান নিয়ে জনপরিসরে বেশ প্রশ্ন উঠেছে। সরকারিভাবে বিএসটিআইয়ের মাধ্যমে এসব পণ্যের মানরক্ষার বিষয়টিকে বাধ্যতামূলক না করায় তা দীর্ঘমেয়াদে দেশের জনস্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
সেবা ও পণ্যের গুণমান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান বিএসটিআইয়ের কাছ থেকে মান সনদ বাধ্যতামূলক করা আছে ২৯৯ পণ্যে। এর মধ্যে মসলাপণ্য আছে ছয়টি, কসমেটিকস পণ্য আছে ৩০টি আর খাদ্যপণ্য আছে ৬০-এর কিছু বেশি। যদিও দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে এর চেয়েও অনেক গুণ বেশিসংখ্যক মসলা, কসমেটিকস ও খাদ্যপণ্য।
বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, মান সনদের বাধ্যবাধকতা না থাকায় এর সুবিধা নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন মোড়কে বিক্রি হচ্ছে নকল ও ভেজাল পণ্য। এতে পণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছে কোম্পানি ও ভোক্তারা। স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে ভোক্তাদের। বাজারে বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন পণ্য বন্ধ করে জনস্বাস্থ্যে সংবেদনশীল গুরুত্বপূর্ণ পণ্যগুলো বাধ্যতামূলক করার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞ ও ভোক্তারা।
রাজধানীর রামপুরা, কারওয়ান বাজার, বনশ্রী, গুলিস্তান এলাকার একাধিক সুপার শপ ও পাইকারি-খুচরা প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখা যায়, নানা ধরনের বিস্কুট, ব্রেড, কেক, হিমায়িত খাদ্য (চিকেন সমুচা, পিৎজা, বাটার মিটবল, কাবাব, চিকেন সসেজ), বেসন, এলাচ, ফলের আচার, গ্লুকোজ, জিরার গুঁড়া, লংকা, গরম মসলা, আদা পেস্ট, রসুন পেস্ট, পেঁয়াজ পেস্ট, জাফরান, মেথি, তিল, ফলের গুঁড়া (তেঁতুল, আম, আমলকী, নিম), চীনাবাদাম, আখরোট, পোস্ত, দারুচিনি, ইসপগুল, কিশমিশ, বডি লোশন, ফেসওয়াশ, চুলের তেল, স্কিন লোশন, ক্রিম, রূপচর্চার সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। এগুলোর অধিকাংশেরই নেই বিএসটিআইয়ের মান সনদযুক্ত স্টিকার বা লোগো। স্বচ্ছ বয়াম বা প্লাস্টিকের মোড়কে বিক্রি হচ্ছে এসব পণ্য। এমনকি অনেক পণ্যের নেই উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের নামও। আবার অনেক পণ্যে বিএসটিআইয়ের লোগো ও বিডিএস নম্বর আছে। তারা স্বেচ্ছায় সনদ নিয়েছেন। কারণ সেগুলো বিএসটিআই মান সনদে বাধ্যতামূলক নয়। খাদ্যপণ্যের চেয়ে মসলা ও কসমেটিকস পণ্যেই সবচেয়ে বেশি অনুমোদনহীন নিম্নমানের পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
দেশে হাজারের অধিক খাদ্যপণ্য রয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৬০-৬৫টি পণ্যকে বাধ্যতামূলক সনদ দিয়েছে বিএসটিআই। এছাড়া শতাধিক পণ্যকে দেয়া হয়েছে স্বেচ্ছামূলক সনদ। সনদের বাইরে থাকা পণ্যগুলো বিক্রি হচ্ছে বাধ্যবাধকতা না থাকার অজুহাতে। মসলাজাতীয় পণ্যে রাঁধুনী, ফ্রেশ, প্রাণ, আরকুসহ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান বাধ্যতামূলক বিএসটিআই লোগো ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি করলেও অনেক পাইকারি ও খুচরা দোকানে বিক্রি হচ্ছে কোম্পানির নামবিহীন মসলা। বিএসটিআই মাত্র ছয়টি মসলাজাতীয় পণ্যকে বাধ্যতামূলক করেছে। স্বেচ্ছামূলক সনদের আওতায় রয়েছে হাতেগোনা কয়েকটি মসলাপণ্য। অথচ বাজারে বিক্রি হচ্ছে শতাধিক মসলাপণ্য।
অন্যদিকে কসমেটিকস বাজারে সবচেয়ে বেশি ভেজাল ও মানহীন পণ্য বিক্রি হচ্ছে। ১০৬টি কসমেটিকস পণ্যকে সনদ দিয়েছে বিএসটিআই। যার মধ্যে মাত্র ৩০টি পণ্যে সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বাজারে পাঁচ শতাধিক কসমেটিকস পণ্য বিক্রি হচ্ছে বলে মনে করেন বিক্রেতারা। নিম্নমানের এসব পণ্যে আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, রেটিনাইল পালমিটেট, মারকিউরাস ক্লোরাইড, ক্যালোমেলের মতো ক্ষতিকর নানা রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হলেও বিএসটিআই শুধু সিসা (লেড) ও পারদের (মার্কারি) মাত্রা নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। কসমেটিকসের এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে চোরাইপথে বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন পণ্যও। আমদানি নীতিবহির্ভূতভাবে বিক্রি হচ্ছে বিদেশী কসমেটিকস। ভোক্তা অধিকার ও বিএসটিআই নানা সময়ে অভিযান চালিয়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করলেও তৈরি হয়েছে নতুন নতুন ভেজাল পণ্যের প্রতিষ্ঠান। এসব পণ্যের চকচকে মোড়ক দেখে উচ্চমূল্যে কিনছেন ক্রেতারা।
এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘কসমেটিকস ও মসলার বাজার এখন বেড়ে চলছে। সব পণ্য বাধ্যতামূলক সনদের আওতায় আনাও সম্ভব না। যার সুযোগটা নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা।’
রামপুরায় দেশ সুপার শপে খাইরুল নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘বিএসটিআই লোগো দেখে সবাই পণ্য কিনবে, সেটা কিন্তু না। আবার এত পণ্যের মধ্যে কোনটি বিএসটিআই অনুমোদিত তা দেখার সুযোগও থাকে না। আর বিএসটিআই সম্পর্কে সব ভোক্তা জানেনও না।’
ভেজাল পণ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পুরো দেশ এখন ভেজালে ভরে গেছে। কোন পণ্য ভেজাল আর কোনটা ভেজাল না—সেটি যাচাই করাও কঠিন। এসব পণ্য আমরা বাধ্য হয়ে ব্যবহার করি। এগুলোয় মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে। এখান থেকে ভোক্তাদের রক্ষা করতে সরকারি উদ্যোগ দরকার।’
বিএসটিআই সূত্রে জানা যায়, দুটি ক্যাটাগরিতে পণ্যের মান সনদ (সিএম) দিয়ে থাকে মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাটি। যেগুলো বেশি জনগুরুত্বপূর্ণ সেগুলোকে বাধ্যতামূলক সনদ নিতে হয়। বাকিগুলো উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান চাইলে সনদ নিতে পারে, না নিলে সমস্যা নেই। সেজন্য বিএসটিআই আইনে কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। তবে খাদ্যপণ্য প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বিএসটিআই প্রণীত বাংলাদেশ মান বা বিডিএস অনুসরণ করার কথা আইনে বলা হয়েছে।
১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার পণ্যের মান নির্ধারণ করেছে। যার মধ্যে মাত্র ২৯৯টি পণ্যকে বাধ্যতামূলক মান সনদ দেয়া হয়েছে। বাকি পণ্যগুলো স্বেচ্ছামূলক মান সনদের আওতাভুক্ত। এছাড়া ১৬টি পণ্য সনদের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব পণ্যের মান চূড়ান্ত করতে কাজ করে বিশেষজ্ঞ কমিটি। কমিটি তাদের ল্যাবে প্রয়োজনীয় টেস্ট শেষে জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোকে চূড়ান্ত করে। পরে সংশ্লিষ্ট উৎপাদন প্রতিষ্ঠানকে সনদ দেয়া হয়। এছাড়া আমদানি নীতির আওতায় রয়েছে ৭৯টি পণ্য, যা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিএসটিআই। এসব পণ্যে ব্যবহার করতে হয় বিএসটিআই লোগো ও বিডিএস নম্বর।
বিএসটিআইয়ের অনুমোদিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে কৃষি, খাদ্য, দুগ্ধজাত, তেল, শর্করা, পানীয়, মসলা, বনজ, রসায়ন, লেখনী, চামড়া ও চামড়াজাত, প্রসাধনী, সার ও কীটনাশক, পাট ও বস্ত্র, টেক্সটাইল মেশিনারি ও অ্যাকসেসরিজ, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও প্রকৌশলপণ্য। এসব পণ্যের মান যাচাই সনদ দেয়া হয়। তবে বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক মান সনদপ্রাপ্ত পণ্যের স্বল্পতা এবং যথাযথ তদারকির অভাবে বাজার চলছে উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের মর্জিমতো। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভোক্তা অধিদপ্তর ও বিএসটিআই নামমাত্র অভিযান পরিচালনা করলেও তা সে পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে। এছাড়া বিএসটিআইয়ে নেই প্রয়োজনীয় লোকবল। এ বিষয়ে বিএসটিআইয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানের মতো এখানেও লোকবল সংকট। যার কারণে ধীরগতিতে চলছে।’
বাধ্যতামূলক পণ্যের মান সনদ কম দেয়া ও ভেজাল পণ্য বাজারজাতকরণে বিএসটিআইয়ের নজরদারি ও অনিচ্ছা দেখছেন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন। তিনি বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বিএসটিআই যে ২৯৯টি পণ্যে সনদ বাধ্যতামূলক করেছে, সেগুলোই নজরদারির মধ্যে রাখতে পারছে না। তারা আবার নতুন কী পণ্য বাধ্যতামূলক করবে? তারা শুধু বলে লোকবলের অভাবের কথা। লোকবল যদি না থাকে তাহলে বছরে একশটির জায়গায় দশটি করেন। মাসে একটা করেন। এখানে তাদের ইচ্ছার ঘাটতি আছে।’ বাজারে ভেজাল পণ্য নিয়ন্ত্রণে বিএসটিআইয়ের কঠোর আইন প্রয়োগ করা দরকার বলে মনে করেন ক্যাবের এ নেতা।
উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো বিএসটিআইয়ের বিধি মেনে বাজারজাত করলেও অসাধু অনেক ব্যবসায়ী এসব কোম্পানির আদলে নকল পণ্য বিক্রি করছে বাজারে। অনেকে একই ধরনের মোড়কে ভিন্ন নামেও বাজারে আনছে নানা পণ্য। এসব পণ্য দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটি নকল আর কোনটি আসল।
রামপুরার আতিক এগ্রোর মালিক বলেন, ‘আমাদের সব পণ্য নিজেদের উৎপাদিত। এত পণ্যের কি সনদ নেয়া সম্ভব? আমরা কয়েকটি পণ্যের সনদের জন্য আবেদন করেছি। কয়েকটি পণ্যের সনদ পেলে অন্যগুলো বিক্রি করতে পারব।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক শারমিন মবিন ভূঁইয়া বলেন, ‘স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে এমন পণ্যগুলো বাদ দিয়ে জনস্বাস্থ্যর কথা চিন্তা করে প্রয়োজনীয় পণ্যের মান সনদের আওতায় আনা উচিত। অনেক টয়লেট ব্যবহার্য পণ্য আছে যেগুলো সনদের আওতায় নেই। অনেক কেমিক্যাল এগুলোয় ব্যবহৃত হয়, যা স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। সেসব পণ্যের মান যাচাই করা উচিত। এখানে জনসচেতনতাও খুবই জরুরি।’
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের শিক্ষক ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘যেকোনো খাদ্যপণ্যের কোয়ালিটি দেখে মান যাচাই করে বিএসটিআই, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য উপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তাদের সক্ষমতা ও তদারকি না থাকার কারণে বাজারে নকল পণ্য ঢুকে পড়ছে। অনেক কোম্পানি অনুমোদনহীন পণ্যে বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করছে, সেটা তারা জানেও না। এসব নকল পণ্যে যে কেমিক্যাল ব্যবহৃত হচ্ছে তা স্বাস্থ্যর জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব খাদ্য ও প্রসাধনী দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে। ঈদকে সামনে রেখে বাজারে নকল পণ্য বাড়ছে। এখানে সরকারকে কঠোর আইন করে শাস্তির বিধান করতে হবে। শাস্তির মাধ্যমে উদাহরণ সৃষ্টি করতে হবে যেন অসৎ ব্যবসায়ীরা নকল পণ্য তৈরি না করে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএসটিআই পরিচালক (সিএম) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো পণ্যের মানদণ্ড না থাকলে কীভাবে বাধ্যতামূলক সনদভুক্ত করব? কোন জিনিসের মান থাকলে সেটাকে আমরা বাধ্যতামূলক সনদের আওতায় নিয়ে আসতে পারি। আমাদের ২৯৯টির বাইরে আরো ১৬টি পণ্য যেকোনো সময় এসআরও হয়ে যাবে। এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় ১০-১২টা পণ্যের বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেব। কাউন্সিল অনুমোদন দিলে আমরা পরবর্তী এসআরও দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করব। এখানে সমস্যা হচ্ছে মান না থাকলে তো সনদ দিতে পারি না। আর সবকিছুকে তো বাধ্যতামূলকও করা যায় না। তবে জনগুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করেই পণ্যকে বাধ্যতামূলকের আওতায় আনা হয়।’
বিএসটিআই মহাপরিচালক এসএম ফেরদৌস আলম বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আমাদের ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কোনো পণ্যের মান চূড়ান্ত করা হয়। এছাড়া যেসব পণ্য আমদানি করা হয় সেগুলো প্রাথমিক পর্যায়ে বন্দরে আটকে দিই। তারপর ল্যাব টেস্টে চূড়ান্ত হলেই তা ছাড়া হয়। দেশে উৎপাদিত সব পণ্যকে বাধ্যতামূলক পণ্যের আওতায় আনা সম্ভব নয়। একসঙ্গে সব পণ্যকে বাধ্যতামূলক করাও যাবে না। এখানে কিছু পদক্ষেপ আছে। বাধ্যতামূলক করতে স্ট্যান্ডার্ড ডেভেলপ করে নিতে হয়। এটি করা সময়সাপেক্ষ। এছাড়া উন্নত বিশ্বেও এত পণ্যের বাধ্যতামূলক সনদ নেই।’ একই সঙ্গে মানহীন পণ্য নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা জরুরি বলে মনে করেন বিএসটিআই মহাপরিচালক।