দেশের বাজারে মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হলো স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন বিকাল ৪টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা।
এদিন সকালে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সে সময় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩১ টাকা।
স্বর্ণের দাম বাড়লেও রৌপ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রৌপ্যের প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট ভরিতে ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রৌপ্যের দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত সমন্বয়কৃত দাম দেশের সব জুয়েলারি দোকানে কার্যকর থাকবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত পাঁচ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ছয় শতাংশ মজুরি যোগ হবে। গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।